শুক্রবার, ০৮ নভেম্বর ২০১৯, ০৭:২৮ অপরাহ্ন

বাহুবলের সাবেক চেয়ারম্যান মুদ্দত আলীর বিরুদ্ধে অবৈধভাবে মাটি ও বালু উত্তোলনের অভিযোগ

মৃদুভাষণ রিপোর্ট :: বাহুবলের সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান মুদ্দত আলীর বিরুদ্ধে অবৈধভাবে মাটি ও বালু উত্তোলনের অভিযোগ পাওয়া গেছে। মেয়াদোত্তীর্ণ একটি আমমোক্তারনামা প্রদর্শনের করে প্রশাসনের চোখে ধুলো দিয়ে তিনি বালু উত্তোলন করে যাচ্ছেন। এ ব্যাপারে জেলা প্রশাসকের নিকট অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

অভিযোগে জানা যায়, উপজেলার পশ্চিম জয়পুর গ্রামের মরহুম ফজলুল হক বাদল জীবদ্দশায় বাহুবলের শশ্মানছড়া নামক বালু মহালটি সরকারের নিকট থেকে ইজারা প্রাপ্ত হন। পরবর্তীতে সরকারের সাথে মহালটির জটিলতা সৃষ্টি হওয়ায় তিনি মহামান্য হাইকোর্টে রিট করেন এবং ১৯৬৩/৬ নং রিটের আদেশবলে প্রতিবছর রয়েলটি জমা দেয়ার মাধ্যমে বালু উত্তোলনের অনুমতি পান। পরবর্তীতে ব্যবসায়ীক ঝামেলার কারণে ওই মহালটি উপজেলার ২নং পুটিজুরী ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মুদ্দত আলী পরিচালিত প্রতিষ্ঠান মেসার্স সোনার বাংলা এন্টারপ্রাইজকে ২০১১ সনের ১ জানুয়ারি থেকে ২০১৩ সনের ৩০ ডিসেম্বর পর্যন্ত বালু মহালটি পরিচালনার জন্য নোটারী পাবলিকের মাধ্যমে হস্তান্তর করেন। ফজলুল হক বাদল অকালমৃত্যু বরন করায় তার ওয়ারিশান নাবালক ২ ছেলে, ১ মেয়ে ও স্ত্রী ভোগদখলকার হন। এদিকে চুক্তিপত্রের মেয়াদ উত্তীর্ণের ৬ বছর অতিবাহিত হলেও মুদ্দত আলী চুক্তি নবায়ন না করেই মহালসহ এলাকার বালু, মাটি উত্তোলন করে পরিবেশকে হুমকির মুখে ঠেলে দিচ্ছেন। আর ফজলুল হক বাদলের মেসার্স মৈত্রী এন্টারপ্রাইজের নামীয় রশিদ প্রদান করে উত্তোলিত বালু বিক্রি করে চলেছেন। ফজলুল হক বাদলের স্ত্রী নাদিরা খানম জেলা প্রশাসকের কাছে ২৬ সেপ্টেম্বর অভিযোগে দায়ের করেন। অভিযোগে তিনি আরও বলেন চেয়ারম্যান মুদ্দত আলীর অবৈধ বালু উত্তোলন ও মাটি কাটার কারণে কোন রূপ ক্ষতি সাধিত হলে এর দায়ভার মুদ্দত আলীকেই বহন করতে হবে।


© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত মৃদুভাষণ - ২০১৪
Design & Developed BY ThemesBazar.Com