1. ahmedshuvo@gmail.com : admi2018 :
  2. mridubhashan@gmail.com : Mridubhashan .Com : Mridubhashan .Com

শনিবার, ০৭ ডিসেম্বর ২০১৯, ০১:১৯ পূর্বাহ্ন

ছাত্রকে রাতভর নির্যাতন: মন্ত্রণালয়ের চিঠি পেয়েও পদক্ষেপ নেয়নি বাকৃবি প্রশাসন

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়। ফাইল ছবি

মৃদুভাষণ ডেস্ক :: বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) এক শিক্ষার্থীকে রাতভর নির্যাতনের ঘটনায় দোষীদের বিরুদ্ধে বিশ্ববিদ্যালয় কি ব্যবস্থা নিয়েছে জানতে চেয়ে চিঠি দেয় শিক্ষা মন্ত্রণালয়। গত ২১ অক্টোবর স্বাক্ষরিত চিঠিতে আগামী ৭ কার্যদিবসের মধ্যে গৃহীত ব্যবস্থা সম্পর্কে জানাতে বলে মন্ত্রণালয়।

এর প্রেক্ষিতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে একটি প্রতিবেদন পাঠালেও এখন পর্যন্ত দোষীদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেয়নি।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) সাইফুল ইসলাম বলেন, আমরা শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে একটি চিঠি পাঠিয়েছি। তদন্ত কমিটি কর্তৃক সুপারিশ অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

উল্লেখ্য, গত ৫ আগস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ জামাল হোসেন হল ছাত্রলীগের সভাপতি দীপক হালদারকে সালাম না দেয়ায় গভীর রাত পর্যন্ত হলের কক্ষে আটকে রেখে নির্যাতন করে মাকসুদুল হক ইমু নামের এক শিক্ষার্থীকে। ইমু বিশ্ববিদ্যালয়ের পশুপালন অনুষদের প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী।

হল ছাত্রলীগের সহসভাপতি আবদুল্লাহ হিশ শাফি, গ্রন্থনা ও প্রকাশনা সম্পাদক শাহাদাত হোসেন শাওন এবং পাঠাগার সম্পাদক মো. রাহাত হোসেন রাত ১টার দিকে ওই শিক্ষার্থীকে হলের পূর্ব ব্লকের ৫ নম্বর কক্ষে ডেকে নিয়ে যান। পরে তারা হল সভাপতিকে সালাম না দেয়ার কারণ জানতে চান এবং তাকে স্ট্যাম্প দিয়ে পেটান।

নির্যাতনের ঘটনার পরের দিন (৬ আগস্ট) তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী ছাত্রবিষয়ক উপদেষ্টা অধ্যাপক মো. আজহারুল ইসলাম, ফসল উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. একেএম জাকির হোসেন এবং সহকারী প্রক্টর চয়ন গোস্বামীকে সদস্য করে কমিটি গঠন করা হয়। তবে কত দিনের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে হবে, বিজ্ঞপ্তিতে সে বিষয়ে কোনো নির্দেশনা দেয়া ছিল না।

এ ঘটনা ঘটার পরে বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় সংবাদ প্রকাশিত হয়। সেটি উল্লেখ করে এ ঘটনায় দোষীদের বিরুদ্ধে বিশ্ববিদ্যালয় কি ব্যবস্থা নিয়েছে তা জানতে চায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

এ বিষয়ে মাকসুদুল হক ইমু বলেন, ওই ঘটনার পর আমি বিশ্ববিদ্যালয়ের পার্শ্ববর্তী কেওয়াটখালি মেসে থাকছি।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বাকৃবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. লুৎফুল হাসান বলেন, বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন অবস্থায় আইন উপদেষ্টার কাছে রয়েছে। আমরা এ বিষয়ে দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পারব বলে আশা করছি।


© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত মৃদুভাষণ - ২০১৪
Design & Developed BY ThemesBazar.Com