বৃহস্পতিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ১২:০৬ অপরাহ্ন

হবিগঞ্জে আত্মহত্যা নয়, দুই সন্তানসহ মাকে ‘হত্যা’

মৃদুভাষণ ডেস্ক ::যৌতুক আর পারিবারিক কলহের জের ধরেই মাধবপুর উপজেলার ধর্মঘর ইউনিয়নের নিজনগর গ্রামে স্ত্রীসহ দুই শিশু সন্তানকে গলাকেটে হত্যা করেন ব্যবসায়ী স্বামী মজিদ। নিহত হাদিছার স্বজনদের এই দাবিই অনেকটা সত্য বলে প্রমাণ মিলেছে ময়নাতদন্তে। হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালে মর্গে লাশগুলোর ময়নাতদন্ত করে চিকিৎসকরা নিশ্চিত হয়েছেন তিনজনকেই হত্যা করা হয়েছে।

দুই শিশুর শরীর থেকে মাথা বিচ্ছিন্ন ও মায়ের শরীরে পাওয়া যায় একাধিক আঘাতের চিহ্ন। স্ত্রীকে হত্যা করে রাখা হয় ফ্যানের সঙ্গে ঝুলিয়ে। যাতে মানুষ মনে করে দুই সন্তানকে হত্যা করে মা আত্মহত্যা করেছেন। আর এসব চিহ্ন থেকে চিকিৎসকরা অনেকটাই নিশ্চিত মাকেও খুন করা হয়েছে। স্বামীসহ পরিবারের সবাই পালিয়ে যাওয়ায় রহস্য আরও ঘনীভূত হয়।

নিহতরা হলেন ব্যবসায়ী আব্দুল মজিদ এর স্ত্রী হাদিছা বেগম (২২) এবং তাদের আড়াই বছর বয়সী মেয়ে মীম আক্তার ও সাত মাসের ছেলে মোজাহিদ মিয়া। শুক্রবার সন্ধ্যার পর থেকে রাত ১১টার মধ্যে কোনো এক সময় নির্মম এই খুনের ঘটনাটি ঘটে।

শুক্রবার মধ্যরাতে নিহতদের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালের মর্গে পাঠায় মাধবপুর থানা পুলিশ। গতকাল শনিবার সন্ধ্যায় ময়নাতদন্ত শেষে নিহতদের লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়। রাতেই ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বিজয়নগর উপজেলার বুধন্তি ইউনিয়নের কেনা পূর্ব পাড়ার পারিবারিক কবরস্থানে এক সাড়িতেই দাফন করা হয় দুই সন্তানসহ মাকে।

নিহত হাদিছা বেগমের পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, ২০১৪ সালে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বিজয়নগর উপজেলার বুধন্তি ইউনিয়নের কেনা পূর্ব পাড়ার শামিম মিয়ার মেয়ে হাদিছা যখন অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী তখন তাকে মাধবপুর উপজেলার ধর্মঘর ইউনিয়নের নিজনগর গ্রামের মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রশিদের ছেলে আব্দুল মজিদের সঙ্গে বিয়ে দেয়া হয়। বিয়ের এক বছর তাদের দাম্পত্য জীবন সুখে কাটলেও হঠাৎ করেই সুখের সংসারে আগুন জ্বলে উঠে। কারণে অকারণে তুচ্ছ বিষয় নিয়ে মজিদ তার স্ত্রী হাদিছা বেগমকে মারধর করে আসছিলেন। মেয়ের সুখের জন্য বিভিন্ন সময় হাদিসার বাবা শামীম মিয়া জামাতা মজিদের দাবি-দাওয়া পূরণ করেছেন। সম্প্রতি আবারও মজিদ ব্যবসার জন্য হাদিছাকে বাবার কাছ থেকে টাকা এনে দেয়ার দাবি করেন। হাদিছা তার বাবার কাছ থেকে টাকা এনে দিতে অপারগতা প্রকাশ করলে আব্দুল মজিদ উত্তেজিত হয়ে তাকে মারধর করেন।

সর্বশেষ ঘটনার দুই দিন আগে মজিদ হাদিছাকে মারপিট করেন। বিষয়টি হাদিছা তার বাবা শামীমকে জানান। এরপর দুই দিন ধরে হাদিছার সঙ্গে তার পরিবারের যোগাযোগ বন্ধ ছিল। শুক্রবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে আব্দুল মজিদের স্বজনরা ধর্মঘর ইউপি চেয়ারম্যান সামসুল ইসলাম কামালকে জানান, আব্দুল মজিদের স্ত্রী হাদিছা বেগম নিজের দুই শিশু সন্তানকে হত্যার পর গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করেছে। এরপর চেয়ারম্যান স্থানীয় মেম্বারকে সাথে নিয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখেন ঘরের বাইরে তালা দেওয়া, পেছনের দিকে খোলা। আরেকটা ঘরও খোলা। সেখানে হাদিছা বেগম মেঝেতে পড়ে আছেন, হাদিছার মেয়ে মীম খাটে।

এই করুণ দৃশ্য দেখে ইউপি চেয়ারম্যান মাধবপুর থানা পুলিশকে খবর দেন। খবর পেয়ে মাধবপুর থানা পুলিশের পাশাপাশি হবিগঞ্জ ডিবি পুলিশ ও পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) সদস্যরা ঘটনাস্থলে ছুটে যান। এরই মধ্যে গণমাধ্যম কর্মীদের কাছে এই নির্মম ঘটনার খবর পৌঁছে যায়।

গণমাধ্যম কর্মীরা এ ঘটনার রহস্য জানতে পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করলে পুলিশ স্থানীয় চেয়ারম্যান ও এলাকাবাসীর বক্তব্যের বরাত দিয়ে জানায়, পারিবারিক কলহের জের ধরে আব্দুল মজিদের স্ত্রী হাদিছা বেগম নিজের দুই শিশু সন্তানকে হত্যা করে আত্মহত্যা করেছে। এ পরিপ্রেক্ষিতে গণমাধ্যম কর্মীরা প্রথমে পুলিশের দেয়া তথ্য অনুযায়ী টেলিভিশনসহ প্রিন্ট মিডিয়ায় সংবাদ প্রচারিত হয় মাধবপুরে দুই শিশু সন্তানকে জবাই করে হত্যা করে মায়ের আত্মহত্যা।

তাৎক্ষণিক হবিগঞ্জের সহকারী পুলিশ সুপার এসএম রাজু আহমেদের নেতৃত্বে ঘটনাস্থলে পৌঁছে লাশগুলো উদ্ধারে কাজ করেন। এ সময় দেখা যায়, হাদিছার মরদেহ মেঝেতে পড়ে রয়েছে। তার পাশের খাটের উপরে মীমের মাথা বিচ্ছিন্ন মরদেহ পড়ে রয়েছে। পাশের আরেকটি কক্ষে তালাবদ্ধ অবস্থায় হাদিছার সাত মাসের শিশু পুত্র মোজাহিদের শরীর থেকে মাথা আলাদা করা লাশ পড়ে রয়েছে। মোজাহিদের হাতের মধ্যে সেলাইন দেয়ার একটি কেনোলা লাগানো রয়েছে।

এমন নির্মম দৃশ্য পুলিশ, সাংবাদিকসহ স্থানীয় যারাই দেখেছেন শিউরে উঠেছেন। লাশ উদ্ধারকালে ঘটনার রহস্য উদঘাটনের জন্য পুলিশ এলাকার লোকজনদের সাথে কথা বলে। এ সময় পুলিশ ঘটনাস্থলে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত ধারালো দা উদ্ধার করে। ঘটনার পর থেকে আব্দুল মজিদসহ তার আত্মীয় স্বজনরা বাড়ি ছেড়ে পালিয়ে যায়।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক নারী জানান, মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রশিদ তার স্ত্রী রাজিয়া ও ছোট মেয়ে কলেজছাত্রী মিতুকে নিয়ে আলাদা একটি মাটির ঘরে বসবাস করেন। শুক্রবার রাত ৯টায় নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত নাতনি মীমের ঔষধ খাওয়ানো হয়েছে কি না জানতে চেয়ে মীমের মা হাদিছাকে নাম ধরে ডাকতে শুরু করেন রাজিয়া বেগম। কিন্তু ঘর থেকে কোনো সাড়া-শব্দ পাননি। ঘরের ভেতর দিয়ে গেইট তালাবদ্ধ দেখতে পান। পরে পেছনের দরজা দিয়ে ঘরে গিয়ে দেখতে পান মীমের গলা বিচ্ছিন্ন মরদেহ খাটের উপর এবং হাদিছার মরদেহ মেঝেতে পড়ে রয়েছে। নাতনি ও পুত্রবধূর এ দৃশ্য দেখে রাজিয়া বেগম চিৎকার দিয়ে উঠেন। তার চিৎকার শুনে প্রতিবেশীরা গিয়ে দেখতে পান মিমের গলাকাটা রক্তাক্ত দেহ এবং হাদিছার মরদেহ পড়ে রয়েছে। কিন্তু ওই কক্ষে তাদের সাত মাসের শিশু পুত্র মোজাহিদকে পাওয়া যাচ্ছিল না। ঘটনাটি মীমের বাবা আব্দুল মজিদকে জানালে তিনি ধর্মঘর বাজার থেকে দ্রুত বাড়িতে এসে এ দৃশ্য দেখতে পান।

ধর্মঘর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সামসুল ইসলাম কামাল বলেন, শুক্রবার রাতে এলাকার লোকজন আমাকে ফোন করে বলে, এখানে দুটি বাচ্চা আর এক মহিলা মারা গেছে। বাইরে থেকে তারা দেখেছে। আমি সঙ্গে সঙ্গে মেম্বারকে নিয়ে এলাম। অনেক লোকজন। ঘরের বাইরে তালা দেওয়া, পেছনের দিকে খোলা। আরেকটা ঘর দেখলাম খোলা। সেখানে মেয়েটা মেঝেতে পড়ে আছে, বাচ্চাটা খাটে।

চেয়ারম্যান আরো জানান, তিনি এই পরিবারের লোকজনকে বিশেষ জানেন না। ফলে তাদের সম্পর্কে কোনো কিছু বলতে পারবেন না। তিনি আসার পর এই বাড়ির লোকজন বিশেষ কাউকে দেখেননি।

এই ঘটনার খবর শুনে সেখানে আসেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বুধন্তি ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মাহবুবুল আলম। তিনি জানান, মজিদ উগ্র মেজাজি। বিয়ের পর থেকে দুই-তিনবার তিনি এ নিয়ে দরবার করেছেন। ছেলের বাড়ির লোকজন মেয়েটাকে আবার বুঝে নিয়ে এসেছে। শ্বশুরবাড়ির সঙ্গেও ছেলে ভালো ব্যবহার করত না।

স্থানীয়দের বরাত দিয়ে হাদিছার পরিবার দাবি করে, ঘটনাটি ঘটেছে দুপুর দেড়টার দিকে। মজিদ দুইটা মেয়েকে ও স্ত্রীকে মেরে ঘরে তালা দিয়ে ধর্মঘরের দিকে চলে গেছে। তদন্ত করলেই সেটা বেরিয়ে আসবে।

হাদিছার ছোট ভাই দ্বীন ইসলাম বলেন, ‘কয়েক দিন আগে দুলাভাই (মজিদ) আমাকে ফোন দিয়ে বলেন, তোদের বোনেরে নে। না নিলে কাইটা ফেলামু। তোরার কয় লাখ টাকা লাগব। আমি তালইরে (মজিদের বাবা) ফোন দিয়ে বিষয়টি জানাই। তিনি সমাধান করে দেওয়ার আশ্বাস দেন। গত সোমবার আমার মা বোনের বাড়িতে আসেন। তখন মায়ের সঙ্গে দুলাভাই বা তার মা-বাবা কোনো কথা বলেননি। পরে আমার মা চলে যান। তিন দিন আগে বাচ্চারে ডাক্তার দেখানোর জন্য বোন আর দুলাভাই মাধবপুর যায়। আমার বাবা বলার পরও দুলাভাই আমাদের বাসায় যায় নাই। বাড়ি চলে আসছে।’

দ্বীন ইসলাম অভিযোগ করে বলেন, ‘আমার দুলাভাই নিজে দুইটা বাচ্চারে কাটছে, আমার বোনরে মারছে। নিজে কাটছে। ও আমারে বলেছে, তোরার বোনরে নে, নাইলে আমি কাইটা ফেলব। আমার বোন সুস্থ ছিল। আমার বোন আমারে অভিযোগ করছে। কথা উল্টা-পাল্টা করলেই মারধর শুরু করত। এই বাড়ির মানুষ সবাই তারে ডরায়। তার ডরে কেউ কথা বলে না। তাঁর উগ্র মেজাজ। সে আমার বোন ভাগ্নিকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করেছে।’

হাদিছার বাবা শামিম আহমেদ জানান, মেয়ের বিয়ের সময় তার সাধ্য অনুযায়ী যৌতুক দেন। বিয়ের কিছুদিন যেতে না যেতেই মজিদ যৌতুকের জন্য হাদিছাকে শারীরিক ও মানষিক নির্যাতন শুরু করে। এ নিয়ে সাত দফা সালিশ বৈঠক হয়েছে। মেয়ের সুখ শান্তির কথা চিন্তা করে একাধিকবার টাকা দেয়া হয়। এমনকি সর্বশেষ ঘর তৈরির জন্য ইট, রড, দেয়া হয়। এরপরও তার ওপর নির্যাতন করা হতো। তাছাড়া মজিদ পরকীয়ায় আসক্ত ছিল। এ ঘটনা হাদিছা কয়েকবার আমাদের কাছে বলেছে।

এ সময় তিনি কাঁদতে কাঁদতে বলেন, ‘নাতি, নাতনি আর আমার মেয়েটারে পরিকল্পিতভাবে খুন করছে মজিদ ও তার পরিবারের লোকজন। হায় আল্লাহ, আমার মেয়েটা কী দোষ করছিল। দোষ করলে মেয়েটারে আমার বাড়িত দিত। মাইরা ঘরে তালা দিয়া সবাই বাড়ি থেকে বাইর হয়ে গেছে। আমি এর বিচার চাই। প্রতিশোধ চাই। আমি জানের বদলা জান চাই।’

মাধবপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) চন্দন কুমার চক্রবর্তী বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখতে পাই মেঝেতে হাদিছা বেগমের লাশ পড়ে রয়েছে। উপরের দিকে সিলিং ফ্যানের মধ্যে দড়ি ছেড়া ঝুলছে। হাদিছার লাশের পাশের খাটের উপরে মিমের গলা বিচ্ছিন্ন মরদেহ পড়ে রয়েছে। পাশের আরেকটি কক্ষে তালাবদ্ধ অবস্থায় হাদিছার সাত মাসের শিশুপুত্র মোজাহিদ গলা থেকে মাথা আলাদা লাশ পড়ে রয়েছে। শিশু দুটির মৃত্যু নিঃসন্দেহে হত্যাকাণ্ড।

হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালের মর্গে লাশ তিনটির ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসক ডা. বজলুর রহমান ও ডা. দেবাশীষ দাশ জানান, প্রতিদিনই গড়ে ৩/৪টি লাশের ময়না তদন্তের কাজ করি। কিন্তু খুনের এমন নির্মম দৃশ্য কোনোদিন দেখিনি। তারা জানান, দুই শিশু ও তাদের মাকে হত্যা করা হয়েছে। নিহত হাদিছা বেগমের মাথায় একাধিক আঘাত রয়েছে।

জ্যৈষ্ঠ সহকারী পুলিশ সুপার এস এম রাজু আহমেদ জানান, হবিগঞ্জের পুলিশ সুপার বিধান ত্রিপুরা পিপিএম-বার এর নির্দেশে বিভিন্ন আইন প্রয়োগকারী সংস্থা এই খুনের ঘটনাটি গভীরভাবে তদন্ত করছে।

পুলিশের একটি সূত্র জানায়, পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী দুই শিশু ও মাকে হত্যা করা হয়েছে। খুনের দায় হাদিছার ওপর চাপিয়ে দেয়ার জন্য দুই শিশুকে গলা কেটে দ্বিখণ্ডিত করে হাদিছার লাশ ফ্যানের সাথে ঝুলিয়ে রাখে ঘাতকরা। যাতে মানুষ মনে করে দুই সন্তানকে হত্যা করে মা আত্মহত্যা করেছে। কিন্তু হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত দা দেখে স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছে খুন করার জন্য কামারের দোকান থেকে নতুন দা তৈরি করা হয়েছে। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশ নিশ্চিত হয়েছে হাদিছাসহ দুই শিশুকে হত্যা করা হয়েছে।

সর্বশেষ খবরে জানা গেছে, তিন খুনের ঘটনায় নিহত হাদিছার পিতা শামীম আহমেদ বাদী হয়ে মাধবপুর থানায় জামাতা মজিদ, হাদিছার শাশুড়িসহ সাতজনের নাম উল্লেখ করে আরও কয়েকজনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেছেন। গ্রেপ্তারের স্বার্থে পুলিশ আসামিদের নাম প্রকাশ করছে না।

এদিকে শনিবার বিকালে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদের জন্য একজনকে আটক করেছে। তবে তদন্তের স্বার্থে তার নাম-পরিচয় গোপন রাখা হয়েছে। ঢাকাটাইমস


© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত মৃদুভাষণ - ২০১৪
Design & Developed BY ThemesBazar.Com