শুক্রবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০১৮, ০৭:৪১ অপরাহ্ন

বগুড়ায় হিরো আলমের বিপক্ষে প্রার্থী যারা

হিরো আলম। ফাইল ছবি

মৃদুভাষণ ডেস্ক :: একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জাতীয় পার্টি থেকে মনোনয়নপত্র কেনার পর থেকে সোশ্যাল মিডিয়ায় আশরাফুল আলম ওরফে হিরো আলম ভাইরাল হয়ে যায়। তাকে নিয়ে চলে আলোচনা আর সমালোচনা। তবে হিরো আলম আশাবাদী তিনি এমপি হলে মন্ত্রীও হবেন। কোনো কিছুতেই থেমে নেই হিরো আলম।

হিরো আলম বগুড়া-৪ আসনে লাঙলের প্রার্থী হয়েছেন। আসনটি কাহালু ও নন্দীগ্রাম উপজেলা নিয়ে গঠিত। সে আসনে মোট ভোটার ৩ লাখ ১১ হাজার ৯৪১ জন। এই আসনে রয়েছেন বিভিন্ন দলের প্রভাবশালী প্রার্থীরা।

১৯৯১ সালে এই আসনে বিএনপির সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন দলের প্রয়াত যুগ্ম মহাসচিব আজিজুল হক মোল্লা। তার মৃত্যুর পর ১৯৯৪ সালের উপনির্বাচনে প্রয়াত সংসদ সদস্যের ছেলে জিয়াউল হক মোল্লা দলীয় মনোনয়নে নির্বাচিত হন। এ ছাড়া তিনি আরও তিন দফা সংসদ সদস্য হন।

২০০৭ সালে দেশে জরুরি অবস্থা জারির পর সংস্কারপন্থী নেতাদের পক্ষ নেওয়ায় জিয়াউল হক মোল্লা দলে কোণঠাসা হয়ে পড়েন। ২০০৮ সালের নির্বাচনে তাকে বাদ দিয়ে মোস্তফা আলী মুকুলকে দলীয় মনোনয়ন দেওয়া হলে তিনি মহাজোট মনোনীত জাসদের প্রার্থী একেএম রেজাউল করিম তানসেনকে হারিয়ে সংসদ সদস্য হন।

২০১৪ সালের নির্বাচন বিএনপি বয়কট করে। ফলে ওই নির্বাচনে আওয়ামী লীগে সমঝোতার ভিত্তিতে জাপার নুরুল আমিনকে জেতার সুযোগ করে দিতে মাঠ ছেড়ে দেয়। কিন্তু মহাজোটের অন্যতম শরিক জাসদের রেজাউল করিম তানসেন মনোনয়ন প্রত্যাহার না করলে নির্বাচন হয়। নির্বাচনে জাপার প্রার্থীকে হারিয়ে তিনি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।

এদিকে আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংস্কারপন্থী জিয়াউল হককে ইতিমধ্যেই দলে ফিরিয়ে এনে প্রার্থী করতে যাচ্ছে বিএনপি। জাসদের সভাপতি হাসানুল হক ইনু ২৮ অক্টোবর নির্বাচনী জনসভা থেকে দলীয় প্রার্থী হিসেবে একেএম রেজাউল করিম তানসেনকে (জাসদ) ঘোষণা দিয়েছেন।

অন্যদিকে জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মমতাজ উদ্দিনও এ আসন থেকে নির্বাচন করার জন্য মনোনয়ন সংগ্রহ করেছেন।

এর আগে হিরো আলম দুবার ইউপি সদস্য নির্বাচন করে হেরেছেন। পরে তিনি চেয়ায়ম্যান নির্বাচনে পরাজিত হন। এবার সংসদ নির্বাচনের জন্য জাতীয় পার্টি থেকে মনোনয়নপত্র কিনেছেন।


© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত মৃদুভাষণ - ২০১৪
Design & Developed BY ThemesBazar.Com