শুক্রবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০১৮, ০৭:৩৯ অপরাহ্ন

বুকে জমে থাকা কফ দূর করুন ঘরোয়া ৬ উপায়ে

মৃদুভাষণ ডেস্ক :: ঋতু বদলের পরিক্রমায় প্রকৃতিতে বইছে শীতের হাওয়া। শীত আসার সঙ্গে সঙ্গে নিয়ে এসেছে কিছু রোগ।সর্দি-কাশি ও জ্বর এখন ঘরে ঘরে।

সর্দি-কাশি ও বুকে কফ বা শ্লেষ্মা জমার সমস্যা আপাতদৃষ্টিতে সাধারণ সমস্যা বলে মনে হলেও সময়মতো এর চিকিৎসা করা না গেলে এটি শ্বাসযন্ত্রের ক্ষতি করতে পারে। সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়তে পারে শ্বাসযন্ত্রে।

বুকে জমে থাকা কফ দূর করার জন্য ডাক্তারের কাছে যাওয়ার আগে কিছু প্রাকৃতিক উপাদান ব্যবহার করে দেখতে পারেন। ঘরোয়া ছয় পদ্ধতিতে কফ দূর করার উপায় নিয়ে এ ফিচার।

১. আদা: এক টেবিল চামচ আদা কুচি এক জলে মেশান। এবার এটি ঢাকনা দিয়ে ঢেকে ৫-১০ মিনিট ফুটিয়ে নিন। ঠাণ্ডা হলে এতে সামান্য মধু দিন। দিনে অন্তত তিনবার এ পানীয়টি পান করুন। দেখবেন কফ দূর হয়ে গেছে।

এ ছাড়া এক চা চামচ আদা কুচি, গোলমরিচের গুঁড়ো এবং লবঙ্গের গুঁড়ো দুধ বা মধুর সঙ্গে মিশিয়ে মিশ্রণটি দিনে তিনবার পান করুন। আপনি চাইলে এক টুকরো আদা নিয়ে মুখে চাবাতে পারেন। আদার রস বুকের কফ বা শ্লেষ্মা শরীর থেকে বের করে দিতে সাহায্য করবে।

২. লবণ জল: বুকের সর্দি ও কফ দূর করতে সবচেয়ে সহজ আর সস্তা উপায় হল লবণ জল। লবণ শ্বাসযন্ত্র থেকে কফ দূর করতে সাহায্য করে। এক গ্লাস সামান্য উষ্ণ জলের সঙ্গে এক চা চামচ লবণ মিশিয়ে নিন। এটি দিয়ে দিনে দুই তিনবার গারগেল করুন।

৩. লেবু ও মধু: লেবু জলে এক চামচ মধু মিশিয়ে পান করুন। মধু শ্বাসযন্ত্রের ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করতে সাহায্য করে। এমনকি এটি বুক থেকে কফ বা শ্লেষ্মা দূর করে গলা পরিষ্কার করতে সাহায্য করে।

৪. হলুদ: হলুদে থাকা কারকুমিন নামের উপাদান বুক থেকে কফ ও শ্লেষ্মা দূর করে বুকে ব্যথা, শ্বাসকষ্ট দ্রুত কমিয়ে দেয়। এর অ্যান্টি ইনফ্লামেটরি উপাদান গলা ও বুকের খুসখুসে অস্বস্তি, জ্বালা, ব্যথা দূর করতে সাহায্য করে।

এক গ্লাস সামান্য উষ্ণ পানিতে এক চিমটে হলুদের গুঁড়ো মিশিয়ে নিন। এটি দিয়ে প্রতিদিন গারগোল বা কুলকুচি করুন।

এ ছাড়া এক গ্লাস দুধে আধা চা চামচ হলুদের গুঁড়ো মিশিয়ে ফুটিয়ে নিন। সম্ভব হলে এর সঙ্গে দুই চা চামচ মধু এবং এক চিমটে গোলমরিচের গুঁড়ো মিশিয়ে এ দুধ দিনে দুই থেকে তিনবার পান করুন। উপকার পাবেন।

৫. পেঁয়াজ: একই পরিমাণের পেঁয়াজের রস, লেবুর রস, মধু ও পানি একসঙ্গে মিশিয়ে ৫-৭ মিনিট ফুটিয়ে নিন। এভাবে সামান্য উষ্ণ এই জল দিনে অন্তত তিন থেকে চারবার পান করুন। উপকার পাবেন।

৬. আপেল সাইডার ভিনেগার: এক কাপ সামান্য উষ্ণ জলে দুই চা চামচ আপেল সাইডার ভিনেগার মিশিয়ে নিন। এর সঙ্গে এক চা চামচ মধু মিশিয়ে এই পানীয়টি দিনে অন্তত দুই-তিনবার পান করুন। মোটামুটি ৮-১০ দিন পান করুন। দ্রুত শ্লেষ্মার সমস্যা নিয়ন্ত্রণে চলে আসবে।


© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত মৃদুভাষণ - ২০১৪
Design & Developed BY ThemesBazar.Com