রবিবার, ২৫ অগাস্ট ২০১৯, ০২:৩৪ পূর্বাহ্ন

পাসপোর্ট ছাড়া পাইলটের কাতারে যাওয়ার ঘটনা তদন্তে কমিটি

প্রতীকী ছবি

মৃদুভাষণ ডেস্ক:: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে আনতে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের উড়োজাহাজ নিয়ে পাসপোর্ট ছাড়াই কাতার যাওয়ার ঘটনায় ভুল স্বীকার করে ক্ষমা চেয়েছেন ক্যাপ্টেন ফজল মাহমুদ চৌধুরী। এ ঘটনায় তাকে পাইলটের তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। অভিনব এ ঘটনা তদন্তে গঠিত হয়েছে কমিটি।

পাসপোর্ট ছাড়াই পাইলট ফজল মাহমুদের বিদেশ যাওয়ার ঘটনায় ফের আলোচনায় ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর। আবারও বিমানে প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা, শাহজালাল বিমানবন্দরের উদাসীনতা ও ইমিগ্রেশন চেক করার সক্ষমতা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় থেকে বলা হচ্ছে, দেশে ফিরিয়ে এনে ক্যাপ্টেন মাহমুদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পাসপোর্ট ছাড়া দেশের বাইরে যাওয়ায় ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষও তার বিরুদ্ধে তদন্ত করছে। কীভাবে তিনি পাসপোর্ট ছাড়া হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ত্যাগ করেছেন, তা নিয়ে দেশবাসী বিস্মিত। এর আগেও বিমানে প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সচিব মহিবুল হক বলেন, পাসপোর্ট না নিয়ে যাওয়ার পর কাতার ইমিগ্রেশনে আটক, তাকে নিয়ে তদন্ত কমিটি, গণমাধ্যমে লেখালেখির কারণে ক্যাপ্টেন মাহমুদ মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছেন। এ অবস্থায় তাকে দিয়ে ফ্লাইট পরিচালনা ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে বিবেচনায় তাকে পাইলটের তালিকা থেকে বাদ দিয়েছে কর্তৃপক্ষ। আজ নন-অপারেটিং পাইলট হিসেবে তাকে দেশে ফেরত আনা হতে পারে।

প্রধানমন্ত্রীর ফ্লাইট চালাতে ক্যাপ্টেন আমিনুল ইসলাম শুক্রবার সন্ধ্যায় বিমানের দোহাগামী নিয়মিত ফ্লাইটে (বিজি-০২৫) ঢাকা ত্যাগ করেছেন। বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট অপারেশন বিভাগ গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার তিন দেশে সরকারি সফর শেষে শনিবার দোহা বিমানবন্দর হয়ে দেশে ফেরার কথা রয়েছে। তাকে বহন করতে বোয়িং ৭৮৭ মডেলের ড্রিমলাইনার বর্তমানে কাতার অবস্থান করছে। কাতার এয়ারলাইন্সের একটি বিমানে ফিনল্যান্ড থেকে দোহায় আসবেন প্রধানমন্ত্রী।

বিদেশ সফররত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে আনতে বুধবার রাতে ঢাকা থেকে বোয়িং ৭৮৭ মডেলের একটি ড্রিমলাইনার কাতারের দোহা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে যায়। বিমানটির পাইলট ছিলেন ক্যাপ্টেন মাহমুদ। তিনি পাসপোর্ট ছাড়াই কাতার যান। কাতার ইমিগ্রেশনে ধরা পড়লে তাকে সেখানেই আটকে রাখা হয়। পরে তিনি কাতার ইমিগ্রেশনকে জানান, তার পাসপোর্ট বিমানের ফ্লাইট অপারেশন রুমের লকারে। এরপর বিমানের নিরাপত্তা মহাব্যবস্থাপকের কাছ থেকে চাবি নিয়ে তার পাসপোর্ট উদ্ধার করেন বিমানের কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণ মহাব্যবস্থাপক (জিএম সেন্ট্রাল কন্ট্রোল) আশরাফ হোসেন। পরে বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৭টায় রিজেন্ট এয়ারওয়েজের দোহাগামী ফ্লাইটে পাসপোর্টটি নিয়ে যাওয়া হয়।

সংশ্লিষ্টরা জানান, সাধারণ যাত্রীদের মতোই বাংলাদেশের যে কোনো আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ফ্লাইট ছাড়ার আগে পাইলট, কেবিন ক্রুদের ফরম পূরণ করতে হয়। এই ফরমে পাসপোর্ট নম্বর, জন্ম তারিখ, গন্তব্যসহ প্রয়োজনীয় তথ্য উল্লেখ করতে হয়। বিদেশ ভ্রমণে পাসপোর্ট অবশ্যই সঙ্গে রাখতে হয়। এরপর বিদেশে পৌঁছানোর পর ওই দেশের বিমানবন্দরের ইমিগ্রেশনে পাসপোর্ট দেখিয়ে বিমানবন্দর থেকে বের হতে হয়।

সচিব মুহিবুল হক বলেন, দেশে ফিরে আসার পর তার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিকে জানাতে হবে তিনি পাসপোর্টবিহীন অবস্থায় কীভাবে বিমানে উঠলেন। শাহজালাল বিমানবন্দরের ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষের দায়িত্ব অবহেলার বিষয়টি গভীরভাবে তদন্ত করে দায়দায়িত্ব নিরূপণ এবং বহিরাগমন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তরের কার্যপদ্ধতির ত্রুটি নিরূপণ করতে বলা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রীর ফ্লাইট নিয়ে বিমানের অবহেলা: অনুসন্ধানে জানা গেছে, এর আগে একাধিকবার প্রধানমন্ত্রীর ফ্লাইটে নিরাপত্তায় অবহেলার ঘটনা ঘটে। প্রধানমন্ত্রীও একাধিকবার বিমানের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। প্রধানমন্ত্রী গত বছর জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে যোগ দিতে যাওয়ার সময় ফ্লাইট ছাড়ার আগ মুহূর্তে ডোপ টেস্টে বিমানের কেবিন ক্রু মাসুদা মুফতির মাদক গ্রহণের প্রমাণ পাওয়া যায়। প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী বিমানে মাদকাসক্ত ক্রুদের দায়িত্ব দেওয়ার ঘটনা নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তায় নিয়োজিত সংস্থাগুলোর মধ্যে তোলপাড় হয়। রাষ্ট্রপতির ফ্লাইটেও একাধিকবার অবহেলার ঘটনা ঘটে। প্রশ্ন উঠছে যে, সরকারপ্রধানের নিরাপত্তার ব্যাপারে লাল-সবুজের পতাকাবাহী বিমানের যখন এমন উদাসীনতা, সেখানে সাধারণ যাত্রীদের কী অবস্থা!

এর আগে চরম আওয়ামী লীগবিরোধী ফ্রিডম পার্টির এক সদস্যকে প্রধানমন্ত্রীর ফ্লাইটের ক্রু’র দায়িত্ব দেওয়া হয়। এ ছাড়া প্রধানমন্ত্রীর ফ্লাইটে অস্ত্র নিয়েও ঢুকতে দেওয়ার ঘটনাও ঘটেছে। সবচেয়ে আলোচিত ঘটনাটি ঘটে ২০১৬ সালের ২৭ নভেম্বর। সেই দিন হাঙ্গেরি সফরে যাওয়ার সময় প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী বিমানটি যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে তুর্কমেনিস্তানের রাজধানী আশখাবাদে জরুরি অবতরণ করে। পরে প্রমাণ মেলে, মানুষ্য সৃষ্ট ভুলের জন্য বিমানটিতে যান্ত্রিক ত্রুটি হয়। গত বছরের জুনে সৌদি আরব সফর শেষে প্রধানমন্ত্রী দেশে ফেরার সময় তাকে বহনকারী বিমানটি অবতরণ করার মুহূর্তে পাইলট হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের রানওয়েতে ‘ধাতব বস্তু’ দেখতে পান। পরে পাইলটের বিচক্ষণতায় রানওয়ে থেকে ধাতব বস্তু সরানোর পর প্রধানমন্ত্রীর ফ্লাইট অবতরণ করে।

ইমিগ্রেশন বিভাগের কয়েকজন বরখাস্ত হচ্ছেন: ক্যাপ্টেন মাহমুদের ঘটনায় অনুসন্ধান করতে ইমিগ্রেশন পুলিশকে নির্দেশ দিয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। এ বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন, পাসপোর্ট ছাড়া কীভাবে পাইলট কাতার গেলেন, আমরা তা জানতে চেয়েছি। বিমানবন্দরের ইমিগ্রেশন পুলিশকে ইতিমধ্যে এই বিষয়টি খুঁজে বের করার জন্য নির্দেশও দিয়েছি।

ইমিগ্রেশন পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ইতিমধ্যে এই ঘটনায় চার থেকে পাঁচজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। এ ছাড়া সিসিটিভির ভিডিও ফুটেজ পর্যালোচনা করা হচ্ছে। ইমিগ্রেশন পুলিশের অভিযোগ, বিমানবন্দরের ইমিগ্রেশন পার হওয়ার সময় পাইলট ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাকে সহযোগিতা করেননি। প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী বিমানের পাইলট হওয়ায় ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাও তার বিষয়ে ছিলেন নমনীয়। এ ঘটনায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কয়েকজন কর্মকর্তা সাময়িক বরখাস্ত হচ্ছেন বলে জানা গেছে।

চার সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন: এ ঘটনায় মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। শুক্রবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে সিনিয়র সহকারী সচিব গাজী তারেক সালমান স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ফজল মাহমুদ চৌধুরী দোহার হামাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পাসপোর্টবিহীন অবস্থায় সেই দেশের ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষের হাতে আটক হন। এ ঘটনায় চার সদস্যের একটি কমিটি গঠন করেছে আন্তঃমন্ত্রণালয়। রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে গঠিত কমিটিকে তিন কর্মদিবসের মধ্যে এ কমিটিকে মন্ত্রিপরিষদ সচিবের কাছে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মোসাম্মৎ নাসিমা বেগমকে আহ্বায়ক করে চার সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির অন্যরা হলেন– মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব হেলাল মাহমুদ শরীফ, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব মুস্তাকীম বিল্লাহ ফারুকী ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব মো. জাহাঙ্গীর আলম।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের চার সদস্যের তদন্ত কমিটি: এ ঘটনায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সুরক্ষা সেবা বিভাগ থেকে আরও একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির সভাপতি হচ্ছেন অতিরিক্ত সচিব মোহাম্মদ আজহারুল হক। সদস্য সচিব হচ্ছেন যুগ্ম সচিব মো. হেলাল মাহমুদ শরীফ। সদস্যরা হচ্ছেন– পাসপোর্ট অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক সেলিনা বানু ও এসবির বিশেষ পুলিশ সুপার মোহাম্মদ শাহরিয়ার আলম। সাত দিনের মধ্যে তাদের তদন্ত রিপোর্ট জমা দেওয়ার কথা বলা হয়েছে।

ক্ষমা চাইলেন ক্যাপ্টেন ফজল মাহমুদ: এই ঘটনায় দুঃখ প্রকাশ করে ক্ষমা প্রার্থনা করেছেন বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের সিনিয়র পাইলট ও চিফ অব ট্রেনিং ক্যাপ্টেন ফজল মাহমুদ। তিনি জানান, ৩০ বছরের চাকরিজীবনে অসংখ্যবার ভিভিআইপি ফ্লাইট পরিচালনা করেছেন। কাতারের দোহা থেকে টেলিফোনে গণমাধ্যমকর্মীদের তিনি জানান, ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ফ্লাইট পরিচালনা করতে আসার সময় এভাবে পাসপোর্ট রেখে আসা অনিচ্ছাকৃত হলেও এই দায় আমার নিজের। আমি আমার এই অনিচ্ছাকৃত ভুলের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করছি। ভবিষ্যতে এই ঘটনা আমার জন্য শিক্ষণীয় হয়ে থাকবে।’

তবে পাসপোর্ট ছাড়া কাতারে গেলেও দোহার হামাদ ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্টে ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ তাকে আটক বা জিজ্ঞাসাবাদ করেনি বলে দাবি করে ফজল জানান, কাতারে অবতরণের পর পাসপোর্ট না পেয়ে তিনি এয়ারপোর্টের ভেতরে অরিক্স হোটেলে ছিলেন। ৬ জুন শাহজালালে যাওয়ার পর ইমিগ্রেশনের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করেন তিনি। রাতে ফ্লাইটে ঢাকা থেকে দোহায় যান তিনি। শাহজালালে ইমিগ্রেশনের সময় তার দুই আঙুলের ছাপ নেওয়া হয়। এরপর পাসপোর্ট দেখতে চাওয়া হয়নি।

ফজল মাহমুদকে আটক করা হয়নি, দাবি বিমানের: পাসপোর্ট না থাকায় দোহা বিমানবন্দরে পাইলট ফজল মাহমুদকে ‘আটক করা হয়েছে’ বলে কিছু সংবাদমাধ্যমে খবর প্রকাশের প্রতিবাদ জানিয়েছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স কর্তৃপক্ষ। বিমানের মহাব্যবস্থাপক (জনসংযোগ) শাকিল মেরাজ স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ফজল মাহমুদকে গ্রেফতারের বিষয়টি সঠিক নয়। প্রকৃতপক্ষে সেখানে কোনো বিমানের পাইলট আটক, গ্রেফতার বা আটকে দেওয়ার কোনো ঘটনা ঘটেনি।

বিমানের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ৫ জুন বিমানের ঢাকা-চট্টগ্রাম-দোহা রুটে বিজি-১২৫ ফ্লাইটের অপারেটিং ক্যাপ্টেন হিসেবে ফ্লাইট পরিচালনা করেন ক্যাপ্টেন ফজল মাহমুদ। দোহায় অবতরণ করার পর তিনি লক্ষ্য করেন, পাসপোর্টটি তার সঙ্গে নেই। এমতাবস্থায় তিনি ইমিগ্রেশনে না গিয়ে দোহা এয়ারপোর্টে বিমান স্টেশন ম্যানেজার ও ঢাকা অফিসের সঙ্গে যোগাযোগ করেন এবং দোহা এয়ারপোর্টে ইমিগ্রেশন চেক পয়েন্টের আগে ট্রানজিট হোটেল অরিক্সে চলে যান। পরদিন অর্থাৎ, ৬ জুন সন্ধ্যায় তার পাসপোর্ট দোহায় পাঠানো হয় এবং তিনি স্বাভাবিক নিয়মেই কোনো জটিলতা ছাড়াই ইমিগ্রেশন সম্পন্ন করে দোহা নগরীতে বিমান ক্রুদের নির্ধারিত হোটেল ক্রাউন প্লাজায় চলে যান। তিনি ওই হোটেলে অবস্থান করছেন। পাইলট ফজল মাহমুদ বিমান কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তে আগামী ১০ জুন ভোর রাতে দোহা থেকে বিজি ১২৬ ফ্লাইট অপারেট করে ঢাকা আসবেন বলেও বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।


© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত মৃদুভাষণ - ২০১৪
Design & Developed BY ThemesBazar.Com