৪৪ নাবিকসহ আর্জেন্টিনার সাবমেরিন নিখোঁজ

../news_img/57127mmm.jpg

মৃদুভাষণ ডেস্ক::দক্ষিণ আটলান্টিক মহাসাগরে এআরএ স্যান হুয়ান নামের আর্জেন্টিনার একটি সাবমেরিন নিখোঁজ হয়েছে। কমপক্ষে ৪৪ জন নাবিকসহ আর্জেন্টিনার নৌবাহিনীর একটি সাবমেরিন নিখোঁজ হয়েছে। শুক্রবার কন্টোল রুমের সঙ্গে যোগাযোগ হারানো ডুবোজাহাজটির সন্ধানে ব্যাপক তল্লাশি চালানো হচ্ছে। খবর বিবিসির।

স্থানীয় সময় বুধবার (১৫ নভেম্বর) সাবমেরিনটির সঙ্গে শেষ যোগাযোগ হয় আর্জেন্টিনার নৌবাহিনীর। সে সময় সাবমেরিনটি পাতাগোনিয়া উপকূল থেকে ৪৩২ কিলোমিটার দূরে দক্ষিণ আর্জেন্টিনা সাগরে অবস্থান করছিল।

নৌবাহিনীর একজন মুখপাত্র জানায়, দুইদিন আগে ডুবোজাহাজটি নিখোঁজের আগে সর্বশেষ আর্জেন্টিনার দক্ষিণাঞ্চলের সাগরে থাকা অবস্থায় যোগাযোগ হয়।

আর্জেন্টিনা নৌবাহিনীর মুখপাত্র এনরিক বালবির বরাত দিয়ে রয়টার্সের খবরে বলা হয়, শুক্রবার (১৭ নভেম্বর) সন্ধ্যা থেকে জরুরিভিত্তিতে সাবমেরিনটি উদ্ধারে কাজ শুরু হয়েছে। উদ্ধারে কাজ করছে বেশ কয়েকটি নৌ ও আকাশযান। পাশাপাশি উদ্ধারকাজে হাত বাড়িয়ে দিতে প্রস্তুত রয়েছে ব্রাজিল, উরুগুয়ে, পেরু, চিলি, ব্রিটেন ও সাউথ আফ্রিকা।

বালবি বলেন, উত্তাল সাগর ও ঝড়ো আবহাওয়ার কারণে উদ্ধারকাজ ব্যহত হচ্ছে। সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে নাবিকদের উদ্ধারের সম্ভাবনাও ক্ষীণ হয়ে আসছে।

আর্জেন্টিনার নৌ বাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এআরএ স্যান হুয়ান সাবমেরিনটি উশুয়াইয়া এন রুট থেকে বুয়েন্স আয়ারস প্রদেশের মার দেল প্লাতা শহরে যাচ্ছিল। পথেই নিয়ন্ত্রণ কক্ষের সঙ্গে সেটির যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়। ধারণা করা হচ্ছে,বৈদ্যুতিক সমস্যার কারণে এটা হতে পারে।

নৌবাহিনীর মুখপাত্র বালবি জানান, কোনো কারণে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হলে সাবমেরিনকে সাধারণত পানির ওপরে ভাসিয়ে রাখা হয়। তাই আশা করা যাচ্ছে, সেটি পানির ওপরেই পাওয়া যাবে।

এআরএ স্যান হুয়ান নামের ওই সাবমেরিনটি জার্মানিতে নির্মিত। ডিজেল ও বিদ্যুৎচালিত যুদ্ধযানটি ১৯৮৩ সালে যাত্রা শুরু করে। সে সময় স্যান হুয়ানই ছিল সর্বাধুনিক সাবমেরিন।