অ্যালার্জিজনিত অ্যাজমা

../news_img/53777 mri o.jpg

অধ্যাপক ডা. গোবিন্দচন্দ্র দাস :: অ্যাজমা ফুসফুসের দীর্ঘমেয়াদি রোগ এবং এটি প্রাণঘাতী রোগও বটে। ফুসফুসের বায়ুনালী প্রদাহ ও ফুলে যাওয়ার কারণে শ্বাস-প্রশ্বাসে কষ্ট হয়। তবে সঠিক ও নিয়মিত চিকিৎসা এবং পরিকল্পিত জীবনযাপনের মাধ্যমে রোগীরা অ্যাজমার তীব্রতা থেকে রক্ষা পেতে পারেন।

অ্যালার্জিজনিত অ্যাজমার উপসর্গ হচ্ছে- কাশির সঙ্গে সাঁই সাঁই শব্দ, ছোট ও দ্রুত নিঃশ্বাস, বুক চেপে আসা, এ ছাড়া ধুলার জীবাণু, পোষাপ্রাণীর লোম ও বর্জ্য, পুষ্পরেণু, ছত্রাকের কারণে কাশি, শ্বাসকষ্টসহ অ্যাজমার
উপসর্গ দেখা দেয়।

রোগ নির্ণয়- অ্যাজমা বিশেষজ্ঞ কিংবা রোগী নিজেও খুঁজে বরে করবেন কোনো অ্যালার্জেন রোগের ট্রিগার হিসেবে কাজ করছে। একই সঙ্গে পরিকল্পা প্রণয়ন করা হয় কীভাবে এই অ্যালার্জেন থেকে দূরে থাকা যায়।

নিচের প্রশ্নপত্রের উত্তর হ্যাঁ বা না লিখে ডাক্তারের কাছে জমা দিন, তিনি রোগের প্রকৃতি সম্পর্কে আপনাকে ধারণা দেবেন।

১. আপনার পিতা/মাতার কি অ্যাজমা ছিল বা আছে?

২. আপনার পিতা/মাতা কি অ্যালার্জিতে ভোগেন বা ভুগছেন?

৩. আপনার কি কখনও নিচের উপসর্গ দেখা গেছে-

* হঠাৎ ও মাঝে মাঝে কাশি হওয়া

* বুকে সাঁই সাঁই শব্দ হওয়া

* দ্রুত শ্বাস।

* ছোট ছোট শ্বাস, বুক চেপে ধরার অনুভূতি

৪. ধুলা, পুষ্পরেণু, প্রাণীর লোম ও বর্জ্য, ছত্রাক কি আপনার অ্যাজমার প্রকোপ বাড়িয়ে দেয়?

অ্যালার্জি ও অ্যাজমা রোগ বিশেষজ্ঞ
দি অ্যালার্জি ও অ্যাজমা সেন্টার, পান্থপথ, ঢাকা।