সুন্দরবনের ৩৭ স্টেশনে কোন টহল নেই, জানুয়ারি হতে এখাতে নাই কোন সরকারি বরাদ্দ

../news_img/54803 mrin.jpg

খুলনা সংবাদদাতা  ::  ম্যানগ্রোভ ফরেস্ট সুন্দরবনে অব্যাহত কাঠ-মাছ-গোলপাতা আহরণের অসাধু ব্যক্তিরা বনবিভাগের স্টেশনগুলোর প্রয়োজনীয় টহলের অভাবে এখন আরও সক্রিয় বলে সংশ্লিষ্ট অনেকেরই অভিমত।

আগমরা রোগে আক্রান্ত  সুন্দরি গাছ নিধনে পাচারকারীদের সাথে বন বিভাগের কম'রত লোকদের সখ্যতার যেমন রয়েছে।তেমনি সুন্দরবনের পাচারকারী সিন্ডিকেটে ক্ষমতাশালীদের যোগসাজশও পুরানো বিষয়। সুন্দরবন সংলগ্ন স্থানীয় অনেকেই বলেন,সরকার দলীয় নেতা- পাতি নেতা সেজে বা নাম ভাঙানো কতিপয় ব্যক্তিরা সুন্দরবনকে দিনে দিনে বিপন্ন করছে।

বন-সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র বলছে,বনবিভাগে কম'রত ব্যক্তিদের জংগলে নিয়মিত টহল নাই বললেই চলে।যেখানে অবাধে গাছ কাটা,জোর করে দাপট দেখিয়ে ( সরকার নিষিদ্ধ নদীখাল গুলোতে) মাছ ধরা অহরহ বিষয়।সেখানে যদি বনবিভাগের নজরদারী এক অর্থে' শূন্যের কোঠায় থাকে,তবে পাচারকারীদের রোধে কোন চেইন অব কমেন্ট নেই বললেই চলে।

একটি সূত্র বলছে,সম্প্রতি পাচারকারীদের বড় কয়েকটি চোরাই কাঠের চালান টহল-রত কোস্ট গার্ডকে ফাকি দিয়ে, খুলনা, বাগেরহাট ও মংলার বিভিন্ন মোকামে পাচার হয়ে এসেছে।

তবে একটি সূত্র বলছে টহলের বিষয় ভিন্ন-কথা।তারা বলছে -সুন্দরবনে মোট ৩৭ স্টেশনে বতমানে কোন টহল নেই বললেই চলে। চলতি ২০১৭ সালের জানুয়ারী হতে সরকারের এ খাতে কোন বরাদ্দ নেই। যে কারনে টহলও নাই।

দেশের দক্ষিনাঞ্চলের ম্যাংগ্রোভ ফরেস্টের যাবতীয়  অনিয়মের রোজনামচা পুরানো।বিজ্ঞ জনেরা মনে করেন, সিন্ডিকেট নিভ'র পাচারকারীকারীদের মদদদাতা ও সুবিধা ভোগকারীদের বিষয়ে প্রশাসনের উপর হতেই  কঠোরতা ও পদক্ষেপ না নিলে- যাবতীয় অনিয়ম বন্ধ হওয়া অসম্ভাব।

এসব বিষয় নিয়ে  কথা হয় সুন্দরবন পশ্চিম বনবিভাগের ডিএফও মো: বশির- আল- মামুনের সাথে। সুন্দরবন বন বিভাগে পাচারকারীদের দৌরত্য ও নিয়মিত টহল বিষয়ে তিনি বলেন- সুন্দরবনে মোট ৩৭ টি ফরেস্ট  স্টেশন রয়েছে। যেগুলোতে প্রয়োজনীয় লোকবল ও কিছু প্রশাসনিক সমস্যার কারনে নিয়মিত টহলে ঘাটতি থাকতে পারে।তবে পাচারকারীদের ধরতে বনবিভাগ সবসময় সজিরো টলারেন্স মেইনটেন করে থাকে।