কুলাউড়ায় কিশোরীকে ধর্ষণকারী ভন্ড কবিরাজ আটক

../news_img/53728 gcn mR.jpg

মৃদুভাষণ ডেস্ক :: মৌলভীবাজারের কুলাউড়ায় চিকিৎসার ফাঁদে ফেলে চা শ্রমিক কিশোরীকে (১৩) ধর্ষণকারী কামাল আহমেদ ওরফে আশিক (৬২) কে আটক করেছে পুলিশ। প্রতারক কবিরাজ কিশোরীর মামার পূর্ব পরিচিত ছিল।নির্যাতিতা কিশোরীর বাবার দায়ের করা মামলায় কুলাউড়া থানার পুলিশ প্রথমে সন্দেহজনকভাবে মামা পঞ্চম বাউরীকে গ্রেফতার করলে তার কাছ থেকে প্রতারক কবিরাজ বেশে ধর্ষণকারীর মুঠোফোন সংগ্রহ করে পরে ফোন ট্রেকিং করে শনিবার রাত নয়টায় শ্রীমঙ্গল শহরের শাপলাবাগ আবাসিক এলাকা গ্রেফতার করে কুলাউড়া থানার পুলিশ। আজ রোববার কুলাউড়া থানা পুলিশ আটক ভন্ড কবিরাজের বিষয়টি নিশ্চিত করে।

কুলাউড়া থানার উপ পরিদর্শক মো: জহিরুল ইসলাম জানান, নির্যাতিতা কিশোরীর বাবা ও চাতলাপুর চা বাগানের সাধারণ চা শ্রমিকরা শুরু থেকেই এ ঘটনার সাথে মামা পঞ্চম বাউরী জড়িত থাকার বিষয়টি সন্দেহ করেছিলেন। সেই হিসাবে মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে  কিশোরীর বাবা ১২ জুলাই কুলাউড়া মামাসহ অজ্ঞাত একজনকে আসামী করে মামলা দায়ের করেছিলেন। এ মামলায় গ্রেফতার হওয়া মামাকে জিজ্ঞাসাবাদকালে তার জড়িত থাকার সত্যতা পাওয়া যায়। পরে মামার কাছ থেকে প্রতারকের মোবাইল ফোন নিয়ে সে নম্বর ট্রেকিং করে শনিবার দুপুরের পর থেকে শ্রীমঙ্গল শহরে অবস্থান নিয়ে রাত নয়টায় শাপলাবাগ আবাসিক এলাকা থেকে ধর্ষণকারী প্রতারককে আটক করা হয়। আটক কামাল আহমেদ ওরফে আশিক (৬২) শাপলাবাগ আবাসিক এলাকার মৃত চেরাগ আলীর ছেলে।

মামলার তদন্তকারী এসআই মো: জহিরুল ইসলাম আরও জানান, গ্রেফতারের পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদকালে  প্রতারনার ফাঁদে ফেলে চা শ্রমিক কিশোরী কন্যাকে ধর্ষণের কথা স্বীকার করেছে কামাল আহমেদ ওরফে আশিক। রাতেই তাকে কুলাউড়া থানায় নিয়ে আসা হয়েছে হয়।

উল্লেখ্য, গত ৬ জুলাই বৃহস্পতিবার চাতলাপুর চা বাগানে চিকিৎসার ফাঁদে ফেলে এই কবিরাজরুপি প্রতারক চা শ্রমিক কিশোরীকে (১৩) ধর্ষণ করে চা বাগানের প্লান্টেশন এলাকায় ফেলে পালিয়ে যায়।