স্মৃতিতে পঁচাত্তরের ১৫ আগস্ট

../news_img/54472 mri nu.jpg

ড. কা মা ল উ দ্দি ন আ হা ম্ম দ :: ১৯৭৫ সাল। এইচএসসি পাস করে মেডিকেল কলেজে ভর্তি পরীক্ষার প্রস্তুতি নিচ্ছি। থাকতাম মানিকগঞ্জে মহকুমা পশুপালন কর্মকর্তা কাকা ডা. মিনহাজ উদ্দিন আহমেদের সঙ্গে। দিনটি ছিল শুক্রবার। ১৫ আগস্ট। খুব ভোরবেলা ঘুম থেকে উঠে দেখলাম কাকার বিষণ্ণ মুখ, প্রিয়জন হারানোর বেদনায় বিমর্ষ, তিনি কাঁদছেন আর রেডিওর সংবাদ শুনছেন। রেডিওতে ততক্ষণে মেজর ডালিমের কণ্ঠস্বর ভেসে আসছে : ‘আমি মেজর ডালিম বলছি- শেখ মুজিবকে হত্যা করা হয়েছে।’ বলে কী? এ-ও হতে পারে? পাকিস্তানি জালেমরা অনেক ষড়যন্ত্র করে, বিচারের নামে প্রহসন করে যাকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে হত্যা করতে চেয়ে সফল হতে পারেনি, সেই বঙ্গবন্ধুকেই স্বাধীন বাংলাদেশে হত্যা করা হয়েছে- এটি বিশ্বাস হচ্ছিল না। মনে হচ্ছিল স্বাধীন বাংলাদেশ রাষ্ট্রের শত্রুরা কোনো গোপন বেতার থেকে বিভ্রান্তি ছড়ানোর অপপ্রয়াস চালাচ্ছে। হ্যাঁ, প্রথম যখন শুনি বঙ্গবন্ধুর হত্যার কথা, তখন প্রাথমিকভাবে আমার মতো অনেকের এরকমই মনে হয়েছিল। কারণ বঙ্গবন্ধুকে হত্যার খবর ছিল অবিশ্বাস্য। আকাশ ভেঙে মাটিতে পড়তে পারে; কিন্তু স্বাধীন বাংলাদেশে বঙ্গবন্ধুকে হত্যা কীভাবে সম্ভব!

১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময় আমি দেখেছি সংগ্রাম, দেখেছি হত্যা আর ধ্বংসযজ্ঞ, মনে আছে বাড়ি ছেড়ে প্রত্যন্ত অঞ্চলে মুক্তিযোদ্ধাদের ক্যাম্পের সঙ্গে থাকার দিনগুলোর কথা। বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে কত মিছিল, কত মিটিং। ১৯৭১ সালে ছোট-বড় সবাই দেখেছে শেখ মুজিব আর নৌকার জয়জয়কার। এছাড়াও শুনেছিলাম বঙ্গবন্ধুর ভাষণ। স্কুলে বিভিন্ন অনুষ্ঠানের র‌্যালিতে অংশগ্রহণ করে ‘জয় বাংলা’, ‘জয় বঙ্গবন্ধু’ বলে স্লোগান দিয়ে বড়দের কণ্ঠে কণ্ঠ মিলাতাম, মিছিল করতাম। আগস্ট ট্রাজেডির সকালবেলা বাড়িভরা মানুষ আর সবার চোখে জল দেখে নিজেও উত্তেজিত হয়ে পড়েছিলাম। কিংকর্তব্যবিমূঢ় হয়ে পড়েছিল মানুষ, জনক হারানোর শোকে হয়েছিল স্তম্ভিত।

১৫ আগস্ট আমাদের জাতির জন্য সত্যিই একটি বিয়োগান্তক ঘটনা। নৃশংস হত্যাকাণ্ডের মধ্য দিয়ে বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করে আমাদের স্বাধীনতার বিজয়ের মূলে আঘাত করা হয়েছিল। এ মৃত্যুকে কোনোভাবেই মেনে নিতে পারছিলাম না। মানসিকভাবে আরেকটি যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত হতে লাগলাম। কোথাও কোথাও বঙ্গবন্ধুর হত্যার প্রতিবাদ হলেও তা আর বেশি দূর যেতে পারেনি। শেষ ভরসা ছিল সাভার রক্ষীবাহিনীর ক্যাম্প। কিন্তু বিদ্রোহীদের অনুগতরা সাভার ক্যান্টনমেন্ট থেকে গিয়ে রক্ষীবাহিনীর সেনাদের অবরোধ করে ফেলেছিল। সেদিন বঙ্গবন্ধুকে কেউ মেরে ফেলতে পারে সেটা যেমন ছিল ভাবনার বাইরে, তেমনি তাকে হত্যা করলে কী করণীয় সেটাও যেন কারও ভাবনার মধ্যেই ছিল না। সেদিন আশা করেছিলাম অনেক নেতা প্রতিবাদ করবে; কিন্তু ঘটনা ঘটল তার উল্টো। জাতীয় চার নেতা তাজউদ্দীন আহমদ, সৈয়দ নজরুল ইসলাম, ক্যাপ্টেন মনসুর আলী, এএইচএম কামরুজ্জামান এবং তোফায়েল আহমেদ ও আবদুর রাজ্জাক ছাড়া অনেকেই মন্ত্রিসভায় শপথ নিয়েছিল। আসলেই দেশ স্বাধীন হওয়ার পর থেকেই স্বাধীনতাবিরোধী শক্তি স্বাধীনতাকে নস্যাৎ করে পাকিস্তানি মূল্যবোধ সম্পৃক্ত একটি দেশ পুনঃপ্রতিষ্ঠার ষড়যন্ত্র শুরু করেছিল। বঙ্গবন্ধু হত্যা সেই ষড়যন্ত্রেরই অংশবিশেষ। ১৫ আগস্টের পরপরই স্বাধীনতাবিরোধী ঘাতকরা ঝাঁপিয়ে পড়েছিল স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তির ওপর, বিশেষ করে আওয়ামী লীগ আর সংখ্যালঘুদের ওপর। নির্বিচারে হত্যা-ধর্ষণ-সংখ্যালঘু নির্যাতন শুরু হয় চোখের পলকে। বুঝে ওঠার আগেই প্রশাসনের সব ক্ষেত্র বদলে যায়। পাকিস্তানপন্থীরা শুরু করে স্বাধীনতার পক্ষের লোকদের ওপর নির্মম অত্যাচার।

১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের মাত্র তিন থেকে চার দিন পর দেখেছি সর্বত্র কুখ্যাত রাজাকারদের উত্থান, দেখেছি তাদের আক্রমণে কী করে নির্যাতিত হয়েছিল স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের লোকরা। মনে আছে এখনও, হোমনা থানার আওয়ামী লীগ নেতা দক্ষিণ ইউনিয়নের তৎকালীন ভাইস চেয়ারম্যান সিরাজুল ইসলাম ও নিলখী ইউনিয়নের ভাইস চেয়ারম্যান রুক্কু মিয়াকে হত্যা করা হয়েছিল। এটি শুধু একটি এলাকার কথা তুলে ধরলাম। এভাবে সারা দেশে আতংক সৃষ্টি করে আওয়ামী লীগকে নিঃশেষ করার জন্য খুনিরা মেতে উঠেছিল, যা বছরের পর বছর, যুগের পর যুগ ধরে চলছিল। তাদের নির্যাতনের ভয়ে এলাকার মুক্তিযোদ্ধারা বাড়িঘর ছেড়ে পালিয়েছিল। তাদের অপরাধ ছিল তারা মুক্তিযোদ্ধা। দেখেছিলাম কী করে রাতারাতি ভারতবিদ্বেষী উসকানিমূলক কর্মকাণ্ড, ভারতীয় কোনো পণ্যের জন্য স্থানীয় হিন্দুদের বাসাবাড়িতে তল্লাশির নামে নির্যাতন চলে।
নিজের অজান্তেই ১৫ আগস্টের ভয়াবহ কলংকিত সেই ভোর আমার বিবেককে দংশিত করেছিল। আমার যৌবনের দুঃসহ স্মৃতি আমাকে পীড়িত করে আমার মনে যে ক্ষত সৃষ্টি করেছিল, তা-ই আমাকে ধাবিত করেছিল সেদিনের সেই শোককে শক্তি হিসেবে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার। নানা অত্যাচার-হয়রানির শিকার হয়েও বঙ্গবন্ধুর আদর্শ থেকে বিন্দু পরিমাণ বিচ্যুত হইনি।

বঙ্গবন্ধুর ছোট ছেলে শেখ রাসেলের কণ্ঠে বাঁচার আকুতি পত্রিকায় পড়ে আমি কতবার যে কেঁদেছি, সেই বেদনাবিধুর কথাগুলো মনে পড়লেই আপ্লুত হয়ে যাই। ‘কী বীভৎসতা! প্রথমতলার সিঁড়ির মাঝখানে নিথর পড়ে আছে ঘাতকের বুলেটে ঝাঁঝরা হওয়া চেক লুঙ্গি-সাদা পাঞ্জাবি পরা স্বাধীনতার মহানায়ক বঙ্গবন্ধুর লাশ। তলপেট ও বুক ছিল বুলেটে ঝাঁঝরা। নিথর দেহের পাশেই তার ভাঙা চশমা ও অতিপ্রিয় তামাকের পাইপটি। অভ্যর্থনা কক্ষে শেখ কামাল, টেলিফোন অপারেটর, মূল বেডরুমের সামনে বেগম মুজিব, বেডরুমে সুলতানা কামাল, শেখ জামাল, রোজি জামাল, নিচতলার সিঁড়িসংলগ্ন বাথরুমে শেখ নাসের এবং মূল বেডরুমে দুই ভাবীর ঠিক মাঝখানে বুলেটে ক্ষতবিক্ষত রক্তাক্ত অবস্থায় পড়েছিল ছোট্ট শিশু শেখ রাসেলের লাশ। শিশু রাসেলের রক্তভেজা লাশ দেখে খুনিদের প্রতি চরম ঘৃণা-ধিক্কার জানানোর ভাষা পায় না মানবতাবাদী কোনো মানুষ। সেদিন ওই ঘাতকরা ধানমণ্ডির ৩২ নম্বরের বাড়িতে হত্যার এক জঘন্য উল্লাসে মেতে উঠেছিল। হত্যা করেছিল বঙ্গবন্ধু ও তার পরিবার এবং নিকটাত্মীয়সহ ২৬ জনকে। বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা সে সময় পশ্চিম জার্মানিতে অবস্থান করার কারণে তারা প্রাণে বেঁচে যান। তাদের বাংলাদেশে ফিরে আসার ব্যাপারে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছিল।

খুনিদের বাঁচানোর জন্য ১৯৭৫ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর স্বঘোষিত রাষ্ট্রপতি খন্দকার মোশতাক ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ জারি করেন। ‘দি বাংলাদেশ গেজেট, পাবলিশড বাই অথরিটি’ লেখা অধ্যাদেশটিতে খন্দকার মোশতাকের স্বাক্ষর আছে। মোশতাকের স্বাক্ষরের পর অধ্যাদেশে তৎকালীন আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব এমএইচ রহমানের স্বাক্ষর আছে। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট ভোরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সপরিবারে নিহত হওয়ার পর মোশতাক নিজেকে রাষ্ট্রপতি ঘোষণা করেন। এরপর ক্ষমতায় আসেন সামরিক শাসক মেজর জিয়া। সেদিন জিয়াউর রহমান ঘোষণা করেছিলেন, ৩ মাসের মধ্যে ব্যারাকে ফিরে যাবেন। কিন্তু এটি বাস্তবে ঘটেনি। তিনি হ্যাঁ-না ভোট দিয়ে রাষ্ট্রপতি হন, যা ছিল একটি প্রহসনের নির্বাচন। জিয়াউর রহমান ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট থেকে ১৯৭৯ সালের ৯ এপ্রিল পর্যন্ত চার বছরে ইনডেমনিটি অধ্যাদেশসহ সামরিক আইনের আওতায় সব অধ্যাদেশ, ঘোষণাকে সংবিধানের পঞ্চম সংশোধনীর মাধ্যমে আইনি বৈধতা দেন। এভাবেই মোশতাক-জিয়া গং বঙ্গবন্ধুর খুনিদের রক্ষা করার ষোলকলা পূর্ণ করে। তারা শুধু তাদের রক্ষা করেই ক্ষান্ত হননি, ওই খুনি চক্রের অনেককে ভালোভাবে পুরস্কৃতও করেছিলেন। দিয়েছিলেন বিভিন্ন দেশের দূতাবাসে গুরুত্বপূর্ণ পদ, মন্ত্রিত্ব। দেশদ্রোহী গোলাম আযমকেও দেয়া হয় নাগরিকত্ব।

দীর্ঘ ২১ বছর পর ১৯৯৬ সালে বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় এসে ‘ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ’ বাতিল করলে বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচারের পথ উন্মুক্ত হয়। ১৯৯৮ সালের ৮ নভেম্বর নিন্ম আদালত বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচারের রায় ঘোষণা করে ১৫ সাবেক সেনাসদস্যের মৃত্যুদণ্ডাদেশ দেন। ২০০১ সালের ৩০ এপ্রিল উচ্চ আদালত ১২ জনের মৃত্যুদণ্ড অনুমোদন করেন। বিএনপি-জামায়াত জোট সরকার ক্ষমতায় আসার পর পাঁচ বছরেও বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচারের আপিল শুনানির ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। তবে ড. ফখরুদ্দীন আহমদের নেতৃত্বাধীন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় ২০০৭ সালের ৬ আগস্ট বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলা আদালতে ওঠে। ২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বরের নির্বাচনে বিপুল বিজয়ের পর শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন মহাজোট সরকার ক্ষমতাসীন হলে সেই চূড়ান্ত বিচারের কাজটি শুরু হয়। বিচার শেষে ২০১০ সালের ২৭ জানুয়ারি কারাগারে আটক ৫ খুনি লে. কর্নেল (বরখাস্ত) সৈয়দ ফারুক রহমান, লে. কর্নেল (অব.) মহিউদ্দিন আহমদ, লে. কর্নেল (অব.) সুলতান শাহরিয়ার রশিদ খান, মেজর (অব.) বজলুল হুদা এবং মেজর (অব.) একেএম মহিউদ্দিন আহমেদের ফাঁসি কার্যকর করা হয়। আর যাদের এখনও ফাঁসি কার্যকর হয়নি তাদের দেশে ফেরত এনে অবিলম্বে রায় কার্যকর এ সরকারকেই করতে হবে। তা না হলে এ নিয়ে আবারও ইনডেমনিটি হতে পারে। আমরা বঙ্গবন্ধুর খুনিদের ফাঁসির রায়ের বাস্তবায়ন চাই। সেই সঙ্গে এ শোককে শক্তিতে রূপান্তরিত করে ওই অশুভ শক্তিকে প্রতিহত করার শপথ নিতে হবে আজই।

পঁচাত্তরের ১৫ আগস্ট কেবল শেখ মুজিবের দেহকেই বুলেটবিদ্ধ করা হয়নি, আঘাত করা হয়েছিল মুক্তিযুদ্ধের চেতনার ওপর। তাদের লক্ষ্য ছিল শুধু বঙ্গবন্ধু পরিবারকে নিশ্চিহ্ন করাই নয়, বরং মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে অর্জিত মুক্তিযুদ্ধের আদর্শের বাংলাদেশকেই ধ্বংস করে দেয়া। তাই ১৫ আগস্টের ধারাবাহিকতায় একই বছরের ৩ নভেম্বর কারা অভ্যন্তরে হত্যা করা হল বঙ্গবন্ধুর ঘনিষ্ঠ রাজনৈতিক সহচর চার জাতীয় নেতাকেও। ’৭১-এর পরাজিত শক্তির প্রতিশোধ গ্রহণের যে প্রক্রিয়া সেসময় অংকুরিত হয়েছিল, তারই একটি ভয়ংকর পরিণতি ঘটে ১৫ আগস্টে। ঘাতকরা স্বাধীন রাষ্ট্রের অগ্রযাত্রা স্থবির করে দিয়েছিল। উত্থান ঘটে মৌলবাদের তথা পাকিস্তানবাদের। রাতারাতি বাংলাদেশ বেতার হয়ে যায় রেডিও বাংলাদেশ, জয় বাংলা হয়ে যায় পাকিস্তান জিন্দাবাদের অনুকরণে ‘বাংলাদেশ জিন্দাবাদ’। ১৫ আগস্টের দোসররা আজও সক্রিয়।

আজ ২০১৭ সালের ১৫ আগস্ট। জাতির জনকের কন্যা শেখ হাসিনা বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী। তিনি ও তার পুরো পরিবার এখনও সেই ১৫ আগস্টের দোসরদের কাছ থেকে নিয়মিত হত্যার হুমকি পাচ্ছেন। শুধু একুশে আগস্টের গ্রেনেড হামলাই নয়, আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ২১ বার হত্যার চেষ্টা চালানো হয়েছিল। কখনও নিজ বাসভবনে, কখনও জনসভায় আবার কখনও তার গাড়ির বহরে। এভাবেই বিভিন্ন সময়ে নানাভাবে শেখ হাসিনাকে হত্যার ষড়যন্ত্র করেছিল ঘাতকচক্র। কিন্তু আল্লাহর অশেষ রহমত ও জনগণের আশীর্বাদে এখনও তিনি বহাল তবিয়তে দেশ ও জনগণের সেবা করে চলেছেন।

আমার দৃঢ় বিশ্বাস, নতুন প্রজন্ম বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ধারণ করে নিজেদের সমৃদ্ধ করতে সক্ষম হবে এবং দেশপ্রেম ও সততা দিয়ে সুখী-সমৃদ্ধ সোনার বাংলা গড়তে অবদান রাখবে। নতুন প্রজন্মের প্রতি আহ্বান, সত্যকে জানো, সত্য পথে চলো, বঙ্গবন্ধুর আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে এ দেশকে সোনার বাংলায় পরিণত করতে ব্রতী হও।

 প্রফেসর ড. কামাল উদ্দিন আহাম্মদ : উপাচার্য, শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়
kuahamed@yahoo.com