হাতিয়ায় আওয়ামী লীগের দু’গ্রুপে সংঘর্ষ, আহত অর্ধশতাধিক

../news_img/54654 mri n k i.jpg

মৃদুভাষন ডেস্ক :: দুপুর থেকে সারাদিন ব্যাপী স্থানীয় সাংসদ ও উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতির সমর্থকদের মধ্যে আধিপত্য বিস্তারের জের ধরে সংঘর্ষ, গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। নোয়াখালীর হাতিয়ায় দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনায় উভয় পক্ষের কমপক্ষে অর্ধশতাধিক নেতাকর্মী আহত হয়েছে। আহতদের হাতিয়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। বর্তমানে শহরের প্রধান সড়কের উপর দু’গ্রুপ মখোমুখি অবস্থানে রয়েছে।

ঘটনাস্থলে রয়েছে হাতিয়া সার্কেল এসপি গোলাম ফারুক, হাতিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা খোন্দকার রেজাউল করিম ও  অফিসার ইন চার্জ মোঃ আব্দুল মাজিদ। স্থানীয় সুত্রে জানা গেছে, গত ৩০ আগষ্ট বুধবার  সোনাদিয়া ইউপি চেয়ারম্যান সমর্থক রিয়াজ উদ্দিনকে  সেকু মার্কেট এলাকায় কুপিয়ে ও পিটিয়ে হত্যা করা হয়। নিহত রিয়াজকে তাদের কর্মী দাবী করে সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান অধ্যাপক ওয়ালীউল্লাহ’র গ্রুপ। নিহতের বাবা বাদী হয়ে হাতিয়া থানায় বর্তমান আলহাজ্ব এমপি আয়েশা আলীর স্বামী সাবেক এমপি মোহাম্মদ আলীকে আসামী করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করে। মোহাম্মাদ আলী গ্রুপ এই মামলাকে মিথ্যা মামলা দাবি করে। এ নিয়ে মোহাম্মদ আলী গ্রুপের লোকজনের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দেয়। এরই ঘটনার প্রেক্ষিতে ও মামলা দায়েরের প্রতিবাদে স্থানীয় সংসদ সদস্য আয়েশা ফেরদৌসের স্বামী মোঃ আলীর বাসায় বুধবার বেলা ২টায় একটি প্রতিবাদ সমাবেশ করছিলো। হঠাৎ করে অপর পক্ষ সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান অধ্যাপক ওয়ালীউল্লাহ গ্রুপ এবং আওয়ামীলীগ নেতা মাহমুদ আলী রাতুল গ্রুপের নেতা কর্মীরা একত্রিত হয়ে  স্থানীয় সংসদ সদস্যের বাসা লক্ষ্য করে বোমা এবং গুলি  ছুঁড়লে সংঘর্ষের সুত্রপাত হয়। পরে মোহাম্মদ আলীর লোকজন ক্ষুব্দ হয়ে মাহমুদ আলী রাতুলের বাসায় হামলা চালিয়ে ভাংচুর করে ও তাকে অবরুদ্ধ করে রাখে। পরে পুলিশ এসে টিয়ার শেল ছুড়েঁ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনে।

হাতিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবদুল মজিদ জানান, দুপুর থেকে দুই পক্ষের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া চলছিল। প্রশাসনের শক্ত অবস্থানের কারণে বড় ধরণের কোন সহিংসতা হয়নি। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে এএসপি সার্কেল গোলাম ফারুক বলেন, পরিস্থিতি  বর্তমানে পুলিশের নিয়ন্ত্রনে রয়েছে। ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে ।