আইনের আশ্রয় নেবে নায়করাজের পরিবার

../news_img/55592mmri iu.jpg

মৃদুভাষণ ডেস্ক::গেল ২১ আগস্ট চলচ্চিত্রের প্রবাদ পুরুষ নায়করাজ রাজ্জাক পরপারে চলে যান। তার চলে যাওয়ায় চলচ্চিত্রাঙ্গনে এক বিশাল শূন্যতার সৃষ্টি হয়েছে। পরিবারে এখনও বইছে শোকের মাতম। কিন্তু এরই মধ্যে বেশ কয়েকজন নায়করাজের জীবনী নিয়ে বই প্রকাশের উদ্যোগ নিয়েছেন। চলচ্চিত্র পরিচালক ছটকু আহমেদ নায়করাজের জীবনী নিয়ে আগামী একুশে গ্রন্থমেলায় একটি বই প্রকাশের কথা জানিয়েছেন। এছাড়া বিচ্ছিন্নভাবে আরও বেশ ক’জন নায়করাজকে নিয়ে বই প্রকাশের উদ্যোগ নিচ্ছেন বলে জানা যায়।

বিষয়টি নিয়ে নায়করাজের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে এতে সবাই উদ্বেগ প্রকাশ করেন। নায়করাজ রাজ্জাকের ছোট ছেলে খালিদ হোসেন সম্রাট বলেন, ‘আমরা রাজ্জাক পরিবার বা আমাদের মধ্য থেকে কেউই আব্বাকে নিয়ে কোনো বায়োগ্রাফি লেখার কোনোরকম অনুমতি দেইনি। আব্বা জীবিত থাকতে তার সঙ্গে দু-একজন কথা বলেছিলেন। আব্বা বলেছিলেন, ঠিক আছে তৈরি করে আমাকে আগে দেখাও। এছাড়া আমার জানামতে কোনোরকম চূড়ান্ত অনুমতি কাউকেই দেয়া হয়নি। সুতরাং কেউ বা কোনো প্রকাশনী যদি রাজ্জাক পরিবারকে অবগত না করে কোনো কিছু প্রকাশ করে তাহলে আমরা কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেব। অনেকেই হঠাৎ করে আব্বাকে নিয়ে বায়োগ্রাফিক্যাল লেখা প্রকাশের জন্য ব্যস্ত হয়ে উঠেছেন, আমি বুঝতে পারছি না তারা কারা। আমি আমার আব্বার সব রকম কাজের সঙ্গে যুক্ত ছিলাম। তিনি কখন কোথায় কী করবেন না করবেন, যেখানে যাবেন তার নিরাপত্তা ব্যবস্থা কেমন হবে, কখন যাবেন, কখন ফিরবেন সবকিছু আমিই সিদ্ধান্ত নিতাম। তাই আব্বার সব কিছুই ছিল আমার জানার মধ্যেই। তাই আমার কাছে আব্বা তার বায়োগ্রাফি লেখার জন্য কাউকে অনুমতি দিয়েছেন এমন কোনো তথ্য নেই।’

গেল ২১ আগস্ট পরপারে পাড়ি জমান নায়করাজ রাজ্জাক। ২২ আগস্ট প্রথমে বিএফডিসিতে জানাজা, পরে শহীদ মিনারে সর্বসাধারণের শ্রদ্ধা নিবেদন এবং গুলশানের আজাদ মসজিদে বাদ আসর জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। পরদিন তার মেজ ছেলে বাপ্পী কানাডা থেকে পৌঁছলে সকাল ১০টা ২০ মিনিটে রাজধানীর বনানী গোরস্তানে তার লাশ দাফন করা হয়। নায়করাজ রাজ্জাক অভিনীত সর্বশেষ চলচ্চিত্র ছিল বাপ্পারাজ পরিচালিত ‘কার্তুজ’।