রোহিঙ্গা সংকট, হোয়াইট হাউজের উদ্বেগ

../news_img/55468mmri iu.jpg


মৃদুভাষণ ডেস্ক::মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে যে সহিংসতা চলছে তাতে উদ্বেগ প্রকাশ করে বুধবার (১৩ সেপ্টেম্বর) এক বিবৃতি দিয়েছে হোয়াইট হাউজ।

রোহিঙ্গা পরিস্থিতি নিয়ে বিবৃতিতে হোয়াইট হাউজ বলছে, ‘গত ২৫শে আগস্ট বার্মার নিরাপত্তা পোস্টগুলোতে হামলার জের ধরে কমপক্ষে তিন লাখ মানুষ বাসস্থান ছেড়ে পালিয়ে গেছে। আমরা আবারো নিন্দা জানাচ্ছি এইসব হামলার যা সহিংসতায় রূপ নিয়েছে।’ খবর বিবিসি বাংলা’র

‘রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠী ও অন্যান্য সংখ্যালঘু মানুষদের তাদের আবাসসস্থল থেকে উচ্ছেদ হওয়া ও তাদের ওপর নির্যাতন এটাই প্রমাণ করে যে নিরাপত্তা বাহিনীগুলো সাধারণ মানুষকে সুরক্ষা দিতে পারছে না।’

এছাড়া হত্যা, নির্যাতন, গ্রাম পুড়িয়ে দেয়া ও ধর্ষণের মতো মানবাধিকার লংঘনের যে অভিযোগ উঠেছে মিয়ানমারের নিরাপত্তা বাহিনীর বিরুদ্ধে তাতেও শঙ্কা প্রকাশ করেছে হোয়াইট হাউজ।

মিয়ানমার সরকার যেন আ ইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থেকে সহিংসতা বন্ধ করে সাধারণ মানুষের সুরক্ষা দেয়া সে আহ্বান জানানো হয়েছে বিবৃতিতে।

রোহিঙ্গা শরণার্থীদের যেভাবে মানবিক সহায়তা দিচ্ছে বাংলাদেশ সরকার সে উদ্যোগেরও প্রশংসা করেছে হোয়াইট হাউজ।

মিয়ানমারের রাখাইন প্রদেশে সহিংসতার শিকার লক্ষ লক্ষ রোহিঙ্গা মুসলিমের সীমান্ত পেরিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়ার ফলে যে পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, তা নিয়ে আজ আরও পরের দিকে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে এক জরুরী আলোচনা হবে।

এই বৈঠকের একদিন আগেই জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক প্রধান বলেছেন, জাতিগত শুদ্ধি অভিযান বলতে যা বোঝায়- রোহিঙ্গাদের ওপর মিয়ানমারের সেনাদের আক্রমণে ঠিক তাই ঘটছে।

রাখাইনে সেনাবাহিনীর এ অভিযানকে ‘পাঠ্যবইয়ে জাতিগত শুদ্ধি অভিযানের অন্যতম উদাহরণ’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক প্রধান জেইদ রাদআল-হুসেইন।

গত ২৫শে অগাস্ট থেকে শুরু হওয়া সহিংসতায় এ পর্যন্ত প্রায় চার লাখের মতো রোহিঙ্গা মুসলিম বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে। কিন্তু মিয়ানমার সরকার জাতিসংঘের এমন অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছে।

সাধারণের ওপর আক্রমণের অভিযোগ অস্বীকার করে মিয়ানমারের নিরাপত্তা বাহিনী বলছে তারা রোহিঙ্গা সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে অভিযান চালাচ্ছে।