শরণার্থী শিবিরে কাজ শুরু করেছে সেনাবাহিনী

../news_img/5574৪ mri nu.jpg

মৃদুভাষণ ডেস্ক :: ভয়াবহ নির্যাতনের মুখে বাংলাদেশে পালিয়ে এসে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গা শরণার্থীদের পুনর্বাসন ও ত্রাণ বিতরণে কাজ শুরু করেছে সেনাবাহিনী।

শনিবার সকাল থেকে কক্সবাজারে অবস্থান নিলেও জেলা প্রশাসনের সমন্বয়ে রোববার থেকে ত্রাণ বিতরণ পুরোদমে শুরু হবে। ত্রাণ ও পুনর্বাসনের পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা রক্ষায়ও সেনাবাহিনী সহায়তা করবে বলে জানিয়েছে পুলিশ প্রশাসন।

গত ২৫ আগস্ট থেকে মিয়ানমার সেনাবাহিনীর অত্যাচারে রাখাইন থেকে বাংলাদেশে পালিয়ে আসতে শুরু করে রোহিঙ্গারা। এখনো অব্যাহত রয়েছে শরণার্থীর ঢল। সরকারি হিসাবে, এখন পর্যন্ত প্রায় সাড়ে ৪ লাখ রোহিঙ্গা বাংলাদেশে এসেছে।

বাংলাদেশে আসা রোহিঙ্গারা কক্সবাজারের উখিয়া, টেকনাফসহ বিভিন্ন এলাকায় আশ্রয় নেয়। কিন্তু এই বিপুল সংখ্যক রোহিঙ্গার বাসস্থান, খাবার ও ত্রাণ বিতরণে তৈরি হয় নানা অব্যবস্থাপনা। এরই পরিপ্রেক্ষিতে শরণার্থীদের ত্রাণ বিতরণ ও পুনর্বাসনে সেনাবাহিনীকে নিযুক্ত করার সিদ্ধান্ত নেয় সরকার। গত শুক্রবার কক্সবাজার জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে সেনাবাহিনীর কাজ করার বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

আজ সকাল থেকেই কক্সবাজার, উখিয়া, টেকনাফসহ বিভিন্ন এলাকায় সেনা সদস্যরা অবস্থান নিতে শুরু করেন। ত্রাণ বিতরণ করা না হলেও এসব এলাকায় যানবাহন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের কাজ করছে সেনাবাহিনী।

কক্সবাজার সহকারী পুলিশ সুপার বাবুল বণিক বলেন, ‘ত্রাণের গাড়িগুলো সেনাবাহিনী নিয়ন্ত্রণ করবে। সেনাবাহিনীর সদস্যরা ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রমে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনবে।’

ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রমে শৃঙ্খলা ফেরাতে দেশ ও বিদেশ হতে সরকারি বেসরকারি পর্যায়ে আসা ত্রাণ গ্রহণ করে তা জেলা প্রশাসনের নির্দিষ্ট পয়েন্টে পৌঁছে দেবে সেনাবাহিনী। এরপর জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাদের সঙ্গে সমন্বয়ে ত্রাণ বিতরণে সহায়তা দেবে সেনাবাহিনীর সদস্যরা।