সুশিক্ষিত সমাজ গড়া একুশ শতকের চ্যালেঞ্জ

../news_img/54875 mrin k.jpg

ওয়াহিদুজ্জামান :: পরিবারের পিতা- মাতার অপার  স্নেহে জন্মের পর হতে সন্তান বেড়ে ওঠে।একটা শিশুসন্তান কে বড় করতে বাবা- মার যে কায়িক শ্রম ও ত্যাগ ব্যায়িত হয়-যা  প্রত্যেক পিতামাতাই অবগত।

আলোচ্য বিষয় হল -একুশ শতকের চলমান সময়ে বেড়ে ওঠা সন্তান কতটা ঝুকিমুক্ত জীবন যাপনের অধিকারী।
সময়ের সাথে সাথে আমাদের জীবন-যাপনের মান বেড়েছে।সেই সাথে জীবন যাপন যে ঝুকিমুক্ত তা নয়।এক্ষেত্রে বেড়েছে ঝুঁকির মাত্রা ও দায়িত্ব হীনতা।

সমাজের প্রচলিত নিয়মে বেড়ে ওঠা সন্তানেরা প্রযুক্তির উৎকর্ষে' আদৌ তারা যেমন সহিষ্ণু জীবনের অধিকারী - এমনটা জোর দাবী নিয়ে বলাটা দুরূহ!তেমন তাদের রয়েছে চাহিদার ব্যায়বাহুলতা।

আজকের দিনে সুশিক্ষা অজ'নে যতটা না অর্থের যোগান দরকার,তার থেকেও শিক্ষাগত ডিগ্রী অর্জনের ক্ষেত্রে হয় -আর্থিক বিপর্যয়।যা ব্যাপ্তিময় বিষয়।

বিষয়টি এখানেই শেষ নয়।একজন কাগজের সার্টিফিকেটধারী ব্যক্তির কাছে সমাজ কতটা আশা করে। কিংবা তারইবা সমাজের প্রতি কতটা দায়বদ্ধ সম্পন্ন জ্ঞানে পুঞ্জিভূত!

গণমাধ্যম হতে আমরা প্রয়াসই জানতে পারি- সামাজিক অবক্ষয়ের সংবাদ।দেখা যায়- পিতা লাঞ্ছিত পুত্র কর্তৃক,নেশার টাকা না দেওয়ায় মাকে ছেলে কুপিয়ে জখম,কিংবা স্কুল শিক্ষক কর্তৃক তৃতীয় শ্রেণীর ছাত্রী ধষি'ত(এ জাতীয় অবক্ষয় এর  খবরাখবর গণমাধ্যম হতে অহরহ আমরা পেয়ে থাকি।)এসব ঘটনা মৌলিক শিক্ষা ব্যাহত -এ সমাজেরই একটা শ্রেণীর কদ'কলাপের বিবরণ।

এ জাতীয় সামাজিক অনিষ্টকর কাজ'বিবরণ ছোটখাটো বিষয় নয়।এ ব্যাধি হতে আরোগ্যের জন্য  যেকোনো রাষ্ট্রকে রাহুমুক্ত করতে সচেতন জন বান্ধব মানুষ কে এগিয়ে আসাটা- একুশ শতকের সময়ের দাবী হিসাবে বিবেচ্য।