রাখাইনে যাচ্ছেন বাংলাদেশসহ পাঁচ দেশের রাষ্ট্রদূত

../news_img/56162mmm.jpg

মৃদুভাষণ ডেস্ক :  রোহিঙ্গা অধ্যুষিত মিয়ানমারের রাখাইন অঞ্চল পরিদর্শনে যাচ্ছেন বাংলাদেশসহ পাঁচটি দেশের রাষ্ট্রদূত। তারা দুই একদিনের মধ্যেই সেখানে যাবেন বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী।
সোমবার বিকালে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় রোহিঙ্গা ইস্যুতে সর্বশেষ পরিস্থিতি নিয়ে বাংলাদেশে নিযুক্ত মিয়ানমারসহ ২৭ দেশের কূটনীতিকদের সাথে ব্রিফ করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী। পরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপে তিনি এই তথ্য জানান।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘মিয়ানমার সরকার প্রস্তাব করেছে, তাদের প্রতিবেশী পাঁচটি দেশ, বিশেষ করে যাদের সঙ্গে তাদের বর্ডার আছে চীন, ভারত, বাংলাদেশ, লাওস এবং থাইল্যান্ডের রাষ্ট্রদূতদের তারা (মিয়ানমার সরকার) উত্তর রাখাইনে নিয়ে যাবে দেখার জন্য। আমাদের রাষ্ট্রদূতকেও তারা ইনভাইট করেছে দেখার জন্য। আমরা তাকে বলেছি, অবশ্যই আপনি যাবেন। এটা হয়তো দুই একদিনের মধ্যে হবে।’

মাহমুদ আলী বলেন, ‘স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আগামী ২০-৩০ অক্টোবরের মধ্যে মিয়ানমার সফর করার প্রস্তাব করেছি আমরা। মিয়ানমার সরকারের উত্তরের অপেক্ষা করছি। এ ভিজিট হলে দুটো এমওইউ আছে। একটা হচ্ছে বর্ডার লিজ অন অফিস আরেকটা হচ্ছে বর্ডার এগ্রিমেন্ট অন সিকিউরিটি অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট। এই দুটো হলে দুই দেশের মধ্যে বর্ডার সম্পর্কিত যে ঘটনাবলি হয় সেগুলো নিরসনে যথেষ্ট অগ্রগতি হবে।’

মন্ত্রী বলেন, ‘শান্তিপূর্ণ সীমান্তে যে আমরা বিশ্বাস করি, সেটা আমরা প্রমাণ করেছি। এখন তো বল আমরা তাদের কোর্টে দিয়েছি। তারা (মিয়ানমার) স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী যাওয়ার তারিখ আমরা দিয়েছি, এখন তারা তারিখ দেবে। তাদের কাছ থেকে তারিখ এলেই উনি (স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী) যাবেন। উনি (স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী) ঘুরে এলেই আমি আমার যাওয়ার তারিখ বলব।’

রোহিঙ্গা ইস্যুতে যারা সমালোচনা করছেন তাদের উদ্দেশ্যে মন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশের পক্ষ থেকে যা যা করণীয় তাই করা হচ্ছে। এর চেয়ে বেশি করা সম্ভব নয়।’ মিয়ানমারের স্ট্রেট কাউন্সিলর অফিসের মন্ত্রীর সফরে দুই দেশের মধ্যে একটি ‘জয়েন্ট ওয়ার্কিং গ্রুপ’ গঠনের বিষয়ে যে সিদ্ধান্ত হয়েছিল সে বিষয়ে সাংবাদিকরা জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘কোনো অগ্রগতি নেই। মিয়ানমার সরকার উত্তর দেয়নি।’ পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম বলেন, ‘রেডক্রসের মাধ্যমে মিয়ানমারের অভ্যন্তরীণ ব্যবস্থায় খাদ্য সরবরাহ করছেন এবং কিছু ক্যাম্পে রোহিঙ্গাদের আশ্রয়ের ব্যবস্থা করছে।’