নারায়ণগঞ্জ ও কুষ্টিয়ায় ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত ২

../news_img/56258mmm.jpg

মৃদুভাষণ ডেস্ক::নারায়ণগঞ্জ ও কুষ্টিয়ায় পুলিশের গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ দুজন নিহত হয়েছে। শুক্রবার (১৩ অক্টোবর) ভোর রাতে নারায়ণগঞ্জ শহরে ও বৃহস্পতিবার (১২ অক্টোবর) রাতে কুষ্টিয়া জেলার কুমারখালী উপজেলায় এ বন্দুকযুদ্ধের ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন— নারায়ণগঞ্জ শহরের গলাচিপা গোয়ালিয়া খাল এলাকায় আব্দুল জলিল ভূঁইয়ার ছেলে মনিরুজ্জামান শাহীন ওরফে বন্দুক শাহীন (৫০) ও কুষ্টিয়া সদর উপজেলার নুরপুর গ্রামের মতিয়ার রহমানের ছেলে শাহীন আলী (৩০)।

পুলিশের ভাষ্য, বন্দুকযুদ্ধে নিহত দু’জনই সন্ত্রাসী, তাদের বিরুদ্ধে হত্যাসহ একাধিক মামলা রয়েছে।

নারায়ণগঞ্জ জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. শরফুদ্দিন সাংবাদিকদের জানান, শাহীনের অবস্থান জানতে পেরে শুক্রবার ভোরে শহরের গলাচিপা গোয়ালিয়া খাল এলাকায় অভিযান চালায় ডিবির একটি দল। এসময় পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে শাহীনের সহযোগীরা। পুলিশও পাল্টা গুলি চালায়। দুই পক্ষের মধ্যে বন্দুকযুদ্ধে শাহীন নিহত হন। ঘটনাস্থল থেকে ৪টি গুলিসহ একটি বিদেশি পিস্তল উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানান তিনি।

পুলিশের দাবি, বন্দুকযুদ্ধের ঘটনায় ডিবির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহবুবুর রহমান ও উপপরিদর্শক (এসআই) মিজান আহত হয়েছেন।

পুলিশ জানায়, শাহীনের বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় হত্যা, চাঁদাবাজি, মাদক ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের অভিযোগে ১২ টির বেশি মামলা রয়েছে।

কুষ্টিয়া জেলার ডিবি পুলিশের ওসি ছাব্বিরুল ইসলাম জানান, বৃহস্পতিবার রাত ৩টার দিকে প্রবাসী রাকিবুল ইসলাম হত্যা মামলার আসামি গ্রেফতার শাহীনকে নিয়ে অন্য আসামিদের ধরতে কুমারখালী শিলাইদহ ঘাটে অভিযান চালানো হয়। এ সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে তার সহযোগীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। পুলিশও পাল্টা গুলি ছোড়ে। এতে গুলিবিদ্ধ শাহীনকে উদ্ধার করে কুষ্টিয়া জেনা‌রেল হাসপাতালে নিয়ে এলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করে।

পুলিশ জানায়, ঘটনাস্থল থেকে একটি বিদেশি পিস্তল, এক রাউন্ড গুলি, দুটি ধারালো অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। অভিযানে পুলিশের চার সদস্যও আহত হয়েছেন।

কুমারখালীর চাপড়া ইউনিয়নের পাহাড়পুর স্কুলপাড়া গ্রামের মন্টু বিশ্বাসের ছেলে রাকিবুল দুই মাস আগে মালয়েশিয়া থেকে দেশে আসেন। গত ৫ অক্টোবর নিখোঁজ হওয়ার পর রোববার ভোরে কালীগঙ্গা নদীতে তার লাশ পাওয়া যায়।

এ ঘটনায় নিহতের বাবা বাদী হয়ে কুমারখালী থানায় আটজনকে আসামি করে হত্যা মামলা করেন। এই মামলার আসামি ছিলেন শাহীন আলী।