কোন জেলার মেয়েরা সবচেয়ে বেশি প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলে

../news_img/56783mmm.jpg

মৃদুভাষণ ডেস্ক::বাংলাদেশের ৬৪ জেলার ভেতরে কোন জেলার মেয়েরা সবচেয়ে বেশি প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলে। এটি আসলে নিশ্চিত করে বলা মুশকিল তবে সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন তথ্যের ভিক্তিতে এই বিষয়টি নিয়ে দীর্ঘদিন গবেষণা করে কিছু আশ্চর্যজনক তথ্য উপস্থাপন করা হলো।

ঢাকার অদূরেই শীতলক্ষ্যা নদীর পার্শ্ববর্তী অঞ্চল দিয়ে নারায়ণগঞ্জ অবস্থিত, ভৌগলিক কাঠামোর দিক থেকে এবং প্রাচীন ঐতিহ্যে বিবেচনায় নারায়ণগঞ্জ বাংলাদেশের ভেতরে খুবই তাৎর্যপূর্ণ অঞ্চল হিসেবে পরিচিত।

নারায়ণগঞ্জের চৌদ্দ থেকে আঠারো বয়সী মেয়েদের ভেতরে শতকরা ৪২ জন মেয়ে-ছেলেদের সঙ্গে সম্পর্ক তৈরিতে বেশ আগ্রহী এবং উনিশ থেকে সাতাশ বছর বয়সে মেয়েরা শতকরা ৩৮ জন মেয়ে সম্পর্ক করার জন্য আদাজল খেয়ে লাগে, আর আঠাশ থেকে চুয়াল্লিশ বছর নারীদের ভেতরে শতকরা ২০ নারী পরকীয়া সম্পর্ক গড়ে তোলেন। তবে নারায়ণগঞ্জ শহরের মেয়েদের ভেতরে এ প্রবনতাগুলো অনেক ক্ষেত্রে বেশি কিন্তু অবাক করার মতো বিষয় হলো নারায়ণগঞ্জ শহরে বসবাসকারী শতকরা ৫৬ ভাগ লোকজনই বাইরের অঞ্চল থেকে আগত।

ছেলেদের সঙ্গে সম্পর্ক করার জন্য দ্বিতীয় ধাপে বেশ আগ্রহী আছে ঢাকা জেলার মেয়েরা তবে ঢাকা জেলা দ্বিতীয় ধাপে চলে এসেছে শুধুমাত্র কেরানীগঞ্জের মেয়েদের জন্য। কেরানীগঞ্জের চৌদ্দ থেকে সাতাশ বছর বয়সী মেয়েদের ভেতরে শতকরা ২৮ জন মেয়ে সম্পর্ক করাই জন্য বেশ আগ্রহী। তৃতীয় এবং চতুর্থ ধাপে আছে যথাক্রমে গাজীপুর ও মানিকগঞ্জ। গাজীপুর তৃতীয় ধাপে এসেছে শুধুমাত্র টঙ্গীর কারণে এবং মানিকগঞ্জ আছেন ধামরাইয়ের জন্য। পঞ্চম অবস্থানে আছে নোয়াখালীর মেয়েরা এবং ষষ্ঠ অবস্থানে আছে চাঁদপুরের মেয়েরা।

দ্বিতীয় পর্ব- আপনারা যারা বিবাহযোগ্য, যাদের বিয়ের বয়স হয়েছে, এখন কিংবা অদূর ভবিষ্যতে বিয়ে করার চিন্তাভাবনা করছেন, তাদের জন্য মিলিয়ে বিয়ে করার জন্য জেলাভিত্তিক মেয়েরা কেমন হয়, সেটা নিয়েই যাক।

১। যশোর-খুলনার মেয়েরা অনেক সুন্দরী। যশোরের মেয়েরা কুটনামিতে খুব ওস্তাদ হয়, প্রচুর মিথ্যা কথা বলে।

২। চট্টগ্রামের মেয়েরা বাইরের জেলারা ছেলেদের বিষয়ে আগ্রহী নয়। কিছুটা কনজারভেটিভ।

৩। সিলেটি মেয়েরা পর্দানশীল বেশি। সিলেটি মেয়েরা সাধারণত বাইরের জেলাতে বিয়ে করতে যায় না। আত্মীয়দের মধ্যে থাকতে পছন্দ করে। সিলেটি মেয়েরা ছ্যাচড়া।

৪। পুরার ঢাকার মেয়েরা খুবই দিলখোশ। ঢাকার অন্য এলাকার মেয়েরা জগাখিচুরি।

৫। খুলনার মেয়েরা স্বামী অন্তপ্রাণ। খুলনার মেয়েরা নাকি ফ্যামিলির বিষয়ে একটু সিরিয়াস টাইপের হয়৷

৬। উত্তরবঙ্গের মেয়েরা কোমলমতী হয় এবং বেকুব ও আনক্রিয়েটিভ।

৭। বরিশালের মেয়েরা একটু ঝগড়াটে, ভালো রাঁধুনী, ন্যাচালার সুন্দরী, সংসারী এবং স্বামীভক্ত।

৮। ময়মনসিংহের মেয়েরা একটু বোকাসোকা, কেউবা বদমাইশ। কেউ কেউ স্মার্ট এবং ডেয়ারিং।

৯। সিরাজগঞ্জের মেয়েরা ভালো, যদি শান্তিতে ঘর করতে চান।

১০। বগুড়ার মেয়েরা ঝাল।

১১। কুষ্টিয়ার মেয়েরা অহংকারী, কিন্তু সেই তুলনায় গুণবতী নয়। মননশীল, রুচিসম্পন্ন। যাকে ভালোবাসে সত্যিকারের ভালোবাসে, কোন রাখঢাক নাই।

১২। বি. বাড়িয়ার মেয়েরা পলটিবাজ কিন্তু পতিভক্ত ও সংসারী।

১৩। রাজশাহীর মেয়েরা একটু লুজ।

১৪। পাবনার মেয়েরা কুটনা হয়ে থাকে।

১৫। জামালপুরের মেয়েরা বেশি স্মার্ট এবং ডেয়ারিং। এই জেলায় সুন্দরীদের ঘনত্ব বেশি।

১৬। নোয়াখালীর বাবা-মা অথবা আত্মীয়-স্বজনদের ভুলতে চাইলে নোয়াখালীর মেয়েদের তুলনা নেই। বেশির ভাগ মেয়ে কারো কথার নিছে থাকতে চায় না। এরা চরম কুটনা হয়। তবে তারা শ্বশুড়বাড়ির জন্য করতে চাইলে নিজের সব দিয়ে করে, না করলে নাই!

১৭। ফরিদপুরের মেয়েরা চোরা স্বভাবের। ওদের মতো কুটিল প্যাচের মানুষ খুব কমই হয়।

১৮। কুমিল্লার মেয়েরা শ্বশুরবাড়ির মানুষদের পছন্দ করে না। কুমিল্লার মেয়েরা সুন্দরী, অনেক দায়িত্বশীল, তবে সংসারে প্রভাব বিস্তার করতে বেশি পছন্দ করে।

১৯। টাঙ্গাইলের মেয়েরা খুব ভালো হয়, বান্ধুবী হিসেবেতো বটেই, পাত্রী হিসেবেও। এ অঞ্চলের মেয়েরা দুনিয়ার বজ্জাত তবে বান্ধবী হিসেবে ভালো.. একটু দিলখোলা টাইপের।

২০। মাদারীপুরের মেয়েরা খুবই কিউট, খুব খরচে, জামাইয়ের পকেট ফাঁকা করতে উস্তাদ।

২১। চাঁদপুরের মেয়েরা মানুষ হিসেবে খুবই ভালো, অথিতিপরায়াণ। তাদের সরল ভালোবাসায় আপনি মুগ্ধ হবেন। আর শ্বশুরবাড়ি চাঁদপুর হলে ইলিশ নিয়ে চিন্তা করতে হবে না। আর আসল কথা হলো চাঁদপুরে লোকের মাথায় প্যাঁচ জিলাপীর থেকেও বেশি। চাঁদপুরের মেয়েরা ছেলে ঘুরাতে ওস্তাদ।

২২। দিনাজপুরের মেয়েরা যে খুব সুন্দরী হয়।

২৩। চাঁপাইনবাবগঞ্জের মানুষ সরল মনের অধিকারী।

২৪। গাজীপুরের মেয়েরা খুবই ভালো, মিশুক এবং রসিক। এখানকার মেয়েরা জেদি, লাজুক, মিডিয়াম সুন্দর, মিডিয়াম স্মার্ট এবং সংস্কৃতি মনা।

২৫। নরসিংদীর মেয়েরা উড়ালপঙ্খীর মতো তাদের মন আর চলার ঢং।

২৬। কিশোরগঞ্জের মেয়েরা একটু বোকাসোকা আর ডেয়ারিং প্রকৃতির। মিশুক, বন্ধুপাগল বা বন্ধুপ্রেমী হয়। স্বামী ভক্ত হয় তবে এমনো হতে পারে যে সারাজীবন বউয়ের দ্বারা নিগৃহীত হওয়া; অসম্ভব কিছু না।

২৭। নারায়ণগঞ্জের মেয়েরা অতিশয় ভালো, ভদ্র, সামাজিক, কীভাবে পরিবার আর মুরুব্বিদের সামলাতে হয় তারা খুব ভালো জানে। সংসারে ঝামেলাহীন রাখতে সবসময় হাসি-খুশি, মিলেমিশে থাকে এমন বউ আনতে চাইলে নারায়ণগঞ্জের মেয়েরাই সেরা।