বেরিয়ে এসেছে সেই প্রমাণ! যেভাবে বিচ্ছেদের পথে শাকিব-অপু

../news_img/57455 mmm.jpg

মৃদুভাষণ ডেস্ক: একই বছরে বিয়ে ও বিচ্ছেদের খবর নিয়ে তুমুল আলোচনার সৃষ্টি করলেন দেশের তারকা অভিনেতা শাকিব খান ও অপু বিশ্বাস। সমস্ত গুঞ্জন শেষে সত্যি সত্যিই এবার বিচ্ছেদের পথে হাঁটছেন এই দম্পতি। বেরিয়ে এসেছে সেই প্রমাণ।

আট মাসের ছেলে আব্রাম খান জয়সহ টেলিভিশন লাইভে এসে গত এপ্রিলে গোপন সম্পর্কের বিষয়টি ফাঁস করে দেয়ার পর থেকেই অপুকে মারাত্মকভাবে এড়িয়ে চলছেন শাকিব। শুধু তাই না, স্ত্রী হিসেবে স্বামীর কাছ থেকে নূন্যতম মর্যাদাও পাচ্ছেন না বলে বিভিন্ন সময় মিডিয়াকে জানিয়েছেন অপু। আর এমন অবস্থা যা শেষ পর্যন্ত ডিভোর্সে এসে ঠেকেছে।

বগুরার মেয়ে অপু বিশ্বাসকে এবার সত্যি সত্যি তালাক দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন গোপালগঞ্জের ছেলে শাকিব খান রানা। এ বিষয়টি চ্যানেল আই অনলাইনকে নিশ্চিত করেছেন শাকিবের আইনজীবী সিরাজুল ইসলাম।

আর এবার কাছে এসেছে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন বরাবর শাকিবের ডিভোর্স দেয়ার অনুমতি পত্রটি। সিটি কর্পোরেশনের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ৪ ডিসেম্বর অপুকে ডিভোর্স দেয়ার অনুমতি পত্রটি আমরা গ্রহণ করেছি।

ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের মেয়র বরাবর ডিভোর্সের অনুমতি চেয়ে করা শাকিবের লেটারটি যা লেখা তা চ্যানেল আই অনলাইনের পাঠকদের জন্য হুবুহু তুলে ধরা হল(অনুমতি পত্রে উল্লেখিত অপু ও শাকিবের বর্তমান ঠিকানা ছাড়া)-

অপুর তালকানামাজনাব,
আমি, শাকিব খান রানা, মো. আব্দুর রব এবং রেজিয়া বেগমের ছেলে। গ্রাম ও পোস্ট অফিস: রাঘদি, পুলিশ স্টেশন: মুকসুদপুর, গোপালগঞ্জ-এর স্থায়ী বাসিন্দা, অপু ইসলাম খান ওরফে অপু বিশ্বাসকে, উপন্দ্রনাথ বিশ্বাস এবং শেফালি বিশ্বাসের মেয়ে। নন গোপাল দেবদাস লেন, বগুড়া সদর, বগুড়া-৫৮০০ এর স্থায়ী বাসিন্দা, ১৬/০৩/২০০৮ সালে মুসলিম শরিয়া মোতাবেক বিয়ে করেছি।

কিন্তু বিয়ের এই সম্পর্ক চালিয়ে যাওয়া সম্ভব না।

অতএব বিনীত নিবেদন এই যে, আমি শাকিব খান রানা, অপু ইসলাম খানকে ২২ নভেম্বর, ২০১৭-তে উপস্থিত সাক্ষীর সামনে তালাক শব্দটি উচ্চারণ করে তার সাথে সকল বৈবাহিক সম্পর্কচ্ছেদ করলাম।

আপনার বিশ্বস্ত
শাকিব খান রানা

সাক্ষীর নাম:
মোহাম্মাদ আলী
আতাউর রহমান