ফেনী হবিগঞ্জ ও নেত্রকোনায় পৃথক বন্দুকযুদ্ধে সাবেক কাউন্সিলরসহ নিহত ৩

../news_img/58035 mmm.jpg

মৃদুভাষণ ডেস্ক :: ফেনী সদর, হবিগঞ্জের চুনারুঘাট ও নেত্রকোনার মোহনগঞ্জে গতকাল সোমবার র‍্যাব ও পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে এক সাবেক কাউন্সিলরসহ তিন ব্যক্তি নিহত হয়েছেন।

এর মধ্যে হবিগঞ্জের চুনারুঘাটে নিহত হয়েছেন পৌরসভার সাবেক কাউন্সিলর ইউনুছ মিয়া (৪০)। বাকি ২ জন মাদক ব্যবসায়ী।

পুলিশ সূত্র জানায়, চুনারুঘাট উপজেলার মাগুরুন্ডা গ্রামে মাদক ব্যবসায়ী ইউনুছ মিয়াসহ (৪০) কয়েকজন ইয়াবা বেচাকেনা করছিল। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সোমবার ভোরে পুলিশ সেখানে অভিযান চালায়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে মাদক ব্যবসায়ীরা আক্রমণ করলে পুলিশ গুলি চালায়।

এতে ইউনুছ গুরুতর আহত হয়। উপজেলা চুনারুঘাট স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। ইউনুছ চুনারুঘাট পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর। একই ঘটনায় আহত পুলিশ সদস্যকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

র‍্যাব সূত্র জানায়, মাদক বিক্রেতারা একটি চালান নিয়ে ফেনী সদর উপজেলার ধর্মপুর এলাকায় অবস্থান করছিল এমন সংবাদের ভিত্তিতে র‍্যাব ৭-এর একটি দল সেখানে অভিযান চালায়। র‍্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে মাদক বিক্রেতারা গুলি ছুড়ে। আত্মরক্ষার্থে র‍্যাব পাল্টা গুলি চালায়।

পরে ঘটনাস্থল থেকে আনোয়ার হোসেন রাজুর লাশ উদ্ধার এবং ২টি বিদেশি পিস্তল, ২টি ওয়ান শুটারগান ও একটি দেশীয় বন্দুকসহ ৭ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়। নিহত আনোয়ারের বিরুদ্ধে ধর্ষণ, ডাকাতি, অস্ত্র, মাদক ও চোরাচালানসহ ১০টি মামলা রয়েছে।

মোহনগঞ্জ থানার ওসি আনসারী জিন্নাৎ আলী জানান, গত রবিবার দুপুরের পর উপজেলার গাগলাজুর এলাকা থেকে পুলিশ ডাকাত সর্দার রিপুলকে গ্রেপ্তার করে। রাতে তাকে নিয়ে পুলিশ অন্য ডাকাতদের গ্রেপ্তার করতে গাগলাজুর বাজারসংলগ্ন নয়াপাড়া এলাকায় অভিযান চালায়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে ডাকাত দলের সদস্যরা পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি ছুড়ে। পুলিশ পাল্টা গুলি চালায়।

এতে রিপুল ডাকাত গুলিবিদ্ধ হয়। মোহনগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। রিপুলের মাথায় গুলি লেগেছে।

এ সময় পুলিশের এএসআই জহিরুল ইসলাম (২৮), এএসআই আফজাল হোসেন (৩৩) ও কনস্টেবল তফাজ্জল হোসেন (৩৩) আহত হন। তাদের মোহনগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।

পুলিশ সূত্র জানায়, নিহত রিপুল ডাকাত ছয় খুন, একটি স্বর্ণের দোকানে ডাকাতি ও একটি ব্যাংক লুটসহ ১৯ মামলার পলাতক আসামি ছিল। দুটি মামলায় সে ১০ বছরের সাজাপ্রাপ্তও ছিল। সে উপজেলার চাঁনপুর গ্রামের মৃত আবদুল মোতালিবের ছেলে।