নীলফামারীতে ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস, কুড়িগ্রামে ৬ জনের মৃত্যু

../news_img/58140 mmm.jpg

মৃদুভাষণ ডেস্ক :: শীতের কাঁপন ধরেছে দেশের উত্তরাঞ্চলে। সোমবার ভোরে নীলফামারীর ডিমলায় বছরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস ও কুড়িগ্রামের রাজারহাটে রয়েছে ৩.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
 

এদিকে রোববার বিকাল পর্যন্ত কুড়িগ্রামে প্রচণ্ড শীতে নবজাতকসহ ৬ জনের মৃত্যু হয়েছে।

কুড়িগ্রাম সদর হাসপাতালের ভারপ্রাপ্ত আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. মো. জাহাঙ্গির আলম জানান, রোববার আধুনিক সদর হাসপাতালে শীতেজনিত রোগে এক নবজাতকের মৃত্যু হয়েছে। রাজারহাট উপজেলায় মারা গেছেন তিনজন। মৃতদের মধ্যে গত শুক্রবার সকালে নয়ন মনি ও বৃহস্পতিবার মীম সদর হাসপাতালে মারা যায়। একই দিনে বাকি ৩ জনকে কুড়িগ্রাম সদর হাসপাতালে আনা হলে দায়িত্বরত চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন।

আবহাওয়া অধিদফতরের তথ্যানুযায়ী, রাজধানীসহ সারা দেশে কয়েকটি এলাকায় ৪-৬ ঘণ্টা সূর্যের কিরণ দেখা যেতে পারে।

রংপুর ও রাজশাহী বিভাগ থাকছে কুয়াশাচ্ছন্ন। রংপুর, দিনাজপুর, নিলফামারী, কুড়িগ্রাম, পঞ্চগড় এবং এর পার্শ্ববর্তী জেলায় একটু বেশি কুয়াশা থাকবে।

এ ছাড়া রংপুর বিভাগের বেশিরভাগ এলাকায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে চলে এসেছে। পাশের বিভাগ রাজশাহীর অবস্থাও একই।

সকালে রাজধানী ঢাকার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১১ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

এর আগে রোববার দিনাজপুরে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৫ দশমিক ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়।

এদিকে তাপমাত্রা হঠাৎ করে নিচে নেমে যাওয়ায় শীতে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে জনজীবন। বিশেষ করে তীব্র শীতে খেটে খাওয়া ও ছিন্নমূল মানুষ চরম দুর্ভোগের মধ্যে রয়েছেন। ঠাণ্ডা নিবারণ করতে অনেককে খড়কুটো জ্বালিয়ে রাখতে দেখা গেছে।

কুড়িগ্রাম জেলা প্রশাসক আবু ছালেহ মোহাম্মদ ফেরদৌস খান জানান, কুড়িগ্রামে শীতের দাপট কিছুটা বেড়েছে। শীতার্তদের জন্য ৯ উপজেলায় ৫৭ হাজার কম্বল বরাদ্দ দেয়া হয়েছে, যা বিতরণ কাজ চলছে।