নবীগঞ্জে ছাত্রলীগ নেতা মুছাসহ পরিবারে ৪ সদস্য গুরুতর আহত, আশংকাজনক অবস্থায় সবাইকে সিলেট প্রেরন

../news_img/57959 mmm.jpg

নবীগঞ্জ(হবিগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ নবীগঞ্জ উপজেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি সোহান আহমদ মুছা(২৩)সহ তার পরিবারের ৪ সদস্য গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে সন্ত্রাসী হামলায় গুরুতর আহত হয়েছে। তাদেরকে আশংকাজনক ভাবে সিলেট ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে প্রেরন করা হয়েছে। পারিবারিক বিরোধের জের ধরে শহরতলীর সালামত পুর গ্রামে এই হামলার ঘটনা সংঘটিত হয়েছে। এনিয়ে এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে পরিস্থিতি সামাল দিয়েছে।

জানাযায়, নবীগঞ্জ পৌরসভার সালামত পুর গ্রামের খুর্শেদ মিয়া পুত্র নবীগঞ্জ উপজেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি সোহান আহমদ মুছা(২৩) ও তার ছোট ভাই মনসুর আহমদ (২০) মিলে ত্রাসের মাধ্যমে একমাস পূর্বে তার আপন চাচা নিজাম উদ্দিন, হারুন মিয়া, দুলাল মিয়াসহ ৫ ফুফুকে বাড়ি থেকে বিতারিত করে দেয়। তাদের বাড়ি ঘর সব দখল নেয় ত্রাসের রাজা মুসা। মুছার ভয়ে সবাই পালিয়ে ভেড়ান। গতকাল মুছা ও তার ভাই জোর পুর্বক তাদের চাচাদের একটি মৎস্য খামার দখল করে জোর পুর্বক মাছ ধরার সময় এ হামলার ঘটনা সংঘঠিত হয়। দুপুরে মাছ ধরার সময় মুছার তিন চাচা ও ফুফুরা মিলে রামদা ,দা বটিসহ দেশীয় অস্ত্রসস্ত্র নিয়ে অতর্কিত হামলা চালায়। এসময় এলোপাতারি দায়ের কুপে মুছা মাটিতে লুটে পড়লে তাকে রক্ষা করতে আসেন তার মা শামসুন্নাহার(৫০), ছোট ভাই মনসুর আহমদ(২০) ছোট বোন তান্নি বেগম (১৭) তারা এসময় গুরুতর আহত হয়। রামদার কুপে মুছার মায়ের এক হাত প্রায় বিছিন্ন হবার পথে। মুছার বোন ছোট বোন তান্নি ছাড়া তাদের সবাইকে সিলেট ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

এ ব্যাপারে নবীগঞ্জ থানার ওসি এস,এম আতাউর রহমান বলেন, আমরা মুছার বাড়িতে হামলার খবর পেয়ে সেখানে গিয়ে পরিস্থিতি সামাল দিয়েছি। এখনো কোন অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

 উল্লেখ্য যে নবীগঞ্জ উপজেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি সোহান আহমদ মুছা(২৩),নবীগঞ্জে আলোচিত ছাত্রলীগ নেতা হেভেন চৌধুরী হত্যা, সৎ ভাই হত্যাসহ ডাবল হত্যা মামলার আসামী।