যে কারণে অনুষ্ঠানস্থল ছেড়ে চলে যেতে বাধ্য হলেন বেবী নাজনিন

../news_img/58657mmm.jpg

মৃদুভাষণ ডেস্ক: গতকাল উপজেলা সদর সৈয়দপুরে জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে শীতার্ত মানুষদের মাঝে কম্বল বিতরণ নিয়ে চরম হট্টগোলের ঘটনা ঘটেছে। এক পর্যায়ে অনুষ্ঠানস্থল ছেড়ে চলে যেতে বাধ্য হন বিএনপির কেন্দ্রীয় আন্তর্জাতিক বিষয়ক সহ-সম্পাদক সংগীত শিল্পী বেবী নাজনিন।

বিএনপির স্থানীয় সূত্রগুলো জানায়, জিয়াউর রহমানের ৮২তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে শীতার্ত মানুষের মাঝে কম্বল বিতরণ জন্য প্রথমে সৈয়দপুর বাংলা হাই স্কুল মাঠে শামিয়ানা ও মঞ্চ বানানো হলেও পরে স্থান পরিবর্তন করে শহরের পাটোয়ারী পাড়ায় অবস্থিত মকবুল হোসেন বিএমআই কলেজ মাঠে নেয়া হয়।

সকাল ১১টার দিকে ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক ডা. ফরহাদ হালীম ডোনার ও বিএনপির কেন্দ্রীয় আন্তর্জাতিক বিষয়ক সহ-সম্পাদক সংগীতশিল্পী বেবী নাজনিনসহ অন্য নেতারা অনুষ্ঠান স্থলে আসেন। অনুষ্ঠান শুরু হবার পরপরই বেবী নাজনিনের উপস্থিতি নিয়ে সৈয়দপুর পৌর মেয়র আমজাদ হোসেন সরকারের সমর্থক কিছু বিএনপি নেতা-কর্মী হট্টগোল শুরু করেন।

বেবী নাজনিন থাকলে তারা অনুষ্ঠান বর্জন করবেন এবং ৯০ টাকার কম্বল নেব না বলে স্লোগান দিতে থাকেন। উত্তেজনা বাড়তে থাকলে এক পর্যায়ে বেবী নাজনিন অনুষ্ঠানস্থল ত্যাগ করে বিএনপির সৈয়দপুর কার্যালয়ে এসে নেতাকর্মীদের সঙ্গে বৈঠক করেন।

এ সময় তিনি বলেন, যারা জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের কম্বল বিতরণে বাধা দিয়ে হট্টগোল করেছে তারা প্রকৃত জিয়ার আদর্শের সৈনিক নয়। তারা জিয়াউর রহমান তথা বিএনপিকে ভালোবাসেন না। যারা প্রকৃতই বিএনপিকে ভালোবাসেন, জিয়ার আদর্শকে মনেপ্রাণে ধারণ করেন তারা এ ধরনের নোংরামি করতে পারেন না। প্রকৃত যারা বিএনপি করেন তারা সবাই আমার সঙ্গে আছেন।

এ সময় জেলা বিএনপির সদস্য ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট ওবায়দুর রহমান, প্রচার সম্পাদক আবদুল খালেক, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক সফিকুল ইসলাম জনি, জেলা যুবদলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন প্রামাণিক, পৌর বিএনপির সভাপতি সামসুল আলম, পৌর যুবদলের সভাপতি তারিক আজিজ, ছাত্রদলের সভাপতি রেজওয়ান আক্তার পাপ্পু, সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।