প্রশ্নফাঁসের শঙ্কা নিয়েই শুরু হচ্ছে এসএসসি পরীক্ষা

../news_img/58746mmm.jpg

মৃদুভাষণ ডেস্ক :  প্রথমবারের মতো এবার সারা দেশে অভিন্ন প্রশ্নপত্রে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমান পরীক্ষা। প্রশ্নফাঁসের শঙ্কা নিয়েই শুরু হচ্ছে এসএসসি পরীক্ষা।

সব বোর্ডে একই প্রশ্নপত্র থাকা ইতিবাচক হলেও এতে প্রশ্নফাঁসের আশঙ্কা বেড়ে গেছে বলে মনে করছেন অভিভাবক, পরীক্ষার্থী ও শিক্ষাবিদরা। এমন শঙ্কা নিয়েই আজ বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হচ্ছে এ পরীক্ষা।

এছাড়া প্রশ্নপত্র অভিন্ন হওয়ার কারণে কোনো সেন্টার বা বোর্ডের আওতাধীন কেন্দ্রে প্রশ্নফাঁস হলে সারা দেশের পরীক্ষা একযোগে বাতিল করা হবে।

এবার মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমান পরীক্ষায় ২০ লাখ ৩১ হাজার ৮৮৯ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করবে। পরীক্ষা শুরুর ৩০ মিনিট আগে ঢাকার গভর্নমেন্ট ল্যাবরেটরী হাইস্কুল পরিদর্শনে যাবেন শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ।

বুধবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী জানান, এবার ৩ হাজার ৪১২টি কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হবে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা। পরীক্ষায় ২০ লাখ ৩১ হাজার ৮৮৯ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করবে। এর মধ্যে ১০ লাখ ২৩ হাজার ২১২ জন ছাত্র ও ছাত্রী ১০ লাখ ৮ হাজার ৬৮৭ জন। গত বছর এ পরীক্ষায় মোট পরীক্ষার্থী ছিল ১৭ লাখ ৮৬ হাজার ৬১৩ জন। এবার পরীক্ষার্থী বেড়েছে দুই লাখ ৪৫ হাজার ২৮৬ জন।

মোট পরীক্ষার্থীর মধ্যে এবার আটটি সাধারণ বোর্ডের অধীনে এসএসসিতে মোট ১৬ লাখ ২৭ হাজার ৩৩৮ জন অংশ নেবে। এর মধ্যে ৭ লাখ ৯২ হাজার ৩৪৪ জন ছাত্র এবং ছাত্রী ৮ লাখ ৩৫ হাজার ৩৪ জন। তবে এবার ৮টি বোর্ডে ছাত্রদের তুলনায় ছাত্রীর সংখ্যা কিছুটা বেশি। আর মাদরাসা বোর্ডের অধীনে দাখিলে ২ লাখ ৮৯ হাজার ৭৫২ জন এবং এসএসসি ভোকেশনালে ১ লাখ ১৪ হাজার ৭৬৯ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেবে।

৩ হাজার ৪১২টি কেন্দ্রে ২৮ হাজার ৫১৫টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা পরীক্ষা দেবে। গত বছরের চেয়ে এবার ২০৭টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং ১৭৬টি কেন্দ্র বেড়েছে। এবারও জেদ্দা, রিয়াদ, ত্রিপলি, দোহা, আবুধাবি, দুবাই, বাহরাইনসহ মোট ৭টি কেন্দ্রে ২৯৬ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেবে। এর মধ্যে ২১২ জন ছাত্র এবং ২৪৬ জন ছাত্রী রয়েছে।

বৃহস্পতিবার ১ ফেব্রুয়ারি থেকে আগামী ২৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত তত্ত্বীয় বিষয়ের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। আর ২৬ ফেব্রুয়ারি থেকে ১৬ মার্চের মধ্যে শেষ করতে হবে ব্যবহারিক পরীক্ষা। শিক্ষামন্ত্রী জানান, পরীক্ষা শেষ হওয়ার ৬০ দিনের মধ্যে ফলাফল প্রকাশ করা হবে।

এছাড়া দৃষ্টি প্রতিবন্ধী ও সেরিব্রাল পলসি জনিত প্রতিবন্ধী এবং যাদের হাত নেই এমন প্রতিবন্ধী পরীক্ষার্থী শ্রুতি লেখক সঙ্গে নিয়ে পরীক্ষা দিতে পারবেন। তাদের অতিরিক্ত ২০ মিনিট সময় দেয়া হবে।