দুই ভারতীয় পুলিশকে হত্যা করে পালালেন পাকিস্তানি বন্দি

../news_img/58806 mmm.jpg

মৃদুভাষণ ডেস্ক :: পাকিস্তানি এক বন্দিকে মুক্ত করতে দুই ভারতীয় পুলিশ সদস্যকে হত্যা করা হয়েছে। মঙ্গলবার ভারতের জম্মু কাশ্মীর অঙ্গরাজ্যের শ্রীনগরের একটি হাসপাতালে এ ঘটনা। খবর টাইমস অব ইন্ডিয়ার।
 

জানা যায়, সন্ত্রাসী সংগঠন লস্কর-ই-তাইয়েবা হাসপাতালে হামলা চালিয়ে দুই পুলিশ সদস্যকে হত্যা করেছে। সংগঠনটির বন্দুকধারীরা শ্রীনগরের এসএমএইচএস হাসপাতালের ভেতরে ঢুকে পাকিস্তানি বন্দি মোহাম্মদ নাভিদ জুটকে ছাড়াতে এলোপাতাড়ি গুলি ছোড়ে। তখন দুই ভারতীয় পুলিশ সদস্য নিহত হন।

হাসপাতালটিতে নাভিদ জুটসহ ছয় কারাবন্দিকে মেডিকেল চেকআপের জন্য নেওয়া হয়েছিল। তখন নাভিদকে তিন কনস্টেবল কড়া নজরে রেখেছিলেন। এ সময় হাসপাতালের বেডে ওত পেতে শুয়ে থাকা দুই হামলাকারী সুযোগ বুঝে এলোপাতাড়ি গুলি ছোড়ে। এতে প্রধান কনস্টেবল মুশতাক আহমেদ ঘটনাস্থেলই নিহত হন এবং পরে আরও এক পুলিশ সদস্যের মৃত্যু হয়। এরই মধ্যে বন্দি নাভিদ হামলাকারীদের অন্য সহযোগীদের মোটরসাইকেলে চড়ে পালিয়ে যান।

২০১৪ সালে ধরা পড়েছিল পাকিস্তানি বন্দি নাভিদ। ২৪ বছরের এই যুবকের নাম জড়িয়ে রয়েছে অনেকগুলো নাশকতা। পুলওয়ামায় আদালত চত্বরের কাছে জঙ্গি হামলায় ৭ পুলিশকর্মীর মৃত্যুর ঘটনায় নাভিদ সক্রিয় ছিল বলে পুলিশের দাবি। ভোটকর্মীদের ওপর হামলার একটি ঘটনায়ও নাভিদের নাম উঠেছিল। সেই হামলায় এক শিক্ষকের মৃত্যু হয়েছিল।

পুলিশ জানায়, আবু হানজুল্লা নামেও পরিচিত নাভিদ। উপত্যকায় লস্কর-ই-তাইয়েবাকে যে নেতৃত্ব দিত, সেই আবু কাসিমের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ ছিল সে। দাবি পুলিশের। ২০১৫ সালে অবশ্য নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে আবু কাসিমের মৃত্যু হয়েছে।