মোস্তাফিজের জোড়া আঘাত

../news_img/58828 mmm.jpg

মৃদুভাষণ ডেস্ক :: দারুণ বোলিং করছেন মোস্তাফিজুর রহমান। তবে উইকেটের দেখা মিলছিল না। অবশেষে কাঙ্ক্ষিত উইকেটের দেখা পেয়ে গেলেন কাটার মাস্টার। অল্প সময়ে ব্যবধানে তার বলে মুশফিকুর রহিমের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফিরে যেতে বাধ্য হলেন আকিলা ধনাঞ্জয়া (২০) ও রঙ্গনা হেরাথ।
 

শেষ খবর পাওয়া পর্যন্তশ্রীলংকা সংগ্রহ ৯ উইকেটে ২০৮।রোশেন সিলভা অপরাজিত ৪৬ রানে।

অবশ্য আগেই উইকেট পেতে পারতেন মোস্তাফিজ। একবার তার বলে দিলরুয়ান পেরেরার ক্যাচ নিতে পারেননি সাব্বির রহমান।

শুক্রবার মিরপুরে টস জিতে প্রথমে ব্যাটিং নেন শ্রীলংকা অধিনায়ক দিনেশ চান্দিমাল। ব্যাটিং করতে নেমে শুরুতেই হোঁচট খায় সফরকারীরা। দলীয় ১৪ রানে লিটন দাসের স্ট্যাম্পিং বানিয়ে দিমুথ করনারত্নেকে ফিরিয়ে চমক দেখান অভিজ্ঞ স্পিনার আব্দুর রাজ্জাক। এ নিয়ে ৪ বছর পর জাতীয় দলের হয়ে খেলতে নেমে ভালো কিছুর আভাস দেন তিনি।

এর পর ধনাঞ্জয়া ডি সিলভাকে নিয়ে শুরুর ধাক্কা সামলে উঠে এগিয়ে যাচ্ছিলেন কুশল মেন্ডিস। ধীরে ধীরে জমাট বেঁধে উঠছিল তাদের জুটি। বাংলাদেশকে চোখ রাঙাচ্ছিলেন তারা। এ পরিস্থিতিতে ডি সিলভাকে (১৯) ফিরিয়ে কার্যকরী ব্রেক থ্রু এনে দেন তাইজুল ইসলাম। দলীয় ৬২ রানে গত ম্যাচে সেঞ্চুরি করা ব্যাটসম্যানকে স্লিপে সাব্বির রহমানের ক্যাচ বানিয়ে ফেরান তিনি। এতে ভাঙে ৪৭ রানের জুটি।

পরে দানুষ্কা গুনাথিলাকাকে নিয়ে দলকে এগিয়ে নেয়ার চেষ্টা করেন কুশল মেন্ডিস। তবে তাদের বেশি দূর এগোতে দেননি রাজ্জাক। দলীয় ৯৬ রানে লংকান শিবিরে জোড়া আঘাত হেনে চমক অব্যাহত রাখেন তিনি। পর পর দুই বলে ফিরিয়ে দেন গুনাথিলাকা ও অধিনায়ক দিনেশ চান্দিমালকে। এতে বিপর্যয়ে থেকে লাঞ্চ বিরতিতে যায় অতিথিরা।

লাঞ্চ থেকে ফিরলেও শনির দশা কাটেনি শ্রীলংকার। একের পর এক টপ অর্ডার ব্যাটসম্যান ফিরলেও ভরসা হয়ে টিকেছিলেন মেন্ডিস। অবেশেষে দলীয় ১০৯ রানে বোল্ড করে তাকে ফিরিয়ে পথের কাঁটা সরান রাজ্জাক। ফলে লংকানদের ওপর নেমে আসে চরম বিপর্যয়। ফেরার আগে ৯৮ বলে ১০ চার ও ১ ছক্কায় ৬৮ রানের বীরোচিত ইনিংস খেলেন মেন্ডিস।

এ বিপর্যয়ের মধ্যে নিরোশান ডিকভেলাকে বোল্ড করে ফিরিয়ে শ্রীলংকার টুঁটি চেপে ধরেন তাইজুল। এ অবস্থায় দিলরুয়ান পেরেরাকে নিয়ে প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করেন রোশেন সিলভা। তারা এগুচ্ছিলেনও বেশ। তবে দলীয় ১৬২ রানে পেরেরাকে ফিরিয়ে সেই প্রতিরোধ গুঁড়িয়ে দেন এ বাঁহাতি স্পিনার।