৩ ঘণ্টায়ই শেষ বিএনপির অনশন

../news_img/58855mmm.jpg


মৃদুভাষণ ডেস্ক::কারাবন্দি বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে পূর্ব ঘোষিত বিএনপির ছয় ঘণ্টার অনশন কর্মসূচি পুলিশের অনুরোধে তিন ঘণ্টায় শেষ হয়েছে।

বুধবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০টার আগ থেকেই এ প্রতীকী অনশনে যোগ দিতে প্রেসক্লাবের সামনে জড়ো হতে থাকেন বিএনপি ও ২০ দলীয় জোটের নেতাকর্মীরা। কর্মসূচি চলার কথা ছিল বিকাল ৪টা পর্যন্ত।

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সাড়ে ১১টার পর এই কর্মসূচিতে যোগ দেন। দুপুর ১টার দিকে তিনি কর্মসূচি সমাপ্ত ঘোষণা করেন।

তিনি বলেন, আমাদের অনশন কর্মসূচি বিকেল ৪টা পর্যন্ত করার কথা থাকলেও প্রশাসনের অনুরোধে তা ১টায় শেষ করতে হলো। এ সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক এমাজউদ্দিন আহমেদ অনশন ভাঙান।

এ ছাড়া কল্যাণ পার্টির সৈয়দ মুহামদ ইবরাহিম, খেলাফত মজলিসের মওলানা মোহামদ ইসহাক, এনপিপির ড. ফরিদুজ্জামান ফরহাদ, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আতাউর রহমান ঢালীও কর্মসূচিতে যোগ দিয়েছিলেন।

এর আগে অনশনে অংশ নেন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, ভাইস-চেয়ারম্যান ডা. এজেড এম জাহিদ হোসেন, সংগঠনিক সম্পাদক ফজলুল হক মিলন প্রমুখ।

আরো ছিলেন বিএনপি নেতা চৌধুরী কামাল ইবনে ইউসুফ, নিতাই রায় চৌধুরী, ব্যারিস্টার শাহজাহান ওমর, জয়নাল আবেদিন ফারুক, সৈয়দ মোয়াজেম হোসেন আলাল, খায়রুল কবির খোকন, সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স, সাখাওয়াত হোসেন জীবন, আমিনুল হক, ওবায়দুল ইসলাম, আবদুস সালাম আজাদ, শহিদুল ইসলাম বাবুল, হাবিবুল ইসলাম হাবীব, হাবীবুর রশিদ হাবীব, কাজী আবুল বাশার, আমিনুল ইসলাম প্রমুখ।

এ ছাড়া অঙ্গ দলের সাইফুল আলম নিরব, সুলতান সালাহ উদ্দিন টুকু, মামুনুর রশিদ মামুন, আফরোজা আব্বাস, সুলতানা আহমেদ, হাফেজ এম এ মালেক, নুরুল ইসলাম নাসিম কর্মসূচিতে অংশ নেন।

২০ দলীয় জোটের নেতাদের মধ্যে অংশ নেন মোস্তফা জামাল হায়দার, শাহাদত হোসেন সেলিম, মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, গোলাম মোস্তফা ভুইয়া, হামদুল্লাহ আল মেহেদী, জাতীয় দলের এহসানুল হুদা প্রমুখ।

গত ৮ ফেব্রুয়ারি জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলার রায় ঘোষণা করেন বিশেষ আদালতের বিচারক ডা. মো. আখতারুজ্জামান। রায়ে তিনি সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেন। এ ছাড়া বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ পাঁচ আসামিকে ১০ বছর করে কারাদণ্ড এবং দুই কোটি ১০ লাখ টাকা করে জরিমানা করা হয়।

মামলার অন্য আসামিরা হলেন মাগুরার সাবেক সংসদ সদস্য (এমপি) কাজী সলিমুল হক কামাল, ব্যবসায়ী শরফুদ্দিন আহমেদ, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সাবেক সচিব কামাল উদ্দিন সিদ্দিকী ও প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ভাগ্নে মমিনুর রহমানকে ১০ বছর করে কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। এদের মধ্যে তারেক রহমান, কামাল উদ্দিন সিদ্দিকী ও মমিনুর রহমান পলাতক।