হবিগঞ্জে মহিলা আইপিএম ক্লাব সদস্যরা সফলতার মুখ দেখতে পাচ্ছেন

../news_img/59198 mrini.jpg

মোঃ রহমত আলী, হবিগঞ্জ থেকে :: কৃষিতে সমন্বিত ভালাই ব্যবস্থাপনায় পরিবেশ বান্ধব সৃষ্টির মাধ্যমে খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে বেকার মহিলা চাষিদের নিয়ে পতিত জমিতে সবজি চাষের এমন উদ্যোগে উচ্ছ্বাসিত করেন মাঠে কর্মরত উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মোছাঃ আসমা বেগম। ২৫জন মধ্য বয়সী আগ্রহী প্রান্তিক ও দরিদ্র বেকার মহিলা নিয়ে আই পি এম নামে একটি ক্লাবও গঠন করেন তিনি।
ক্লাবের সদস্যদের সরকারীভাবে প্রশিক্ষণ, নানা জাতের সবজি বীজ ও পরামর্শ দিয়ে সবজি চাষে উৎচাসিত করেন তিনি। এর পর পতিত জমিতে সবজি আবাদ করে নিজেদের পারিবারিক চাহিদা মিটিয়ে উচ্ছিষ্ট সবজি বাজার বিক্রি করে পারিবারের জন্য বাড়তি আয়ও করছেন কার । এ উদ্যোগটি স্থানীয় ভাবে ব্যাপক সারা জাগিয়েছে। 

জানাযায়, হবিগঞ্জ পৌর এলাকধিন তেঘরিয়া আবাসিক এলাকায়২০১৫ সালের জানুয়ারি মাসে ২৫জন মধ্য বয়সের বেকার মহিলা নিয়ে আইপি ক্লাব প্রতিষ্ঠা করেন  আসমা বেগম । সরজমিনে দেখা যায়, খোয়াই নদীর তীরের পরিত্যক্তা চরে তারা আবাদ করছেন মওসুমী সবজি মিষ্টি কুমড়া। কোন প্রকার কীটনাশক ছাড়াই জমিতে লাগানো কুমড়া পোকামাকড় থেকে ফসল রক্ষা করছেন তারা। শুধু পোকা মারা ফাঁদ হিসেবে ব্যবহার করছেন ‘সেক্স ফেরোমন ফাঁদ’। এটিও প্রদর্শনী হিসেবে সরবরাও করে স্থানীয় কৃষি বিভাগ। কথা বলেন ক্লাবের সভাপতি মোছাঃ নাহার বেগম। তিনি জানান, কৃষি কর্মকর্তা মোছাঃ আসমা বেগম  আমাদেরকে পরামর্শদান। তার পরামর্শে আমরা প্রতিষ্ঠা করি আই পি এম ক্লাব।  এরপর থেকে প্রতি মাসে জনপ্রতি ২০০ টাকা হিসেবে আমরা ক্লাবে সঞ্চয় করতে শুরু করি। এখন আমাদের লাভে আসলে মূলধন প্রায় লাখ টাকা হয়েছে। তিনি বলেন, কৃষি কর্মকর্তার পরামর্শ নিয়ে বাড়ির আঙ্গিনা, পতিত জমিতে সমন্বিত বালাই ব্যবস্থার মাধ্যমে বিভিন্ন সবজি উৎপাদন করে নিজেদের চাহিদা মিটিয়ে অতিরিক্ত সবজি স্থানীয় বাজরে বিক্রি করে পরিবারের জন্য বাড়তি আয় করতে পারছি আমরা। কৃষি বিভাগের  কৃষি কর্মকর্তা মোছাঃ আসমা বেগম জানান, উদ্যোগী মহিলাদের সময়ে সময়ে সরকারীভাবে প্রশিক্ষণ, বিনা মূল্যে বিভিন্ন শাকসবজির বীজ ও পরামর্শ প্রদান করা হচ্ছে।