কয়েদি নম্বর ১০৬!

../news_img/59994 mrini.jpg

মৃদুভাষণ ডেস্ক :: দুই দশক আগে রাজস্থানে শুটিংয়ে গিয়ে বেআইনিভাবে দুটি কৃষ্ণসার হরিণ শিকার করেছিলেন সুপারস্টার সালমান খান।

বৃহস্পতিবার সেই মামলায় বলিউড টাইগার এখন খাঁচায় বন্দি। তিনি এখন যোধপুর কেন্দ্রীয় কারাগারের ‘কয়েদি নম্বর ১০৬’।

জেল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, কোনো বিশেষ সুবিধা পাবেন না ‘বন্দি’ সালমান। থাকতে হবে সাধারণ অপরাধীর মতোই।

যোধপুর কেন্দ্রীয় কারাগারেই এখন রয়েছে ধর্ষণে অভিযুক্ত ধর্মগুরু আসারাম বাপু। তার সঙ্গে একই ওয়ার্ডে রয়েছেন সালমান।

দুই নম্বর ব্যারাকের দুই নম্বর সেলে রাখা হয়েছে তাকে। এখানে অবশ্য এর আগে তিন দফায় ১৮ দিন কাটিয়েছেন সালমান। যথাক্রমে ১৯৯৮, ২০০৬ ও ২০০৭ সালে। সব কটি মামলাই হরিণ চোরাশিকারের।

যোধপুরের মুখ্য বিচারিক হাকিম দেব কুমার খাতরি বৃহস্পতিবার এ রায়ে সালমানকে কারাদণ্ড দেয়ার পাশাপাশি ১০ হাজার রুপি জরিমানাও করেছেন।

রায়ে বিচারক বলেন, আসামি যেহেতু একজন চলচ্চিত্র তারকা, মানুষ যেহেতু তাকে দেখে, তাকে অনুসরণ করে আর আসামি যেভাবে নিষ্পাপ হরিণ হত্যা করেছে আর সেটি যেহেতু অবৈধ, সেহেতু তাকে এ সাজা দেয়া হয়েছে।-খবর বিবিসি অনলাইনের।

এ সময়ে আদালত তাকে স্বভাবসিদ্ধ অপরাধী বলে আখ্যায়িত করেন।

মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, ১৯৯৮ সালে হাম সাথ সাথ হ্যায় সিনেমায় শুটিংয়ে যোধপুরে গিয়ে অবৈধ অস্ত্র ব্যবহার করে সংরক্ষিত বনে বিরল প্রজাতির দুটি হরিণ শিকার করেছেন তিনি।