কারাগারে খাবার খাচ্ছেন না সালমান খান

../news_img/60001 mrini.jpg

যোধপুর কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দি বলিউড সুপারস্টার খাবার খাচ্ছেন না।

বৃহস্পতিবার রাতে তাকে রুটি-ডাল ও সবজি খেতে দিয়েছিল কারাকর্তৃপক্ষ। কিন্তু তা খাননি সালমান খান।

শুক্রবার সকালে চা ও খিচুড়ি খেতে দেয়া হলেও তাও ফিরিয়ে দেন ৫২ বছরের এ অভিনেতা।

কিন্তু তার জন্য বাইরে থেকে খাবার আনার অনুমতি দেয়নি কর্তৃপক্ষ। ফলে কারাগারে না খেয়েই দিন কাটছে 'ভাইজান'খ্যাত এ সুপারস্টারের।

দুটি কৃষ্ণসার হরিণ হত্যার ঘটনায় সালমানকে বৃহস্পতিবার সকালে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন রাজস্থানের যোধপুর আদালত।

এ মামলায় খালাস পেয়েছেন সালমানের সহঅভিনেতা সাইফ আলী খান, টাবু, নীলম ও সোনালি বেন্দ্রে।

রায় ঘোষণার পর বিকালে সালমানকে যোধপুর কেন্দ্রীয় কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তার পরিচয় কয়েদি নম্বর ১০৬। তাকে কারাগারের ২ নম্বর ওয়ার্ডে রাখা হয়েছে।

জানা গেছে, ২০০৭ সালে কৃষ্ণসার হরিণ হত্যা মামলায় কয়েক দিনের জন্য সালমান খান কারাবন্দি ছিলেন।

তখন কারাগারের ভিআইপি সুবিধা পেলেও এবার তাকে থাকতে হচ্ছে সাধারণ কয়েদির মতোই।

যোধপুর কারাগারের ডিআইজি বিক্রম সিং বলেন, সালমান খানের উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা রয়েছে। বৃহস্পতিবার বিকালে কারাগারে আনার পর তার রক্তচাপ বেশি ছিল। পরে কারা চিকিৎসক তাকে পরীক্ষা করেন। রক্তচাপ স্বাভাবিক হয়ে আসার পর তার শরীরে আর কোনো সমস্যা পাওয়া যায়নি।

জানা গেছে, কারাগারের ২ নম্বর ওয়ার্ডে সালমান ও ধর্ষকবাবা আসারাম বাপুকে পাশাপাশি সেলে রাখা হয়েছে।

কারা কর্মকর্তা বিক্রম সিং জানান, কারাগারে সালমানকে সাধারণ কয়েদি হিসেবে রাখা হয়েছে। তাকে বিশেষ সুযোগ-সুবিধা দেয়া হচ্ছে না।

তবে নিয়মানুযায়ী, সালমানের সেলে সাধারণ কাঠের বিছানা, কম্বল ও শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্রের ব্যবস্থা রয়েছে।

বৃহস্পতিবার রাতে কারাগারে এসে একজন দেহরক্ষী সালমানকে তার পোশাক দিয়ে গেছেন। তবে শুক্রবার থেকে তাকে কয়েদির পোশাক পরতে হবে।

কৃষ্ণসার হরিণ হত্যা মামলার রায় জানতে মুম্বাই থেকে সালমানের সঙ্গে যোধপুরে এসেছিলেন তার দুই বোন আলভিরা ও অর্পিতা।

ভাইকে কারাগারে নিয়ে যাওয়ার পর তারা যোধপুরেই আছেন। শুক্রবার তাদের সঙ্গে এসে যোগ দেবেন দুই ভাই আরবাজ ও সোহেল খানসহ পরিবারের অন্য সদস্যরা।