পুরোনো দলের বিপক্ষে ব্যাটে-বলে নায়ক সাকিব

../news_img/60156 mrini.jpg

মৃদুভাষণ ডেস্ক :: সাকিব আল হাসানের জন্য ম্যাচটি ছিল আইপিএলে ঘরে ফেরার মত। আইপিএলে নিজের আগের সব মৌসুমে খেলেছেন কলকাতা নাইট রাইডার্সে। ইডেন গার্ডেনস ছিল ঘরের মাঠ। নতুন দল সানরাইজার্স হায়দরাবাদের হয়ে সেই ইডেনে ফেরাটাকে ব্যাটে-বলে রাঙালেন সাকিব। পুরোনো দলের বিপক্ষে নতুন দলের জয়ের মূল নায়ক তিনিই।

আইপিএলে শনিবার কলকাতা নাইট রাইডার্সকে ৫ উইকেটে হারিয়েছে সানরাইজার্স হায়রাবাদ। কলকাতাকে ১৩৮ রানে আটকে রেখে হায়দরাবাদ জিতেছে এক ওভার বাকি রেখে।

আইপিএলের সব মৌসুম মিলিয়ে এই প্রথম ইডেনে কলকাতাকে হারাতে পারল হায়দরাবাদ। সেই জয়ে বড় ভূমিকা ছিল সাকিবের। ৪ ওভারে ২১ রানে ২ উইকেট নেওয়ার পর ব্যাট হাতে গুরুত্বপূর্ণ সময়ে খেলেছেন ২১ বলে ২৭ রানের ইনিংস।

পুরোনো দলকে বল হাতে প্রথমে ভোগান সাকিব। নিজের প্রথম দুই ওভারে নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে দিয়েছিলেন ৭ রান। তৃতীয় ওভারে আউট করেন বিপজ্জনক নারাইনকে।

সানরাইজার্সের সামনে তখন বড় বাধা হয়ে ছিলেন লিন। ওপেন করতে নেমে এই অস্ট্রেলিয়ান ব্যাটসম্যান খেলছিলেন দারুণ। নিজের শেষ ওভারে অসাধারণ ফিরতি ক্যাচে লিনকে ফেরান সাকিব। বাঁদিকে ঝাঁপিয়ে এক হাতে ক্যাচ নেন ক্যাচটি। ৩৪ বলে লিন করেছেন ৪৯ রান।

এই নিয়ে এবারের আইপিএলে তিন ম্যাচে সাকিবের উইকেট হলো পাঁচটি।

৮ উইকেটে কলকাতা করতে পারে ১৩৮ রান। সাকিবের মতোই ২১ রানে ২ উইকেট নেন বিলি স্ট্যানলেক। ২৬ রানে ৩ উইকেট নেন ভুবনেশ্বর কুমার।

রান তাড়ায় ওপেনিংয়ে ঋদ্ধিমান সাহা ১৫ বলে ২৪ রান করলেও এক পর্যায়ে বিপদে পড়ে গিয়েছিল হায়দরাবাদ। শিখর ধাওয়ান ফেরেন ৭ রানে, মনিশ পান্ডে করেন ৪। ৫৫ রানে হায়দরাবাদ হারায় ৩ উইকেট।

এরপরই কেন উইলিয়ামসনের সঙ্গে সাকিবের জুটি। ৫৯ রানের এই জুটি দলকে এগিয়ে নেয় জয়ের পথে। আন্দ্রে রাসেলের এক ওভারেই দুটি চার ও একটি ছক্কাসহ সাকিব করেন ২৭। বোল্ড হন পিযুষ চাওলাকে বেরিয়ে এসে খেলতে গিয়ে।

এই ইনিংসের পথেই বাংলাদেশের প্রথম ব্যাটসম্যান হিসেবে টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে ছাড়িয়ে যান ৪ হাজার রানের মাইলফলক।

উইলিয়ামসন আউট হন ৪৪ বলে ৫০ রানে। তবে হায়দরাবাদের জিততে সমস্যা হয়নি। ৭ বলে অপরাজিত ১৭ রানের ইনিংসে ম্যাচ শেষ করেন ইউসুফ পাঠান।

এ নিয়ে টানা তিন জয়ে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে আপাতত হায়দরাবাদ।