নবীগঞ্জ পৌরসভার ৭টি পদে ‘অবৈধ নিয়োগ’ বাতিলের দাবীতে জেলা প্রশাসক বরাবর অভিযোগ প্রেরন

../news_img/60244 mrini.jpg

উত্তম কুমার পাল হিমেল, নবীগঞ্জ(হবিগঞ্জ) থেকে ::  নবীগঞ্জ পৌরসভার ৭টি পদে নিয়োগ পরীক্ষায় অনিয়ম, দূর্নীতি ও স্বজনপ্রীতির অভিযোগ এনে হবিগঞ্জ জেলা প্রশাসক বরাবর ‘অবৈধ নিয়োগ’ বাতিলের আবেদন করেছেন নিয়োগ পরীক্ষায় বঞ্চিতরা। আজ বৃহস্পতিবার সকালে নবীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার মাধ্যমে হবিগঞ্জ জেলা প্রশাসকের নিকট এ অভিযোগটি প্রেরণ করা হয়।

অভিযোগের প্রেক্ষিতে প্রকাশ, চলতি বছরের ৩১ জানুয়ারী পত্রিকার মাধ্যমে ওই পৌরসভার সার্ভেয়ার, সহকারী এ্যাসেসর, সহকারী লাইসেন্স পরিদর্শক, হিসাব সহকারী, নিম্নমান সহকারী কাম-মুদ্রাক্ষরিক, ট্রাক চালক, অফিস সহায়কসহ ৭টি পদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয়। এরই প্রেক্ষিতে ২৫ ফেব্রুয়ারী পর্যন্ত ৭টি পদের বিপরীতে প্রায় ৩ শ ৮৬ জন শিক্ষার্থী আবেদন করেন। পরবর্তীতে চারিত্রিক সনদসহ অন্যান্য কাগজপত্রে সিল স্বাক্ষরে ক্রটিসহ বিভিন্ন অজুহাতে প্রায় ১ শত ৪২ জনের আবেদন বাতিল করে কর্তৃপক্ষ। অবশিষ্ট ২ শ ৪৪ জনের লিখিত ও মৌখিত পরীক্ষায় অংশ গ্রহনের জন্য প্রবেশ পত্র দেয়া হয়। এরই ধারাবাহিকতায় গত ১৩ এপ্রিল শুক্রবার সকাল ১০ টায় লিখিত পরীক্ষা নেওয়া হয়। তড়িগরি করে লিখিত পরীক্ষার ফলাফল মাত্র কয়েক ঘন্টার মধ্যেই প্রকাশ করে এবং ওইদিন গভীর রাত পর্যন্ত মৌখিক পরীক্ষা নেয়া হয়।

অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, একদিন পরেই পূর্বের সিদ্ধান্ত অনুযায়ীই প্রকৃত মেধাবীদের বঞ্চিত করে পৌর মেয়র আলহাজ্ব ছাবির আহমদ চৌধুরী’র চাচাতো ও মামাতো ভাইসহ মেয়রের নিজস্ব লোকদের সম্পূর্ণ অনৈতিকভাবে ৭ টি পদেই নিয়োগ দেয়া হয়েছে। এ ফলাফল প্রকাশের সাথে সাথে উক্ত ‘অবৈধ’ নিয়োগ মেনে নিতে পারেননি পরীক্ষায় অংশগ্রনকারীরা। তারা কোন উপায় না পেয়ে গত রোববার দুুপুরে নবীগঞ্জ শহরের নতুন বাজার মোড় থেকে বিভিন্ন লেখা সম্বলিত প্লে-কার্ড নিয়ে বিক্ষোভ মিছিল করে পৌরসভা কার্যালয় ঘেরাও করে।

অপরদিকে, গত সোমবার সন্ধায় নবীগঞ্জ পৌর মেয়র আলহাজ্ব ছাবির আহমেদ চৌধুরী নিজ কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করেও এমন দাবীই করেছেন।

এ ব্যাপারে হবিগঞ্জ জেলা প্রশাসক মাহমুদুল কবীর মুরাদের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, ঘটনাটি শুনেছেন, অভিযোগ পেলে তদন্তপূর্বক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।