সুনামগঞ্জে ১০ হাজার টাকায় দায়মুক্তি পাওয়া শিশু কন্যার ধর্ষক সেই নয়ন দাস অবশেষে গ্রেফতার!

../news_img/map sunamgonj.jpg

সিলেট প্রতিনিধি :: প্রথম শ্রেণীতে পড়–য়া (৭) বছরের শিশু কন্যাকে ধর্ষণকারী সেই নয়ন দাসকে (২১) পুলিশ সোমবার রাতে গ্রেফতার করেছে।  নয়ন উপজেলার ফতেহপুর ইউনিয়নের পিরিজপুর গ্রামের প্রভাবশালী উপানন্দ দাসের ছেলে।’
গ্রাম্য সালিশী ও মাতব্বরদের বাঁধা উপেক্ষা করে ঘটনার ৯ দিন পর ভিকটিমের মা বাদী হয়ে সোমবার বিকেলে থানায় নয়ন দাসের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন।

উল্লেখ্য যে,  বিশ্বম্ভরপুরের পিরিজপুর গ্রামের হত দরিদ্র পরিবারের প্রথম শ্রেণীতে পড়–য়া ৭ বছরের শিশু কন্যাকে গত ২১ এপ্রিল বিকেলে বাড়ির উঠেনে খেলাধুলা করার সময় চতুর নয়ন মোবাইল ফোনে গান শোনাবার কথা বলে পাশ্ববর্তী পিরিজপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এক শ্রেণী কক্ষে নিয়ে আটকে রেখে ধর্ষণ করে। শিশু কন্যা বাড়ি ফিরে এসে পরিবারর ও প্রতিবেশীদেও নিকট ঘটনা খুলে বলে। ওই রাতে নয়নের পক্ষে গ্রামের একদল সালিশীদের দিয়ে সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাসেবা ও থানায় আইনি ব্যবস্থা নিতে বাধা প্রদান করে। পরবর্তীতে কথিত সালিসের নামে গ্রাম্য মাতব্বররা ঘটনা ধাচাঁপা দিকে স্থানীয় ইউপি সদস্য আবদুল হেকিম ও মন্টু ভট্রাচার্য্য নামের এক ব্যাক্তির সভাপতিত্বে গত বুধবার সন্ধায় স্কুলের বারান্দায় গ্রামবাসীর উপস্থিতিতে সালিসে বসে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করে ধর্ষক নয়ককে দায় মুক্তি দেন।’ সালিসে নয়ন উপস্থিত না করেই সালিস নামের নাঠক করেন গ্রাম্য মাতব্বরগণ। কিন্তু ভিকটিমের পিতা-মাতা সালিসের রায় প্রত্যাখ্যান করেন।’

সরজমিনে গিয়ে সোমবার ঘটনার সত্যতা খুজে পেয়ে বিকেলে ভিকটিমের মাকে পুলিশ থানায় ডেকে নিয়ে এসে নয়নের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করানোর পর রাতেই নয়নকে পুলিশ গ্রেফতার করে।’

বিশ্বম্ভরপুর থানার ওসি মোল্লা মো মনির হোসেন মঙ্গলবার সকালে বলেন, আমরা ঘটনার খোঁজ খবর নিয়ে ঘটনার সত্যতা পেয়েই ভিকটিমের মায়ের অভিযোগের প্রেক্ষিতে  মামলাটি গ্রহন করেছি।’অভিযুক্ত নয়ন দাসকে রাতেই পুলিশ গ্রেফতার করেছে।