নবীগঞ্জে পানি নিষ্কাশনের খাল বন্ধ করে দিয়েছে এক প্রভাবশালী, অর্ধশতাধিক পানি বন্দি

../news_img/60853 mri nu.jpg

নবীগঞ্জ প্রতিনিধি :: নবীগঞ্জ উপজেলার আউশকান্দি ইউনিয়নের বনগাও গ্রামে পানি নিষ্কাশনের খাল জোর পুর্বক দখল করে নিয়েছে ওই গ্রামের আব্দুল হাই নামে এক প্রভাবশালী এক ব্যক্তি। এর ফলে গত কয়েক দিন ধরে আশপাশের ৭/৮ পরিবারের অন্তত অর্ধশতাধিক মানুষ বাড়ীর আঙ্গিনা ও রাস্তায় পানি বন্ধি অবস্থায় মানবেতর জীবন যাপন করছেন। দখলকার ব্যক্তি প্রভাবশালী হওয়ার গ্রামের মানুষ কোন কিছুই করতে পারছেন না। একাধিক বার গ্রামে সালিশ সভা বসলে ও কোন কর্নপাত করছেন না আব্দুল হাই ও তার পরিবার।

এলাকাবাসী সুত্রে জানাযায়, উপজেলার ওই গ্রামের প্রবাসী পরিবারের ব্যক্তি মৃত আয়াত উল্লাহর ছেলে আব্দুল হাই গত কয়েকদিন পুর্বে তার বাড়ীর বাউন্ডারী দেয়ালের বাইরে তার জায়গা রয়েছে দাবী করে ভাড়াটিয়া লোক এনে গ্রামের ৭/৮ টি পরিবারের পানি নিষ্কাশনের একমাত্র ওই পথ খালটি মাটি দিয়ে জোর পুর্বক ভরাট করে নিষ্কাশন পথ বন্ধ করে দিয়েছে। এ সময় গ্রামের লোকজন বাদা দিলে আব্দুল হাই তাদের কথায় কোন কর্নপাত করেনি। বীরদর্পের মতোই খালটি দখল করে নিয়েছে। এ সময় ওই বাড়ীতে নবীগঞ্জ থানার একজন দারোগা পুলিশ নিয়ে অবস্থান করছিলেন। এ কারনে পুলিশের ভয়ে ও অনেকে ওই জায়গা দিয়ে যায়নি বলে জানা গেছে। এর ফলে ওই গ্রামের জুয়েল মিয়া, মানিক মিয়া, বারিক মিয়া, ছনর উদ্দিন, শামসুদ্দিন, হাফিজ উদ্দিন, পরাছ মিয়া, মস্তাব উল্লাহর বাড়ীর আঙ্গিনা ও মানুষ চলাচলের একমাত্র রাস্তাটি সামান্য বৃষ্টিপাত হলেই পানি বন্ধি অবস্থায় থাকতে হচ্ছে। ঘটনার পর প্রায় সপ্তাহ খানেক সময় ধরে অন্তত অর্ধশতাধিক মানুষ রয়েছেন পানি বন্ধি অবস্থায়।

এলাকাবাসী আরো জানান আব্দুল হাইয়ের ৪ ভাই ইউরোপের বিভিন্ন দেশে বসবাস করার সুবাধে তাদের প্রচুর টাকা পয়সা রয়েছে। এ জন্য সে পুলিশ প্রশাসনকে ম্যানেজ করে এলাকায় আরো অনেক বড় বড় ঘটনা করে যাচ্ছে কোন প্রতিবাদ করতে পারেছনা। এ ব্যাপারে গ্রামের নিরীহ লোকজন তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার জন্য প্রশাসনের উর্দ্বত্তন কর্তৃপক্ষের সু-দৃষ্টি কামনা করছেন।
নবীগঞ্জে পানি নিষ্কাশনের খাল বন্ধ করে দিয়েছে এক প্রভাবশালী, অর্ধশতাধিক পানি বন্দি

নবীগঞ্জ প্রতিনিধি :: নবীগঞ্জ উপজেলার আউশকান্দি ইউনিয়নের বনগাও গ্রামে পানি নিষ্কাশনের খাল জোর পুর্বক দখল করে নিয়েছে ওই গ্রামের আব্দুল হাই নামে এক প্রভাবশালী এক ব্যক্তি। এর ফলে গত কয়েক দিন ধরে আশপাশের ৭/৮ পরিবারের অন্তত অর্ধশতাধিক মানুষ বাড়ীর আঙ্গিনা ও রাস্তায় পানি বন্ধি অবস্থায় মানবেতর জীবন যাপন করছেন। দখলকার ব্যক্তি প্রভাবশালী হওয়ার গ্রামের মানুষ কোন কিছুই করতে পারছেন না। একাধিক বার গ্রামে সালিশ সভা বসলে ও কোন কর্নপাত করছেন না আব্দুল হাই ও তার পরিবার।

এলাকাবাসী সুত্রে জানাযায়, উপজেলার ওই গ্রামের প্রবাসী পরিবারের ব্যক্তি মৃত আয়াত উল্লাহর ছেলে আব্দুল হাই গত কয়েকদিন পুর্বে তার বাড়ীর বাউন্ডারী দেয়ালের বাইরে তার জায়গা রয়েছে দাবী করে ভাড়াটিয়া লোক এনে গ্রামের ৭/৮ টি পরিবারের পানি নিষ্কাশনের একমাত্র ওই পথ খালটি মাটি দিয়ে জোর পুর্বক ভরাট করে নিষ্কাশন পথ বন্ধ করে দিয়েছে। এ সময় গ্রামের লোকজন বাদা দিলে আব্দুল হাই তাদের কথায় কোন কর্নপাত করেনি। বীরদর্পের মতোই খালটি দখল করে নিয়েছে। এ সময় ওই বাড়ীতে নবীগঞ্জ থানার একজন দারোগা পুলিশ নিয়ে অবস্থান করছিলেন। এ কারনে পুলিশের ভয়ে ও অনেকে ওই জায়গা দিয়ে যায়নি বলে জানা গেছে। এর ফলে ওই গ্রামের জুয়েল মিয়া, মানিক মিয়া, বারিক মিয়া, ছনর উদ্দিন, শামসুদ্দিন, হাফিজ উদ্দিন, পরাছ মিয়া, মস্তাব উল্লাহর বাড়ীর আঙ্গিনা ও মানুষ চলাচলের একমাত্র রাস্তাটি সামান্য বৃষ্টিপাত হলেই পানি বন্ধি অবস্থায় থাকতে হচ্ছে। ঘটনার পর প্রায় সপ্তাহ খানেক সময় ধরে অন্তত অর্ধশতাধিক মানুষ রয়েছেন পানি বন্ধি অবস্থায়।

এলাকাবাসী আরো জানান আব্দুল হাইয়ের ৪ ভাই ইউরোপের বিভিন্ন দেশে বসবাস করার সুবাধে তাদের প্রচুর টাকা পয়সা রয়েছে। এ জন্য সে পুলিশ প্রশাসনকে ম্যানেজ করে এলাকায় আরো অনেক বড় বড় ঘটনা করে যাচ্ছে কোন প্রতিবাদ করতে পারেছনা। এ ব্যাপারে গ্রামের নিরীহ লোকজন তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার জন্য প্রশাসনের উর্দ্বত্তন কর্তৃপক্ষের সু-দৃষ্টি কামনা করছেন।

এ ব্যাপারে অভিযুক্ত আব্দুল হাইয়ের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান আমি কারো কোন পানি নিষ্কাশন পথ বন্ধ করিনি। আমি আমার মালিকানাধিন জায়গাতে কিছু মাটি ভরাট করে কয়েকটি গাছের ছারা রোপন করেছি।

এ ব্যাপারে অভিযুক্ত আব্দুল হাইয়ের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান আমি কারো কোন পানি নিষ্কাশন পথ বন্ধ করিনি। আমি আমার মালিকানাধিন জায়গাতে কিছু মাটি ভরাট করে কয়েকটি গাছের ছারা রোপন করেছি।