১০ বছরে কোনো জিনিসপত্রের দাম বাড়েনি: অর্থমন্ত্রী

../news_img/60948 mri nu.jpg


মৃদুভাষণ ডেস্ক :: দেশে গত ১০ বছরে কোনো ধরনের জিনিসপত্রের দামই বাড়েনি বলে দাবি করেছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত।

অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘আমি দেশবাসীকে এ সুসংবাদ দিতে চাই যে, গত ১০ বছরে দেশে কোনো ধরনের জিনিসপত্রের দাম বাড়েনি। এবারও বাজেটের পর জিনিসপত্রের দাম বাড়বে না।’

সোমবার বিকালে সচিবালয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে সাংবাদিকদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় এ কথা বলেন অর্থমন্ত্রী।

আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেন, সিগারেট ও মোবাইল কোম্পানিগুলোর জন্য ট্যাক্সের কোনো হেরফের হবে না। আগেও ৪৫ শতাংশ ছিল এবারও একই পরিমাণ থাকবে। তবে ব্যাংকসহ আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর সর্বোচ্চ কর্পোরেট ট্যাক্স হবে ৩৭.৫ শতাংশ।

ভ্যাটের স্তরের বিষয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, এবারের বাজেটে ভ্যাট ৯ স্তর থেকে ৫ স্তরে নামিয়ে আনার পরিকল্পনা রয়েছে।

অর্থমন্ত্রী ইনকাম ট্যাক্স, ভ্যাট ও ভ্যাটের হার, রোহিঙ্গা ইস্যুসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাব দেন। এক প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, এবারের বাজেটে রোহিঙ্গাদের জন্য ৪০০ কোটি টাকার মতো বরাদ্দ থাকছে।

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মুহিত বলেন, খুশির ব্যাপার হল দেয়ার ইজ ভেরি লিমিটেড ইনক্রিজিং ট্যাক্স রেইট, হ্যাপিয়েস্ট থিংগস ফর দি পিপল, দ্যাটস অল।

মুহিত বলেন, আমাদের রাজস্ব আহরণকারী সংস্থা এনবিআরের লোকজনের মন-মানসিকতায় পরিবর্তন হয়েছে। হয়রানি কমে গেছে, প্রসেস সহজ হওয়ায় আয় বাড়ছে।

তিনি বলেন, আমরা লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছিলাম আয়কর রিটার্ন দাখিলকারীর সংখ্যা হবে ১৫ থেকে ২০ লাখ। কিন্তু সেটা ইতোমধ্যে ৩৩ লাখ ছাড়িয়ে গেছে। এটা আগামীর জন্য খুব আশা জাগানিয়া বিষয়। আরও ভালো দিন হচ্ছে, নতুন করদাতাদের অধিকাংশই ইয়াং পিপল।

অর্থমন্ত্রী বলেন, কোন লেভেল থেকে ট্যাক্স নেওয়া হবে, গতবারও চেইঞ্জ হয়নি, এবারও হবে না। অনেক দেশে এটি চেইঞ্জ করা হয় না। অলরেডি ভেরি হাই.. বার বার বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তা আমি দেখি না।

এদিকে অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্র জানিয়েছে, মঙ্গলবার থেকে জাতীয় সংসদের বাজেট অধিবেশন শুরু হচ্ছে। ৭ জুন বৃহস্পতিবার দুপুর সাড়ে ১২টায় অর্থমন্ত্রী আগামী ২০১৮-১৯ অর্থবছরের বাজেট পেশ করবেন। ৮ জুন শুক্রবার অর্থমন্ত্রী বাজেটোত্তর সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেবেন।

বাজেটের আকার নিয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, এবারের বাজেটের আকার হবে ৪ লাখ ৬৮ হাজার কোটি টাকার মতো।