২০১৮ সালে যার লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৭ শতাংশ।

../news_img/61286 mri.jpg

বাংলাদেশে আইএমএফ মিশনের প্রধান দাইসুকা কিহারা বলেন, এক দশক ধরে বাংলাদেশের গড় প্রবৃদ্ধির হার ৬ শতাংশ রয়েছে। এতে মাথাপিছু আয় বেড়েছে। মন্থরভাবে দরিদ্রতা কমেছে। এছাড়া লিঙ্গ বৈষম্য ও মাতৃ-মৃত্যুর হারের মতো সামাজিক সূচকগুলোতেও বাংলাদেশ উন্নতি করেছে। কিহারা বলেন, তৈরি পোশাক শিল্পে দ্রুত উন্নতির মাধ্যমে বাংলাদেশ কৃষিভিত্তিক অর্থনীতির দেশ থেকে উৎপাদন ভিত্তিক অর্থনীতির দেশে রূপান্তরিত হচ্ছে।

আইএমএফ এর বার্ষিক প্রতিবেদনে অবকাঠামোগত উন্নয়ন, বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ও চূড়ান্তভাবে আরো কর্মসংস্থান সৃষ্টির জন্য বিনিয়োগ বাড়ানো প্রতি গুরুত্বারোপ করা হয়। আইএমএফ বলেছে, বাংলাদেশে অবকাঠামোগত বিনিয়োগ বাড়ানোর জন্য আরো রাজস্ব দরকার। কিন্তু দেশের রাজস্ব জিডিপি’র মাত্র ৯ শতাংশ। যা নিতান্তই সামান্য। অথচ প্রাকৃতিক সম্পদহীন, নিম্নআয়ের দেশগুলোতেও গড় রাজস্ব করের হার থাকে প্রায় ১৫ শতাংশ।

বাংলাদেশের ব্যাংক খাতের বিষয়ে আইএমএফ বলেছে, বাংলাদেশে এখনো কোম্পানিগুলোতে আর্থিক সহায়তার প্রধান উৎস ব্যাংক। প্রবৃদ্ধির জন্য ব্যাংকগুলোর ঋণ প্রদানের সক্ষমতা বৃদ্ধি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এছাড়া ব্যাংকের অভ্যন্তরীণ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে ব্যাংক খাতকে আরো কার্যকর করা সম্ভব। একই সঙ্গে কর্তৃপক্ষের উচিত, বিদ্যমান নীতিমালা যথাযথভাবে অনুসরণ করা। ক্ষুদ্রঋণ ও মোবাইল ব্যাংকিংয়ের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ অগ্রগামী ভূমিকা রাখছে বলেও জানিয়েছে আইএমএফ।

রোহিঙ্গা সংকটের বিষয়ে আইএমএফ এর প্রধান বলেন, সরকার সীমান্ত খুলে দিয়েছে এবং খুব অল্প সময়ের মধ্যে প্রায় ৭ লাখ শরণার্থীকে আশ্রয় দিয়েছে। তবে শরণার্থীদের জন্য অপর্যাপ্ত বরাদ্দের কথা উল্লেখ করেন তিনি। বলেন, এখন পর্যন্ত তাদের জন্য বরাদ্দ সীমিত। তবে এসব শরণার্থীদের আর্থিক সহায়তা করার জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে ধন্যবাদ জানান তিনি।