পাইলটই আসেননি

../news_img/61339 mri.jpg

মৃদুভাষণ ডেস্ক :: ‘সন্ধ্যা ৭টায় আমার ফ্লাইট। ফ্লাইট নম্বর বিজি ০১৩৫। যানজটের সঙ্গে লড়াই করে হন্তদন্ত হয়ে যথাসময়ে বিমানবন্দরে এলাম। বোর্ডিং করার পর জানলাম ফ্লাইট বিলম্বিত। অন্তত অধাঘণ্টা তো দেরি হবেই। কিন্তু কারণ কী? ’

নিজের ফেসবুক পেজে এমন একটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন ফ্রিল্যান্স কলামিস্ট শরীফুল হাসান।

তিনি স্ট্যাটাসে আরও লিখেছেন, ‘৭টায় যেহেতু ফ্লাইট ছাড়ার কথা সব ইফতারির প্যাকেট বিমানে তোলা হয়েছিল। এখন শেষ মুহূর্তে প্লেন থেকে আবার সব ইফতার নামানো হয়েছে। আজানের পর তা দেয়া হচ্ছে। লোকজন বোর্ডিং লাইনে দাঁড়িয়ে ইফতার করছে।

খোঁজ নিলে ক্রুরা জানালেন, পাইলট এখনো আসেননি। ভয়ঙ্কর খবর হলো পাইলট যে যথাসময়ে আসবেন না সেটা নাকি কাউকে জানাননি। বিমানের ক্রুরাও নাকি জানেন না। বিমানের ক্যাপ্টেনের নাম ইলিয়াছ। তবে ক্রুরাও নাকি কেউ কেউ নির্ধারিত সময়ে আসেননি।

হায়রে দেশ। বিষয়টা হলো, রাষ্ট্রের উড়োজাহাজ বলে নানা সংকটের পরেও সব সময় আমার প্রথম পছন্দ বিমান। কিন্তু তাই বলে এত দায়িত্বহীনতা? আর ঘণ্টাখানেক দেরি যাত্রীদের কাউকে কিছু জানাবেন না? একটা ঘোষণাও দেবেন না?

আমি না হয় চট্টগ্রাম যাব। কিন্তু শত শত যাত্রী যাবেন জেদ্দা। ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম হয়ে এটা জেদ্দা যাবে। ওমারহর যাত্রী, নারী, শিশু তাদের কথা ভাবুন।

এত বড় বোয়িং। নতুন ফ্লাইট। তবু সেবার এই বেহাল দশা।

কেন এ দেশের রেল, বিমান কোটি কোটি টাকা লোকসান করে সেটা বুঝতে জ্ঞানী হওয়া লাগে না। কিন্তু তাই বলে জবাবদিহির কোনো সংস্কৃতি কী থাকবে না?’