এবার গারো কন্যার অসহায় আত্মনার্ত!

../news_img/saidul.jpg

এম.সাইদুল ইসলাম: আমাদের মূল্যবোধ কোথায়, কোথায় আমাদের স্বাধীকার চেতনা। একটি মেয়ে তার কর্মস্থল থেকে বাসে করে বাড়ি যাচিছল। নরপিশাচদের আঁচড়ে রক্তাক্ত হতে হলো তাকে। যে মা তার মেয়ের জন্য ভাত বেরে বসে আছে প্রিয় সন্তানের প্রতীক্ষায়, মুহুত্বের মধ্যে তার সেই প্রতীক্ষা রূপ নিলে একটি ঝড়ে। সে গারো মেয়ে এটি তার বড় পরিচয় নয়। সে এই বাংলাদেশের মেয়ে, এই জন্মভূমির মেয়ে। সে আমাদের বোন, আমাদের বন্ধু, আমাদের কলিগ, আমাদের প্রতিবেশী। হতে পারে একজন মা। এই দেশ, এই মানচিত্র, এই সবুজ পতাকা, এই ভিষন২০২০ কার জন্য। হে পুরুষ তুই আর কত নিচে নামবি।

বারবার এই অসভ্যতামির শেষ কোথায়। কোথায় আজ ঢাকা বিশ্ব বিদ্যালয়ের সূর্যসন্তানরা যারা ৫২, ৬৯ থেকে ৯০ পর্যন্ত রাজ পর্যন্ত রাজপথ কাঁপিয়ে পাকিস্তানি হায়েনাদের রক্ত চক্ষুকে এড়িয়ে অধিকার ফিরিয়ে এনেছিল। আবার সেই টি.এস.সির সন্তানেরা জ্বলে উঠে ২০০৭ সালে জাতির ভাগ্য বদলাতে।

কেন এত মিডিয়া, কিসের এত বাজেট, কিসের এত আয়োজন। যেখানে ৭-১০ বছরের মেয়েকে বাঁধন হারা উল্লাসে সবুজ মাঠের গানের পাখি হয়ে গুরে বেড়ানোর কথা, টই টই করে দস্যি মেয়ের মতে কারো লিচু, জাম, আম কুঁড়িয়ে খাবার কথা আজ ছোট্ট খুকুটিকে আতঙ্কে থাকতে হয় নানা ধরণের নিয়ে । এটি কি? কেন তাকে এই শব্দের সাথে পরিচিত হতে হচেছ। কারণ মেয়েটি ইচ্ছে করলে আজ ছোট খুকি হিসেবে থাকতে পারছে না। আজ ছোট্ট খুকুটিকে তার নিরাপত্তার কথা চিন্তা করতে হয়। কোথায় আজ নিরাপত্তা।

সবচেয়ে অবাক লাগে যে এই দেশের প্রধান মন্ত্রী একজন নারী। আর সবচেয়ে বড় কথা সেই মেয়েটি আমাদের কারো না কারো বোন, মেয়ে, স্ত্রী, বন্ধু। আপনি কি আপনার স্ত্রীর, বোনের এবং বন্ধুর আত্মচিৎকার সহ্য করতে পারবেন। পারবেন না। না পারবে না। কারণ আপনি মানুষ। আর এই মানুষরাই কিন্তু অনেক বেশি এখনো। এই বাংলাদেশকে এত তাড়াতাড়ি অসভ্যদের অভয়ারণ্য হতে দিবো না এই আমরা মানুষরা। ৫২ এর মতে রক্ত দিতে হবে না। দরকার হবে না ৯ মাস রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের। শুধু চাই হাতে হাত রেখে গণ প্রতিরোধ। সামাজিক শৃঙ্খলার জন্য চাই নৈতিক মূল্যবোধের পরিবর্তন।

 

মূল কথা:

আর প্রশাসন কেন নীরব। তাহলে কি ধরে নিবে এই নষ্ট, নরপিশাচরা আমাদের মাননীয় এস.পি. ডি.সি. আইজিপি, স্বরাষ্ট মন্ত্রীদের সন্তান, শালা। যদি তাই হয় তাহলে মনে রাখবেন আপনাদের কেবল সন্তান, শালা নয় আপনাদের আদরের কন্যা আছে, আছে প্রিয় শালী। সুতরাং যাই করেন সেই মনিপুর, ভিকারুন নেছা, স্বিদ্ধেশ্বরী গার্লস কলেজ পড়ুয়া আপনার সেই অতি আদরের কন্যা খুকি আর প্রিয় শ্যালিকা কে বাঁচাতে পারবেন নরপিশাচদের আঁচড় থেকে। যদি তাই না হয় তবে মামলা নিচ্ছেন না কেন? কেন ২৪ ঘন্টার মধ্যে গ্রেফতার করে কুকুর এর মত

গুলি করে নর্দমায় ফেলে দিচ্ছেন না কেন? এই পোশাকটি খুব সুন্দর। এই পোশাক গাঁয়ে দেয়া হয় ফাটা কেষ্ট হবার জন্য। কাপুরুষ লম্পট দের গড়ফাদার হবার জন্য নয়। আমার সকল পুলিশ ভাইদের প্রতি শ্রদ্ধা এবং অধিকার রেখে কথা গুলো বলছি। আমি দেখেছি প্রশাশনের লোকেরা অনেক বেশি ভালবাসে তার আদরের সন্তানদের। আপনার মেয়ের জন্য আপনি আলাদা টহল দিতে পারবেন না।

 

# সিনিয়র শিক্ষক,

আল হেরা স্কুল এন্ড কলেজ

মিরসরাই,চট্টগ্রাম।