1. ahmedshuvo@gmail.com : admi2018 :
  2. mridubhashan@gmail.com : Mridubhashan .Com : Mridubhashan .Com

রবিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২১, ০৯:২১ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম :

তালাকের পরও পাসপোর্টে স্বামীর নাম রাকিব!

মৃদুভাষণ ডেস্ক :: রাকিবকে তালাক দেওয়ার দিন-তারিখের সঙ্গে তামিমার ব্যক্তিগত তথ্যের গরমিল পেয়েছে পুলিশ। ডিভোর্সের এক বছর পরও স্বামীর নাম রাকিব হাসান লিখেছেন তামিমা।

সোশ্যাল মিডিয়ায় তাদের বিয়েবিতর্ক যখন তুঙ্গে তখন এমন খবর আগুনে ঘি ঢালার জোগান দেবে বৈকি।

এদিকে ডিভোর্সের পরও তামিমা কেন স্বামী হিসাবে রাকিবের নাম লিখেছেন সেই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে ব্যস্ত পিবিআই (পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন)। এ জন্য শিগগির তামিমাকে পুলিশের জেরার মুখোমুখি হতে হবে। সংশ্লিষ্ট সূত্র যুগান্তরকে এমনটিই জানিয়েছে।

এখন পর্যন্ত গণমাধ্যমে তামিমা তার আগের স্বামীকে তালাক প্রসঙ্গে যেসব বক্তব্য দিয়েছেন, তার সঙ্গে পাসপোর্টের তথ্য কোনোভাবেই মিলছে না।

তিনি জানিয়েছেন, ২০১৭ সালেই স্বামী রাকিব হাসানকে তালাক দেন। কিন্তু পুলিশ বলছে, ২০১৮ সালের পাসপোর্ট আবেদনে স্বামী হিসাবে তিনি রাকিবের নামই উল্লেখ করেন। ফলে এখানে তালাকের বিষয়টি নানাভাবে প্রশ্নবিদ্ধ। দুটি তথ্য সঠিক হওয়ার সুযোগ নেই।

পাসপোর্টে দেওয়া তথ্য সঠিক হলে তালাক সংক্রান্ত তথ্য অসত্য। আবার যদি তালাক দেওয়াকে সঠিক ধরে নেওয়া হয়, তাহলে পাসপোর্টে অসত্য তথ্য দেওয়ার কারণে তার পাসপোর্ট বাতিলসহ আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগও থেকে যাচ্ছে। সূত্রমতে, পুলিশ এভাবেই তদন্তের গতিপ্রবাহ নির্ধারণ করে এগিয়ে যাচ্ছে।

সাম্প্রতিক সময়ের বহুল আলোচিত বিষয়টি নিয়ে যুগান্তর অনুসন্ধান করতে গিয়ে জানতে পারে ২০১৮ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি উত্তরা অফিসে পাসপোর্ট নবায়নের আবেদন করেন তামিমা। তার আবেদন নম্বর ২৬০২০০০০০৬৬১২০০।

আবেদনে তিনি ব্যক্তিগত তথ্যের স্থানে পিতা ও মাতার নামের পর স্বামী হিসাবে রাকিব হাসানের নাম লিখেছেন। এমনকি পাসপোর্ট আবেদনে জরুরি যোগাযোগের জন্য তিনি রাকিবের নাম এবং মোবাইল নম্বরও যুক্ত করেন।

২০১৮ সালের ১১ মার্চ তাকে পাসপোর্ট দেওয়া হয়। যার মেয়াদ রয়েছে ২০২৩ সালের ৩ মার্চ পর্যন্ত।

পাসপোর্টে স্বামী হিসাবে রাকিবের নাম উল্লেখ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে নাসির-তামিমার আইনজীবী ব্যারিস্টার আসিফ বিন আনোয়ার যুগান্তরকে বলেন, ‘তামিমার পাসপোর্টে তথ্যের যে গরমিলের কথা বলা হচ্ছে তা এখনো আমি দেখিনি। এটা দেখার পর মন্তব্য করতে পারব। একইসঙ্গে আদালতকেও জানাতেও পারব।’

প্রসঙ্গত, ১৪ ফেব্রুয়ারি ঘটা করে নিজের বিয়ের ঘোষণা দেন জাতীয় দলের সাবেক ক্রিকেটার নাসির হোসেন। স্ত্রী হিসাবে ক্যামেরার সামনে আসেন বিমান বালা তামিমা সুলতানা। এ খবর যখন চাউর হয় তখনই ঘটে বিপত্তি।

নিজেকে তামিমার স্বামী দাবি করে রীতিমতো হাটে হাঁড়ি ভেঙে দেন রাকিব হোসেন নামের এক যুবক। সন্তানসহ ফেসবুকে হাজির হয়ে তিনি দাবি করেন, তামিমা তার বৈধ স্ত্রী। তাদের একটি কন্যাসন্তানও রয়েছে। এরপর বিদ্যুৎবেগে এসব খবর নানা রকম ডালপালা বিস্তার করতে থাকে সোশ্যাল মিডিয়াজুড়ে। নানা ধরনের মন্তব্যে ভরে যায় কমেন্ট বক্স।

মন্তব্যের বেশিরভাগই নেতিবাচক এবং স্বামী সন্তানের পক্ষে। এরই প্রেক্ষাপটে তামিমাকে নিয়ে সরাসরি সংবাদ সম্মেলনে হাজির হন ক্রিকেট তারকা নাসির। প্রেম, বিয়ে এবং সাবেক স্বামীর সঙ্গে ডিভোর্স নিয়ে সব খুলে বলেন তামিমা।

নাসিরও কম যাননি। তামিমার প্রতি ভালোবাসার সবটুকু উজাড় করে দিয়ে তিনি প্রেমিকার সঙ্গে পরিচয় থেকে প্রণয়ের গতিপথের আদ্যোপান্ত তুলে ধরেন। কিন্তু বেঁকে বসেন আগের স্বামী রাকিব। তিনি বিয়ের বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে আদালতে যান। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি তদন্তে পিবিআইকে নির্দেশ দেন আদালত।


© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত মৃদুভাষণ - ২০১৪
Design & Developed BY ThemesBazar.Com