1. ahmedshuvo@gmail.com : admi2018 :
  2. mridubhashan@gmail.com : Mridubhashan .Com : Mridubhashan .Com

বুধবার, ১৩ অক্টোবর ২০২১, ১২:৫৪ অপরাহ্ন

এফবিআইয়ের ‘মোস্ট ওয়ান্টেড’ সিরাজউদ্দিন হাক্কানি তালেবানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

মৃদুভাষণ ডেস্ক :: যুক্তরাষ্ট্রের সন্ত্রাসী সংগঠনের তালিকায় থাকা হাক্কানি নেটওয়ার্কের প্রধান সিরাজউদ্দিন হাক্কানি তালেবান সরকারের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করবেন। রাজধানী কাবুল দখলে নেওয়ার তিন সপ্তাহ পর মঙ্গলবার তালেবান যে মন্ত্রিসভার ঘোষণা দিয়েছে, সেখানে অন্তর্বর্তীকালীন এই সরকারের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে সিরাজউদ্দিন হাক্কানির নাম ঘোষণা করা হয়েছে।

বিভিন্ন সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকায় যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থা এফবিআইয়ের ‘মোস্ট ওয়ান্টেড’ তালিকায় নাম রয়েছে সিরাজউদ্দিন হাক্কানির। এফবিআইয়ের ওয়েবসাইটে সন্ত্রাসবাদে জড়িত থাকায় সিরাজউদ্দিনের হাক্কানির বিষয়ে তথ্য চেয়ে একটি পোস্টার দেওয়া হয়েছে।
বিজ্ঞাপন

সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের বিরুদ্ধে যুদ্ধের সময় সিরাজউদ্দিন হাক্কানির বাবা জালালউদ্দিন হাক্কানি আফগানিস্তানের বাইরে নানা দেশে সমমনা জিহাদিদের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তোলেন। সেই ধারা অব্যাহত ছিল ১৯৮৯ সালে দেশটি থেকে সোভিয়েত বাহিনী প্রত্যাহারের পরও। ওই সময়ে আল–কায়েদার নেতা ওসামা বিন লাদেনের সঙ্গেও তাঁর যোগাযোগ ছিল।

পরে ১৯৯৬ সালে এসে আফগানিস্তানে সরকার গঠন করে তালেবান। সে সময় তালেবানের সঙ্গে হাত মেলান জালালউদ্দিন হাক্কানি। তালেবান সরকারের একজন মন্ত্রী হিসেবেও দায়িত্ব পেয়েছিলেন তিনি। ২০০১ সালে মার্কিন ও তার মিত্রদের সেনা অভিযানে তালেবানের পতনের আগপর্যন্ত ওই দায়িত্বে ছিলেন তিনি।

২০১৮ সালে এসে জালালউদ্দিন হাক্কানির মৃত্যুর খবর প্রকাশ করে তালেবান। দীর্ঘদিন অসুস্থ ছিলেন তিনি। জালালউদ্দিনের মৃত্যুর পর হাক্কানি নেটওয়ার্কের দায়িত্ব পান তাঁর ছেলে সিরাজউদ্দিন হাক্কানি। এখনো তিনি নেটওয়ার্কটির প্রধান হিসেবেই আছেন।
বিভিন্ন সময়ে একের পর এক আত্মঘাতী বোমা হামলা চালিয়ে নিজেদের নৃশংসতার প্রমাণ রেখেছে হাক্কানি নেটওয়ার্ক। সামরিক ঘাঁটি ও দূতাবাসগুলোতে বড় হামলা চালিয়ে নিজেদের উচ্চসক্ষমতার জানান দিয়েছে তারা।

বার্তা সংস্থা এএফপির তথ্য অনুযায়ী, ২০০৮ সালে আফগানিস্তানের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট হামিদ কারজাইকে হত্যার চেষ্টা চালিয়েছিল হাক্কানি নেটওয়ার্ক। এ ছাড়া বিদেশি নাগরিক ও কর্মকর্তাদের অপহরণের ঘটনা তো রয়েছেই। এসবের মূল উদ্দেশ্য মুক্তিপণ আদায় এবং বন্দী থাকা তাদের সদস্যদের মুক্তি।


© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত মৃদুভাষণ - ২০১৪
Design & Developed BY ThemesBazar.Com