1. ahmedshuvo@gmail.com : admi2018 :
  2. mridubhashan@gmail.com : Mridubhashan .Com : Mridubhashan .Com

শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০২:৪৭ অপরাহ্ন

ওসমানী মেডিকেল কলেজের সেই ‘ধর্ষক’ চিকিৎসক কারাগারে

মৃদুভাষণ ডেস্ক :: সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রোগীর স্বজন এক কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগে আটক ইন্টার্ন চিকিৎসক মাকামে মাহমুদকে কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে।

সোমবার (১৬ জুলাই) বিকেলে পুলিশ তাকে অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন আদালতের বিচারক হোসেইন বিল্লাহ’র আদালতে হাজির করলে আদালত তাকে কারাগারে প্রেরণের নির্দেশ দেন।

এর আগে আক্রান্ত কিশোরীর বাবা বাদী হয়ে ইন্টার্ন চিকিৎসক মাকামে মাহমুদকে আসামী করে কতোয়ালি থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে মামলা দায়ের করেন। কতোয়ালি থানায় ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোশাররফ হোসেন মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

অভিযুক্ত মাকামে মাহমুদ ময়মনসিংহ জেলার মুক্তাগাছা এলাকার মোখলেছুর রহমানের ছেলে। তিনি সিলেট ওসমানী মেডিকেলের ৫১ তম ব্যাচের শিক্ষার্থী এবং ওসমানী মেডিকেলের নাক, কান ও গলা বিভাগের ইন্টার্ন চিকিৎসক। আর ভিকটিম নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী বলে জানা যায়।

এর আগে রোববার মধ্যরাতে ধর্ষণের ঘটনার পর সোমবার (১৬ জুলাই) দুপুরে হাসপাতাল থেকে অভিযুক্ত চিকিৎসককে আটক করে পুলিশ।

ভিকটিম কিশোরীর পরিবার ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, অসুস্থ নানির সঙ্গে হাসপাতালে ছিল ওই কিশোরী। তার নানী ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের তৃতীয় তলার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের ১৭ নম্বর বেডে ভর্তি ছিলেন। রোববার মধ্যরাতে ওই কিশোরী ছাড়া আর কেউ রোগীর সঙ্গে ছিল না। রাতে ফাইল দেখার কথা বলে ডাক্তার মাহী মেয়েটিকে একই ফ্লোরে নিজের কক্ষে ডেকে নিয়ে যান এবং ধর্ষণ করেন। সকালে বাবা-মা হাসপাতালে আসার পর কিশোরী ধর্ষণের ঘটনা তাদেরকে জানায়।

পরে সোমবার সকাল ৮টার দিকে মেয়ের বাবা-মা ওসমানী মেডিকেলের পরিচালকের কাছে চিকিৎসক মাহীর বিরুদ্ধে অভিযোগ করেন। এর পর হাসপাতালের চিকিৎসক, পুলিশ ও কিশোরীর স্বজনদের মধ্যে বৈঠক হয়। দুপুর দেড়টা পর্যন্ত ওই বৈঠক চলে। পরে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ মাহীকে পুলিশের কাছে সোপর্দ করে।

এ ব্যাপারে সোমবার দুপুরে হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার এ কে এম মাহবুবুল হক বলেন, ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়ার পর আমরা ওই স্কুলছাত্রীর স্বজনদের এবং ওই চিকিৎসককে নিয়ে বসি। মেয়ের পক্ষ এবং ওই ইন্টার্ন চিকিৎসকের পক্ষ থেকে পরস্পরবিরোধী বক্তব্য পাওয়া গেছে। মেয়ের পরিবারের আনা অভিযোগ মাকামে মাহমুদ অস্বীকার করেছেন। বিষয়টি আলোচনার মাধ্যমে সুরাহা না হওয়ায় মাকামে মাহমুদ পুলিশে দেয়া হয়েছে।

তিনি আরও জানান, মেয়েটিকে ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে (ওসিসি) পাঠানো হয়েছে। এছাড়া সব ওয়ার্ডে সিসি ক্যামেরা লাগানো আছে, সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডের ফুটেজ সংগ্রহ করতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। ঘটনা খতিয়ে দেখতে তদন্ত কমিটি হবে।


© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত মৃদুভাষণ - ২০১৪
Design & Developed BY ThemesBazar.Com