1. ahmedshuvo@gmail.com : admi2018 :
  2. mridubhashan@gmail.com : Mridubhashan .Com : Mridubhashan .Com

বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০৬:৩৩ অপরাহ্ন

দীর্ঘ প্রতিক্ষার পর সন্তান পেয়েও হতাশ খলিল-আরজিনা দম্পতি

মৃদুভাষণ ডেস্ক :: দীর্ঘ প্রতিক্ষার পরে পুত্র সন্তান ঘর আলো করে আসলেও সেই ঘরে এখন তাড়া করছে অন্ধকার। পুত্র সন্তান পেয়ে যেন সুখ হারাতে বসেছে রাজশাহীর চারঘাট উপজেলার খলিল-আরজিনা দম্পতি।

সদ্য ভুমিষ্ট দুই মাথা বিশিষ্ট পুত্র সন্তানকে বাচাঁতে খলিল-আরজিনা দম্পত্তির চোখের ঘুম কেড়ে নিয়েছে। রোববার দুপুরের দিকে উপজেলার বামনীদহ গ্রামে গেলে সন্তানকে বাচাঁতে মায়ের আহাজারি দেখে চোখের পানি ধরে রাখতে পারছে না বাচ্চা দেখতে আসা আত্মীয় স্বজনসহ প্রতিবেশীরা।

আরজিনার বোন ফারজিনা বেগম বলেন, খলিল-আরজিনা দম্পতির ঘরে গত ৯ বছর পুর্বে একটি কন্যা সন্তান জন্ম গ্রহণ করেছিল। এরপর দীর্ঘ প্রতিক্ষার পরে গত ২৯ সেপ্টেম্বর খলিল-আরজিনা দম্পত্তির ঘর আলো করে ভুমিষ্ট হয় একটি পুত্রসন্তান। কিন্তু ভুমিষ্ট বাচ্চাটি দুটি মাথা বিশিষ্ট। এতে চরম বেকায়দায় পড়েছেন ওই দম্পতি।

রাজশাহী হানগরীর মাদারল্যান্ড ক্লিনিকের চিকিৎসক ডা. ফাতেমা খাতুন সিজারিয়ান অপারেশনের মাধ্যমে বাচ্চাটি জন্মগ্রহণ করে। এরপর চিকিৎসক জানিয়েছেন বাচ্চাটিকে সুস্থ করে তুলতে হলে উন্নত অপারেশনের মাধ্যমে একটি মাথা বিছিন্ন করলে বাচ্চাটি সুস্থ্য হয়ে উঠবে। তবে এর জন্য প্রয়োজন প্রচুর অর্থের। সেই অর্থ জোগাড় করতে হিমশিম খাচ্ছেন খলিল-আরজিনা দম্পতি।

খলিল বলেন, আমি একজন সহকারী রাজমিস্ত্রি হিসেবে জীবিকা নির্বাহ করি। পুত্র সন্তানের আশায় বুক বেধে থাকলেও আজ সেই আশা আমার হতাশায় পরিণত হয়েছে। সন্তানকে বাঁচাতে এখন প্রচুর অর্থের প্রয়োজন। কিন্তু এতোগুলো টাকা কোথায় পাব। টাকার অভাবে কী আমার সন্তান অকালেই শেষ হয়ে যাবে।

সদ্য ভুমিষ্ট হওয়া পুত্র সন্তানের মা আরজিনা বলেন, আমার সন্তানকে বাঁচাতে সমাজের বিত্তবানরা যদি একটু এগিয়ে আসতো। তাহলে আমার সন্তানকে বাঁচাতে পারতাম। না হলে হয়ত ধীরে ধীরে বাচ্চাটি আমার চোখের সামনেই শেষ হয়ে যাবে বলে কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন।

পারবিারিক সুত্রে জানা গেছে, বাচ্চাটি জন্মের পর থেকে ধীরে ধীরে অসুস্থ হয়ে পড়ছে। এখনই উন্নত চিকিৎসা নেয়া না হলে হয়ত বাচ্চাটিকে বাঁচানো অসম্ভব হয়ে পড়বে।


© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত মৃদুভাষণ - ২০১৪
Design & Developed BY ThemesBazar.Com