1. ahmedshuvo@gmail.com : admi2018 :
  2. mridubhashan@gmail.com : Mridubhashan .Com : Mridubhashan .Com

শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০৪:১৮ অপরাহ্ন

কৌশলে স্কুলছাত্রীকে রাতভর ধর্ষণ, গ্রেপ্তার ২

মৃদুভাষণ ডেস্ক :: চট্টগ্রাম মহানগরীতে নবম শ্রেণির এক ছাত্রীকে কৌশলে জিম্মি করে ধর্ষণ করার অভিযোগ উঠেছে। অভিযুক্ত ধর্ষক ও তাকে সহায়তার অভিযোগে সানজিদা চৌধুরী নামে এক নারীকে গ্রেপ্তার করে সোমবার সকালে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে প্রেরণ করেছে পুলিশ ।

নগরীর পাহাড়তলী থানার দক্ষিণ কাট্টলী এলাকায় গ্রেপ্তার হওয়া নারীর বাসায় বৃহস্পতিবার রাতে ধর্ষণের এই ঘটনা ঘটে। ঘটনা জানাজানির পর ভুক্তভোগী ছাত্রীর পরিবার শনিবার রাতে থানায় মামলা দায়ের করার পর ধর্ষক ও ওই নারীকে গ্রেপ্তার করে।
গ্রেপ্তারকৃত ধর্ষক হলেন-মো. শামীম (২৯)। তার বাসা নগরীর খুলশী থানার ঝাউতলা এলাকায়। আর সানজিদা চৌধুরীর(২২) বাসা পাহাড়তলী থানার দক্ষিণ কাট্টলী ফইল্যাতলী কলেজ রোডে সেলিম সাহেবের ভবনের পঞ্চম তলায়। আর ধর্ষিতা ছাত্রীর বাসা সানজিদা চৌধুরীর বাসার কাছাকাছি এলাকায়। সে স্থানীয় একটি স্কুলে নবম শ্রেণিতে পড়ালেখা করে। তার বাবা প্রবাসী। মা ও ছোট বোনের সাথে ভাড়া বাসায় থাকে সে।

পাহাড়তলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সদীপ কুমার দাশ জানান, সানজিদা এবং ধর্ষিতা ছাত্রীর পরিবার আগে একই ভবনে থাকত। তিন মাস আগে তারা অন্যত্র বাসা ভাড়া নেয়। ওই ছাত্রীর মায়ের সঙ্গে সানজিদার পারিবারিক ঘনিষ্ঠ স¤পর্ক আছে।
বৃহ¯পতিবার সানজিদা বিয়ের দাওয়াতে যাবার কথা বলে ওই ছাত্রীর মাকে রাজি করিয়ে তাকে সঙ্গে নেয়। যাবার সময় পথে হঠাৎ অসুস্থবোধ করার কথা বলে মেয়েটিকে নিয়ে আবার বাসায় ফিরে আসে সানজিদা। এসময় শামীমকে ফোন করে বিরিয়ানি নিয়ে বাসায় আসার কথা বলে।

শামীম রাত ১০টার দিকে বিরিয়ানি নিয়ে বাসায় আসে। তিনজন মিলে খাওয়া-দাওয়া করে। মেয়েটি যখন তার বাসায় ফিরে যাবার প্রস্তুতি নিচ্ছিল শামীম তখন তাকে জোরপূর্বক একটি কক্ষে নিয়ে ধর্ষণ করে। এসময় আরেকটি কক্ষে সানজিদা ছিল। কিন্তু শামীমকে সে কোনোরকম বাঁধা দেওয়ার চেষ্টা করেনি।

ওসি বলেন, সানজিদা ও শামীম পূর্ব পরিচিত। টাকার বিনিময়ে সানজিদা শামীমকে মেয়েটির সঙ্গে ধর্ষণের সুযোগ করে দেয়। গ্রেপ্তারের পর সানজিদা প্রথমে বলেছিল, শামীম ধর্ষণের আগে তাকে আঘাত করলে সে অজ্ঞান হয়ে যায়। জ্ঞান ফেরার পর জানতে পারে, মেয়েটিকে ধর্ষণ করে শামীম পালিয়েছে। আসলে সানজিদার এই বক্তব্য পুরোপুরি মিথ্যা।

ধর্ষণের শিকার ছাত্রী পুলিশের কাছে অভিযোগ করেছে-ধর্ষণের পর শামীম ও সানজিদা মিলে তাকে ঘটনাটি কাউকে না জানানোর জন্য ভয়ভীতি দেখায়। এমনকি তাকে সারারাত ওই বাসায় আটকে রেখে ধর্ষণ করা হয়। পরদিন ১২ সেপ্টেম্বর শুক্রবার বাসায় ফিরে ওই ছাত্রী। বাসায় ফিরে মায়ের কাছে ঘটনার বিষয়ে বিস্তারিত বলার পর আতœীয়স্বজনের সঙ্গে পরামর্শ করে শনিবার রাতে মেয়েটি তার মাকে নিয়ে থানায় যায়। অভিযোগ পাবার পর সানজিদাকে তার বাসা থেকে এবং শামীমকে ঝাউতলা থেকে গ্রেপ্তার করা হয় বলে জানান ওসি।

ওসি সদীপ কুমার দাশ বলেন, চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্কুল ছাত্রীর ডাক্তারি পরীক্ষা স¤পন্ন হয়েছে এবং গ্রেপ্তার হওয়া দুজনকে সোমবার সকালে আদালতে হাজিরের পর কারাগারে পাঠানো হয়েছে।


© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত মৃদুভাষণ - ২০১৪
Design & Developed BY ThemesBazar.Com