1. ahmedshuvo@gmail.com : admi2018 :
  2. mridubhashan@gmail.com : Mridubhashan .Com : Mridubhashan .Com

বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১০:৪৬ পূর্বাহ্ন

হবিগঞ্জে দেওরের ছুরিকাঘাতে অন্তঃস্বত্তা নারী খুন

মৃদুভাষণ ডেস্ক :: হবিগঞ্জের লাখাই উপজেলায় দেওরের ছুরিকাঘাতে অন্তঃস্বত্তা নারীকে খুন হয়েছেন। এছাড়া বানিয়াচংয়ে জমি সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে দুপক্ষের সংঘর্ষে এক নারী মারা গেছেন।

রোববার সকালে ও শনিবার রাতের এসব ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও ৩ জন। আহতদেরকে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ ও সদর আধুনিক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

পুলিশ ও এলাকাবাসী জানায়, গত ১৬ ফেব্রুয়ারি লাখাই উপজেলার মুড়িয়াউক পশ্চিমপাড় দেওয়ান বাড়ির আব্দুর রশিদ লিটনের সঙ্গে তার চাচাতো বোন মানছুরা আক্তার সুমীর বিয়ে হয়। বিয়ের কিছুদিন যেতে না যেতেই তাদের পরিবারে শুরু হয় কলহ।

এর জের ধরে রোববার বেলা ১১টায় লিটনের ছোট ভাই বুরহানের ছুরিকাঘাতে সুমী গুরুতর আহত হন। স্থানীয়রা উদ্ধার করে হবিগঞ্জ আধুনিক সদর হাসপাতালে নিয়ে যান। পরে তার অবস্থার অবনতি হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক সুমীকে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান। সেখানে নিয়ে যাওয়ার পথে তার মৃত্যু ঘটে। সুমী ৫ মাসের অন্তঃস্বত্তা বলেও জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

লাখাই থানার ওসি মো. এমরান হোসেন জানান, পারিবারিক কলহের জের ধরে দেবর বুরহান উদ্দিনের অস্ত্রের আঘাতে সুমীর মৃত্যু হয়েছে। ঘটনার পর বুরহানকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

অপরদিকে শনিবার রাতে বানিয়াচং উপজেলার কাটখাল গ্রামে জমি সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে দুপক্ষের সংঘর্ষে মিনারা বেগম নামে এক মহিলা টেঁটাবিদ্ধ হয়ে নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আরও ৩ জন আহত হয়েছেন।

পুলিশ জানায়, কাটখাল গ্রামের পাতনী বাড়ির মৃত রিয়াত উল্লাহর ছেলে আব্দুস শহীদ ও চৌকিদার বাড়ির নেতৃত্বে ১১টি গোষ্ঠীর সঙ্গে একই গ্রামের হাজী ছিদ্দেক আলীর ছেলে কাছুম আলীর লোকজনের জমিসংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে। এ নিয়ে দুপক্ষের মাঝে একাধিকবার সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ ব্যাপারে আদালতে বেশ কয়েকটি মামলা চলমান রয়েছে।

শনিবার সকালে এ নিয়ে উভয়পক্ষের মাঝে উত্তেজনা সৃষ্টি হলে বানিয়াচং থানার এসআই ফিরুজ আল মামুন কাটখাল গ্রামে উপস্থিত হয়ে উভয়পক্ষকে শান্ত করেন। বিকেলে এ নিষেধ না মেনে আব্দুস শহীদের লোকজন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে কাছুম আলীর বাড়িতে হামলা ও ভাংচুর চালায়।

এ ঘটনায় সংঘর্ষে বুকে টেঁটাবিদ্ধ হয়ে গুরুতর আহত আব্দুর রকিবের স্ত্রী মিনারা খাতুনকে (৩৫) ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এবং পায়ে টেঁটাবিদ্ধ হাজী ছিদ্দেক আলীর ছেলে উসমান আলীকে (৩৮) সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়। অপর আহত মৃত আদম আলীর ছেলে কুতুব আলী (২২) ও হাজী ছিদ্দেক আলীর ছেলে মাওলানা আইয়ুব বিন ছিদ্দিককে হবিগঞ্জ আধুনিক সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে রাত ১০টার দিকে ঢাকা ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশনে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আহত মিনারা বেগম মারা যান।

বানিয়াচং থানার ওসি রাশেদ মোবারক বলেন, বর্তমানে ওই এলাকার পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। ওই এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।


© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত মৃদুভাষণ - ২০১৪
Design & Developed BY ThemesBazar.Com