1. ahmedshuvo@gmail.com : admi2018 :
  2. mridubhashan@gmail.com : Mridubhashan .Com : Mridubhashan .Com

শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০৯:০৪ অপরাহ্ন

ইঞ্জিন ছাড়াই চলবে ট্রেন

ছবি: সংগৃহীত

মৃদুভাষণ ডেস্ক :: দেখতে মেট্রো রেলের মতো। আবার অন্য ট্রেনের তুলনায় গতি বেশি। সর্বোচ্চ গতি ঘণ্টায় ১৬০ কিলোমিটার। এই প্রথম এমন ইঞ্জিনবিহীন ট্রেন চালু করতে যাচ্ছে ভারত। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে কয়েক মাসের মধ্যেই দেশটির রেললাইনে দেখা যাবে এ ট্রেন। খবর টাইমস অব ইন্ডিয়ার।

সম্পূর্ণ দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি এ ট্রেনের নাম ‘ট্রেন এইটটিন’। চেন্নাইয়ের খ্যাতনামা ইন্টিগ্রাল কোচ ফ্যাক্টরি (আইসিএফ) এ ট্রেনটির নির্মাতা প্রতিষ্ঠান। ট্রেনটি চলতি বছরের সেপ্টেম্বর-অক্টোবরের মধ্যেই তৈরির কথা জানিয়েছে সংবাদমাধ্যমগুলো।

খবরে বলা হয়, ঠিক যেভাবে লোকাল ট্রেন বা মেট্রোর কামরাগুলো ‘সেলফ প্রোপেলড’ প্রযুক্তিতে ইঞ্জিন ছাড়াই চলতে পারে, সেই একই প্রযুক্তি ব্যবহার করে চলবে এই নতুন ট্রেন। এটি তৈরিতে বিদেশি কোনো প্রযুক্তির সাহায্য নেয়া হয়নি বলে দাবি করেছে আইসিএফ। শুধু প্রযুক্তির দিক থেকেই নয়, যাত্রী স্বাচ্ছন্দ্যের দিক থেকেও ‘এইটটিন’ অন্য ট্রেনকে টেক্কা দেবে। ১৬ কামরার ট্রেনগুলো বড় বড় শহরগুলোর মধ্যে যাতায়াতে ব্যবহৃত হবে।

তার মধ্যে দুটি থাকবে এক্সিকিউটিভ ক্লাস এবং ১৪টি নন-এক্সিকিউটিভ। এ কামরাগুলোতে যথাক্রমে ৫৬ এবং ৭৮টি করে আসন থাকবে। এছাড়াও জিপিএস, ওয়াইফাই, এলইডি লাইটিং, স্বয়ংক্রিয় দরজা, মালপত্র রাখার জন্য প্রশস্ত জায়গা, সম্পূর্ণ রাবার ফ্লোরিংয়ের মতো সুযোগ-সুবিধা এ ট্রেনে থাকবে। কামরার ভেতরে হুইলচেয়ার রাখার ব্যবস্থাও থাকবে। ট্রেনটি প্ল্যাটফর্মে এলে সিঁড়ির বদলে থাকবে স্লাইডিং ফুটস্টেপ। ট্রেনের ভেতরে যাত্রীরা কোনো ঝাঁকুনিও অনুভব করবেন না।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যেহেতু এ ট্রেনের দুই দিকেই চালকের কেবিন থাকছে, তাই প্রান্তিক স্টেশনে পৌঁছার পরও ইঞ্জিন বদলের প্রয়োজন হবে না। তাছাড়া ‘সেলফ প্রোপেলড’ প্রযুক্তিতে চলায় লোকাল ট্রেনের মতোই দ্রুত গতি বাড়াতে পারবে এই ট্রেন। ফলে যাত্রাপথ সম্পূর্ণ করতে অন্যান্য ট্রেনের তুলনায় ট্রেন এইটটিনের অনেকটাই কম সময় লাগবে।

ট্রেন তৈরি হয়ে যাওয়ার পরে দু’তিন মাসের পরীক্ষামূলক চালুর পরে আরডিএসও (রিসার্চ ডিজাইন অ্যান্ড স্ট্যান্ডার্ড অর্গানাইজেশন) ট্রেনটিকে যাত্রী বহনে ছাড়পত্র দেবে বলেই আশাবাদী রেল মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা। সব মিলিয়ে এ ধরনের মোট ছয়টি ট্রেন তৈরির জন্য রেল মন্ত্রণালয় থেকে আইসিএফকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে।


© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত মৃদুভাষণ - ২০১৪
Design & Developed BY ThemesBazar.Com